• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • বাংলাদেশের স্বাধীনতা
বাংলাদেশের স্বাধীনতা

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

'ভাইয়েরা আমার, আজ দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। আপনারা সবই জানেন এবং বোঝেন। আমরা আমাদের জীবন দিয়ে চেষ্টা করেছি। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আজ ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, রংপুরে আমার ভাইয়ের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত হয়েছে। আজ বাংলার মানুষ মুক্তি চায়। বাংলার মানুষ বাঁচতে চায়। বাংলার মানুষ, তারা আজ তাদের অধিকার চায়।'

সূত্র: চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর

উদ্দীপকের ভাষণটির পটভূমি বর্ণনা করো।

'৭০-র সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিপুল জয়ের পরও পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর ক্ষমতা হস্তান্তরে টালবাহানা বঙ্গবন্ধুকে ৭মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদানে উদ্বুদ্ধ করে।

উদ্দীপকে উল্লিখিত কথাগুলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রদত্ত ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের অংশ। সারা দেশব্যাপী নানারকম উদ্বেগ, উত্তেজনার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের এ ভাষণ ছিল জাতির জন্য সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা। এ ভাষণটি বিশ্বের ইতিহাসে খ্যাত হয়ে আছে।

বাঙালির রাজনৈতিক ইতিহাসে ৭ই মার্চের ভাষণ একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। পাকিস্তানের ১৯৭০ এর সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে টালবাহানা শুরু হয়। ইয়াহিয়া খান ৩রা মার্চ থেকে জাতীয় পরিষদের অধিবেশন ডেকেও ১লা মার্চ তা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেন। অধিবেশন স্থগিত করার প্রতিবাদে সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদ ও বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে ২রা মার্চ ঢাকা ও ৩রা মার্চ সারাদেশে হরতাল পালিত হয়। এ রকম একটি অস্থিতিশীল অবস্থায় ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়াদী উদ্যান) এক বিশাল জনসভায় বঙ্গবন্ধু ভাষণ দেন। সেই ঐতিহাসিক ভাষণে তিনি কৌশলগত কারণে পরোক্ষভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং জনগণকে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

উদ্দীপকের ভাষণটির পটভূমি বর্ণনা করো। | বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (নবম-দশম শ্রেণি) | Uddoyon