- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
ইরাকি প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা ফলপ্রসূ না হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ইরাক আক্রমণের পরিকল্পনা করে। প্রেসিডেন্ট বুশের নির্দেশে রাতের অন্ধকারে মার্কিন বাহিনী বাগদাদের নিরীহ জনগণের উপর নির্বিচারে বোমা বর্ষণ করে এবং গণহত্যা চালায়। আমেরিকানরা এর নাম দেয় "অপারেশন ডেজার্ট স্ট্রম' দীর্ঘদিনের যুদ্ধে ইরাক আজ বিধ্বস্ত ও বিপর্যস্ত। সাদ্দাম হোসেনের পরবর্তী সরকারগুলো পরাধীন ও বৃহৎশক্তির আজ্ঞাবহ মাত্র। জাতি হিসেবে ইরাক আজ নেতৃত্বহীন ও গভীর সংকটে পতিত এক জনপদ।
উদ্দীপকে বর্ণিত 'অপারেশন ডেজার্ট স্ট্রম' এর সাথে পূর্ব পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক পরিচালিত কোন আক্রমণের মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকে বর্ণিত "অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম" এর সঙ্গে পূর্ব পাকিস্তানে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক পরিচালিত 'সাপারেশন সার্চলাইট' এর মিল রয়েছে।
১৯৭০ সালে পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ একচেটিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করলেও শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরে টালবাহানা শুরু করে। তারা আলোচনার নামে সামরিক প্রস্তুতির জন্য কালক্ষেপণ করতে থাকে। এরপর ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে শাসকগোষ্ঠীর নির্দেশে পাকিস্তানি সেনা বাহিনী এদেশের নিরীহ বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এ রাতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাকিস্তানি বাহিনী নৃশংস গণহত্যা চালায়। পাকিস্তানি বাহিনীর পরিচালিত এ গণহত্যা অভিযানের নামই 'অপারেশন সার্চলাইট'। সে রাতে শুধু ঢাকা শহরেই পাক সেনার কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করে। উদ্দীপকে এ ঘটনারই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, ইরাকি প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসূ না হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ইরাক আক্রমণের পরিকল্পনা করে। প্রেসিডেন্ট বুশের নির্দেশে রাতের অন্ধকারে মার্কিন বাহিনী বাগদাদের নিরীহ জনগণের ওপর নির্বিচারে বোমাবর্ষণ করে এবং গণহত্যা চালায়। ঐ অভিযানের নাম ছিল "অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম"। ইরাকে মার্কিন বাহিনী পরিচালিত এ অপারেশনটির সঙ্গে ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে এদেশে পরিচালিত অপারেশন সার্চলাইটের কিছুটা সাদৃশ্য পাওয়া যায়।

