• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • পূর্ববাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭খ্রি.-১৯৭০খ্রি.)
পূর্ববাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭খ্রি.-১৯৭০খ্রি.)

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

জিহাদের দাদা আবুল হোসেন দেশের গল্প শোনাতে গিয়ে জিহাদকে একটি আন্দোলনের বর্ণনা দিলেন, যা ৪০-এর দশকে শুরু হয়ে ৫০-এর দশকে শেষ হয় এবং এ আন্দোলনে অনেক ছাত্র-জনতা শহিদ হয়। দাদার দেওয়া একটি বই পড়ে জিহাদ আরও জানতে পারল, এ দেশের একজন নেতা জনগণের অধিকার আদায়ে শাসকগোষ্ঠীর কাছে তার অঞ্চলের জন্য মুদ্রা, প্রতিরক্ষা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তাসহ ভোটাধিকারের দাবি পেশ করেন।

উদ্দীপকে বর্ণিত নেতার পেশকৃত দাবিনামা বাঙালির অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করে'- বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপকে বর্ণিত নেতার পেশকৃত দবিনামাটি ছিল ঐতিহাসিক ছয় দফা। ছয় দফা বাঙালির অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করে।

বাঙালির অগ্রযাত্রার ইতিহাসে ঐতিহাসিক ছয় দফার তাৎপর্য ছিল অত্যাধিক। কেননা, ছয় দফা ছিল পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামরিকসহ সকল অধিকারের দাবিসংবলিত ম্যাগনাকার্টা। এতে প্রত্যক্ষভাবে স্বাধীনতার কথা বলা না হলেও এ ৬ দফা কর্মসূচি বাঙালিদের স্বাধীনতার মন্ত্রে গভীরভাবে উজ্জীবিত করে। ৬টি দফা সংবলিত এ দাবিনামার ১ ও ২নং ছিল প্রশাসনিক, ৩.৪ ও ৫নং ছিল অর্থনৈতিক এবং সর্বশেষ ৬নং দাবিটি ছিল পূর্ব পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বিষয়ে। এর প্রথম দাবিটিই ছিল বাঙালির স্বায়ত্তশাসনের। ঐতিহাসিক সনদটি প্রকাশিত হওয়ায় পর পাকিস্তান সরকার সেটিকে বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্মসূচি আখ্যা দিয়ে বাঙালিকে দমনের সর্বপ্রকার ষড়যন্ত্র ও দমনপীড়নের আশ্রয় নেয়। এরই ধারাবাহিকতায় বাঙালি ক্রমাগত অগ্রসর হয় স্বাধীনতার পথে এবং শেষপর্যন্ত অর্জিত হয় সে স্বাধীনতা।

সুতরাং উদ্দীপকে বর্ণিত ৬ দফা কর্মসূচিই যে বাঙালির অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করেছিল, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায়।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()