- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- পূর্ববাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭খ্রি.-১৯৭০খ্রি.)
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
'X' এর নির্দেশিত ঘটনার ফলাফল 'Y' ঘটনার মধ্যে নিহিত।
উদ্দীপকের 'X' এবং 'Y' ঘটনা দুটি হলো যথাক্রমে ভাষা আন্দোলন এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান। বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেরণাদায়ক শক্তি হিসেবে ঘটনা দুটির তাৎপর্য অত্যধিক।
১. ভাষা আন্দোলন: ভাষা আন্দোলন বাঙালি জাতির জীবনে একটি অবিস্মরণীয় সংগ্রামী বিজয়ের নাম। এ সংগ্রামের অন্যতম দুই সৈনিক ছিলেন আবদুল মতিন এবং কাজী গোলাম মাহবুব। ভাষা আন্দোলনের শেষ পর্যায়ে তাদের নেতৃত্বেই সংগ্রাম, পরিষদ গড়ে উঠেছিল এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে ভাষা আন্দোলনের নেতৃত্ব তারাই দিয়েছিলেন। ঐতিহাসিক এ ভাষা আন্দোলনের বিজয়'ও তার সুদূরপ্রসারী তাৎপর্য হিসেবে বাঙালি জাতি মুক্তির অনুপ্রেরণায় মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।
২. ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান মহান মুক্তিযুদ্ধকে পিছন থেকে ত্বরান্বিত করেছিল এরূপ অপার একটি প্রভাব বিস্তারকারী সংগ্রাম ছিল ঐতিহাসিক ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান। এ অভ্যুত্থানে দ্বৈর শাসক আইয়ুব সরকারের ক্ষমতা হস্তান্তর, ইয়াহিয়া খান কর্তৃক নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রতিশ্রুতি,
সর্বোপরি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন, বাঙালিদের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তরে টালবাহানা প্রভৃতি ঘটনাক্রমের ধারাবাহিকতায় পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতা যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে উঠেছিল।
সুতরাং মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেরণাদায়ক শক্তি হিসেবে উদ্দীপকের ঘটনাদ্বয়ের ভূমিকা যে অধিক তাৎপর্যপূর্ণ তা নিশ্চিতভাবে বলা যায়।

