• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • বাংলাদেশের স্বাধীনতা
বাংলাদেশের স্বাধীনতা

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

ঘটনা-১: মুক্তিযুদ্ধ শুরুর ১৫ দিন পরে একটি সরকার গঠন করা হয়। এ সরকার মুক্তিযুদ্ধকে সঠিকভাবে পরিচালনা, সুসংহত করা এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্ব জনমত গঠনের লক্ষ্যে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত হয়।

ঘটনা-২: রবি তার মাকে বাবার কথা জিজ্ঞাসা করলে, মা বলেন, "তোর বাবা যুদ্ধ করতে গিয়েছেন। কয়েক মাস যুদ্ধ করে বছরের. শেষের দিকে তোর বাবা লাল-সবুজ পতাকা হাতে ফিরে আসেন।"

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে জাতিসংঘ নীরব ভূমিকা নিয়েছে কেন? ব্যাখ্যা করো।

আমাদের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘ কার্যত নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে।

বিশ্ব শাস্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা জাতিসংঘের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলেও ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পূর্ব পাকিস্তানে সংঘটিত গণহত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে এ বিশ্ব সংস্থা কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি বরং শেষ দিকে যুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়ের সম্ভাবনা দেখা দিলে তার মিত্র যুক্তরাষ্ট্র ও চীন জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেয়। প্রকৃতপক্ষে 'ভেটো' ক্ষমতাসম্পন্ন পাঁচটি দেশের (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, ফ্রান্স ও চীন) সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে জাতিসংঘের নিজস্ব উদ্যোগ গ্রহশের ক্ষমতা অত্যন্ত সীমিত। এজন্য বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে জাতিসংঘ নীরব ছিল।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()