• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • পূর্ববাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭খ্রি.-১৯৭০খ্রি.)
পূর্ববাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭খ্রি.-১৯৭০খ্রি.)

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি বৈষম্য

:

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

তুহিন ও তুষার একই দেশের যথাক্রমে পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলে বসবাস করে। তুহিনের অংশে দেশটির সরকার তেমন কোনো শিল্পকারখানা স্থাপন করেনি। ব্যবসায় বাণিজ্যেও এ অংশটি তুষারের অঞ্চল থেকে পিছিয়ে। চাকরির ক্ষেত্রে দেখা যায়, তুহিনের অঞ্চলের চেয়ে তুষারের অঞ্চলের অনেক বেশি লোক দেশটির বড় বড় পদে চাকরি করে।

উদ্দীপকে পূর্বাণালের যে বৈষম্যের চিত্র ফুটে উঠেছে পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার ব্যাখ্যা দাও।

উদ্দীপকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক বৈষম্যের চিত্র ফুটে উঠেছে।

পাকিস্তান সরকারের বৈষম্যমূলক নীতির কারণে পূর্ব বাংলার চাইতে পশ্চিম পাকিস্তান অনেক বেশি সুবিধাজনক অবস্থানে ছিল। যেমন ১৯৫৫-৫৬ সাল থেকে ১৯৫৯-৬০ সাল পূর্ব পাকিস্থান লাভ করেছিল ১১৩ কোটি ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা। অপরদিকে, পশ্চিম পাকিস্তান তখন পেয়েছিল ৫০০ কোটি টাকা। একইভাবে ১৯৬০-৬১ থেকে ১৯৬৪-৬৫ সালে পূর্ব পাকিস্তান লাভ করে ৬৪৮ কোটি টাকা আর পশ্চিম পাকিস্তানের ক্ষেত্রে তা ছিল ২২,২৩০ কোটি টাকা। ফলে ব্যবসায় বাণিজ্য, শিল্প উৎপাদন, কৃষিসহ অর্থনীতির সকল ক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তান পশ্চিম পাকিস্তানের চাইতে কয়েকগুণ পিছিয়ে পড়ে। পাকিস্তানের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় পূর্ব পাকিস্তানের ভূনিকা ছিল অতি নগণ্য। প্রশাসনিক ক্ষেত্রে বৈষম্য ছিল ব্যাপক। উদ্দীপকের তুহিনের অংশে দেশটির সরকার তেমন কোনো শিল্পকারখানা স্থাপন করেনি। পূর্ব বাংলার অংশেও তখন দেশটির সরকার কোনো শিল্পকারখানা স্থাপন করেনি। ব্যবসায় বাণিজ্যেও তুহিনের অংশ তুষারের অংশের চেয়ে অনেক পিছিয়ে ছিল। পূর্ব বাংলার ব্যবসায় বাণিজ্য পশ্চিম পাকিস্তানের থেকে পিছিয়ে ছিল।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()