• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • পূর্ববাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭খ্রি.-১৯৭০খ্রি.)
পূর্ববাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭খ্রি.-১৯৭০খ্রি.)

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

'ক' ও 'খ' অংশ মিলে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠিত হয়। রাষ্ট্রের শুরুতে 'ক' অংশের নেতাদের বৈষম্যমূলক আচরণ অবহেলার কারণে 'খ' অংশের কোনো উন্নতি হয়নি। 'খ' অংশের একজন নেতা তাদের স্বায়ত্তশাসনের জন্য কতকগুলো দাবি তুলে ধরেন। 'ক' অংশের নেতারা কোনো দাবি মেনে না নিলে 'খ' অংশের জনগণ পৃথক রাষ্ট্র গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়।

"মৌলিক গণতন্ত্র ছিল সামরিক শাসনকে দীর্ঘস্থায়ী করার কৌশল"- ব্যাখ্যা কর।

মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থায় পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তান থেকে মোট ৮০ হাজার নির্বাচিত ইউনিয়ন কাউন্সিল সদস্য নিয়ে নির্বাচকমন্ডলী গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। তাদের ভোটেই রাষ্ট্রপতি, জাতীয় পরিষদ ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হওয়ার বিধান রাখা হয়। সাধারণ জনগণ আইয়ুব খানের প্রতি সন্তুষ্ট ছিল না। তাই। তাদেরকে বাদ দিয়ে নির্বাচন পদ্ধতি গ্রহণ করে যাতে তিনি জয়লাভকররুত পারেন। সুতরাং বলা যায়, মৌলিক গণতন্ত্র ছিল সামরিক শাসন দীর্ঘস্থায়ী করার কৌশল।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()