• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • প্রাক ইসলামি আরব
প্রাক ইসলামি আরব

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

আরাফাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ছাত্র। সে একটি সভ্যতা নিয়ে গবেষণা করছিল, যে সভ্যতার লোকজন সর্বপ্রথম লিখন পদ্ধতির আবিষ্কার করে। সে গবেষণা করে পায় যে স্থাপত্য শিল্পে তাদের দক্ষতার জন্য তারা ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ নির্মাতা হিসেবেও পরিচিত।

উক্ত সভ্যতার লোকজন ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ নির্মাতা হিসেবে পরিচিত- কথাটি মূল্যায়ন কর।

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত প্রাচীন মিসরীয় সভ্যতার লোকজন ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ নির্মাতা হিসেবে বিশ্বে পরিচিত লাভ করেছিল।

বিশ্বসভ্যতার ইতিহাসে মিসরীয় সভ্যতার অবদান অসামান্য। পৃথিবীর ইতিহাসে তারা শ্রেষ্ঠ নির্মাতা ছিল। কেননা পাথর কেটে প্রকাণ্ড সৌধ বানাতে তারা ছিল সিদ্ধহস্ত। বিশেষ করে পিরামিড নির্মাণের ক্ষেত্রে তারা শ্রেষ্ঠ স্থপতি হিসেবে বিবেচিত হয়। মৃত ফারাওয়ের দেহ ও তাদের সঙ্গে দেওয়া মূল্যবান সামগ্রীর নিরাপত্তার জন্য তারা এসব পিরামিড নির্মাণ করেছিল। বিশালাকার পিরামিড তাদের জ্যামিতিক জ্ঞানের পরিচয় বহন করে। সবচেয়ে বিখ্যাত পিরামিড ছিল ফারাও খুফুর পিরামিড। পিরামিড এক সময় সপ্তাশ্চর্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল। পিরামিডের পাশাপাশি তাদের স্থাপত্যশিল্পে জায়গা করে নেয় ধর্মমন্দির। মূলত পুরোহিতদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে তারা অনেক বৃহৎ সুদৃশ্য ধর্মমন্দির নির্মাণ করেছিল। এগুলো অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ হলেও এটি নির্মাণে প্রচুর ব্যয় হতো। ধর্মমন্দির গুলোর মধ্যে কর্নাফ ও লাকজ ছিল বিখ্যাত।

পিরামিড ছাড়া আরও একটি স্থাপত্যশিল্প ছিল, যা সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল। বিশেষ করে পিরামিড গড়ার সাথে সাথেই মিসরে ভাস্কর্য শিল্পের বিকাশ ঘটে। বিভিন্ন সমাধিসৌধ, ধর্মমন্দির ও প্রাসাদের প্রবেশপথে ভাস্কর্য বিদ্যমান ছিল। স্ফিংকস ছিল মিসরীয় ভাস্কর্যের প্রধান উদাহরণ। এছাড়াও ভাস্করগণ নরম পাথরে মানুষের মূর্তি গড়তেন। ফারাও ইখনাটন ও রানি নেফারতিতির মূর্তি এর উজ্জ্বল নিদর্শন।

উপর্যুক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রমাণিত হয়, পৃথিবীর ইতিহাসে মিসরীয়রাই শ্রেষ্ঠ নির্মাতা।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()