- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- প্রাক ইসলামি আরব
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
জনাব রহমান মিয়া একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে তিনি তার দলের ইশতেহার ঘোষণা করেন, যা নিম্নরূপ:
১) একটি বিখ্যাত আইন সংহিতা প্রণয়ন করা হবে।
২) কৃষিকাজের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হবে।
৩) কৃষিকাজে অবহেলা কিংবা খাল খনন বা বাঁধ নির্মাণে অবহেলার জন্য কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।
৪) নির্দিষ্ট ওজন ও পরিমাণ পদ্ধতি প্রচলিত হবে।
জনাব রহমান মিয়া ঘোষিত ইশতেহারের সাথে তোমার পঠিত কোন সভ্যতার নীতিমালা সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকে উল্লিখিত রাজনৈতিক দলের নির্বাচনি ইশতেহারের সাথে প্রাচীন সুমেরীয় সম্রাট ভুঙ্গির প্রণীত আইনের সাদৃশ্য রয়েছে।
সুশৃঙ্খল ও সুন্দর সমাজব্যবস্থার জন্য আইনের কোনো বিকল্প নেই। এজন্য সুমেরীয় সভ্যতায় আইনের প্রবর্তন করা হয়েছিল। সুমেরীয় সম্রাট ডুঙ্গি সাম্রাজ্য পরিচালনার জন্য সুমেরীয় আইন প্রণয়ন করেন। ডুগি তার সাম্রাজ্য সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য স্থানীয় প্রচলিত আইনগুলো সংগ্রহ করে, সংকলন করেন। অপরাধের জন্য অপরাধীকে সমান কষ্টদায়ক সাজা প্রদান সুমেরীয় ফৌজদারি আইনের বিধান ছিল। এক্ষেত্রে চোখের বদলে চোখ, অঙ্গের বদলে অজা কর্তনের বিধান ছিল।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি নিজেকে বা তার পরিবারকে উদ্যোগী হয়ে ন্যায়বিচারের প্রার্থনা করতে হতো। বিচারালয় তখন বাদি ও বিবাদির মধ্যে মধ্যস্থতাকারী বা সংযোগ স্থাপনকারী হিসেবে কাজ করতো।
উদ্দীপকে বর্ণিত নির্বাচনি ইশতেহারে রাজনৈতিক দলের প্রধান জনাব রহমান মিয়া ঘোষণা দেন যে, তার দল নির্বাচনে জয়লাভ করলে কৃষিকাজের উন্নয়ন এবং আইন-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা হবে। কর্তব্যে অবহেলা ও অন্যায়ের জন্য শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। তাই এ ইশতেহারকে সম্রাট ভুগির প্রণীত আইনের সাথে তুলনা করা যেতে পারে।

