- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
মারুফা জাহান- তার ব্যক্তিগত ব্লগে পৃথিবীর সাড়া জাগানো একটি ভাষণ সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য প্রদান করেছেন। সেখানে লেখা আছে, এ ভাষণ যখন শুরু হয়েছিল তখন প্রদেশের রাজধানী থেকে ওয়ারলেসের মাধ্যমে খবর আসে সম্প্রচার বন্ধ করতে। নির্দেশটি পেয়ে বক্তা বললেন, রেডিও-টেলিভিশনের কর্মচারিরা যদি রেডিওতে আমাদের কথা না শোনে তাহলে কোনো বাঙালি রেডিও স্টেশনে ডায়ারো না। বিশ্বের ইতিহাসখ্যাত এ ভাষণটি পরবর্তীতে একটি দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল।
উদ্দীপকে কোন ভাষণের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের ইন্জিাত দেওয়া হয়েছে।
বংগবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ কমনার রেসকোর্স ময়দানে যে জ্বালাময়ী ভাষণ দিয়েছিলেন তা ছিল এক্ত কুরায় অনন্য। এ ভাষণে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের পাশাপাশি তিনি বলেন্দ্র মনে রাখবেন, রেডিও-টেলিভিশনের কর্মচারীরা যদি রেডিওতে জায়াদের কথা না শোনে তাহলে কোনো বাঙালি রেডিও স্টেশনে ভাবেন না। যদি টেলিভিশন আমাদের নিউজ না দেয়, কোনো বাঙালি টেলিভিশনে যাবেন না। উদ্দীপকেও এ বিষয়গুলো প্রতিফলিত হয়েছে।
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের এ ভাষণ ছিল পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল ঘটনা। এ ভাষণের অন্যতম দিক ছিল চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহীর 'করা, এবং সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া। তাছাড়াও গণহত্যার 'তদন্ত করী এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের দাবি ছিল'-এ ভাষণের অন্যতম লক্ষণীয় দিক ছিল। এ মহান ভাষণের সফল পরিণতির পথ ধরে সমগ্র জাতি তদানীন্তন পশ্চিম পাকিস্তানি সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে 'অসহযোগ আন্দোলন শুরু করেছিল। ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু পরোক্ষভাবে স্বাধীনতা আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন, যার পথ। ধরে ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়।

