- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- প্রাক ইসলামি আরব
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
জাওয়াদ নিউ গভ. ডিগ্রি কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অনার্স ক্লাসের ছাত্র। সে প্রামীণ অর্থনীতি ও সংস্কৃতির ওপর মাঠকর্মীর কাজ করতে গিয়ে নদীর তীরে অবস্থিত একটি গ্রামে যায়। এখানে সে লক্ষ করে, অধিকাংশ মানুষ কৃষি কাজ নিয়ে ব্যস্ত। মাঠের মাঝে মাঝে ত্রিকোণাকার পাথরের স্থাপনা তার চোখে পড়ে। কৃষকদের সাথে তাদের আয়-রোজগারের কথা বলতে গিয়ে দেখে, তাদের ফসলের যাবতীয় হিসাব একটি খাতায় যোগ-বিয়োগ করে রেখেছে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত ত্রিকোণাকার পাথরের স্থাপনা পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
উদ্দীপকে উল্লিখিত ত্রিকোণাকার স্থাপনাটি প্রাচীন মিসরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান স্থাপত্য নির্দশন পিরামিডের কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়।
শিল্পকলার ক্ষেত্রে মিসরীয়রা অসামান্য কীর্তি প্রদর্শন করেছে। তাদের ধর্ম, দর্শন, সমাজ, রাজনীতি সবকিছুতে ছিল শিল্পকর্মের ছাপ। তাদের সজীব, বাস্তবধর্মী ও সমৃদ্ধ শিল্পকলার নিদর্শন পাওয়া যায় উদ্দীপকে বর্ণিত ত্রিকোণাকার স্থাপনা তথা সুউচ্চ পিরামিডগুলোতে।
পিরামিড প্রাচীন মিসরীয়দের এক অনন্য আশ্চর্য কীর্তি। গ্রিক ভাষায় 'পিরামিড' শব্দের অর্থ খুব উঁচু। পিরামিড হলো পাথরের তৈরি আকাশচুম্বী বিশাল ও ত্রিকোণাকার সমাধিসৌধ। এ পর্যন্ত ৮০টিরও বেশি পিরামিডের ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কৃত হয়েছে, যার ৭০টিরও বেশি কালের সাক্ষী হয়ে টিকে আছে। প্রাচীন মিসরীয়রা মৃত্যুর পরের জীবনে বিশ্বাসী ছিল। তারা মনে করত, সে জীবনেও তাদের ফারাওদের নেতৃত্ব প্রয়োজন। তাই মৃত রাজা-বাদশাহদের দেহ মমি করে রাখার জন্য পিরামিড তৈরি করা হয়। তাছাড়া রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় প্রভাব-প্রতিপত্তির প্রতীক হিসেবে তৈরি করা হয় পিরামিড।
উপর্যুক্ত আলোচনায় দেখা যায় যে, উদ্দীপকে বর্ণিত ত্রিকোণাকার স্থাপনা বলতে প্রাচীন মিসরীয়দের পিরামিড স্থাপনাকে বোঝানো হয়েছে।

