- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- পূর্ববাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭খ্রি.-১৯৭০খ্রি.)
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
দৃশ্য-১: বিংশ শতকের ষাটের দশকের শেষ দিকে পূর্ব বাংলার। সাধারণ জনগণ তাদের দাবি আদায়ের জন্য রাস্তায় নামে। এই আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক শহিদ হন।
দৃশ্য-২:
ক্রম | অঞ্চলের নাম | স্থল বাহিনীতে কর্মরত অফিসারের শতকরা হার | নৌবাহিনীতে কর্মরত অফিসারের শতকরা হার | বিমান বাহিনীতে কর্মরত অফিসারের শতকরা হার |
|---|---|---|---|---|
১ | পূ. পাকিস্তান | ১.৩ | ১.১ | .০৫ |
২ | প. পাকিস্তান | ৯৮.৭ | ৯৮.৯ | ৯৯.৯৫ |
ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে গড়ে ওঠা সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে গড়ে ওঠা সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানটি হলো 'তমদ্দুন মজলিস'। ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে 'তমদ্দুন মজলিস' নামে এ সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানটি গড়ে ওঠে। এ সংগঠনটির উদ্দেশ্য ছিল বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করা ও এজন্য আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে তোলা। ১৫ সেপ্টেম্বর সংগঠনটি 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' শিরোনামে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে। এছাড়া তমদ্দুন মজলিস 'ভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করে, যা ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট রচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।

