• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • প্রাক ইসলামি আরব
প্রাক ইসলামি আরব

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

রূপগঞ্জ গ্রামের প্রাকৃতিক পরিবেশ খুবই মনোরম। সেখানকার মানুষ সহজ-সরল জীবন যাপন করে। মাটি উর্বর কিন্তু গ্রামে প্রতিবছর বন্যা হওয়ায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। এ সমস্যা সমাধানের উপায় বের করার জন্য গ্রামবাসী মাসুদ সাহেবের বাসায় একত্রিত হয়। মাসুদ সাহেব বললেন, প্রাচীন কালে কোনো এক সভ্যতার মানুষেরা এ জাতীয় সংকটের মধ্যে পড়েছিল। কিন্তু উদ্ভাবনী ক্ষমতা প্রয়োগ করে তারা শুধু সংকট সমাধানের পথ বের করেনি মানব সভ্যতার ইতিহাসে অনেক গুরুত্বপূর্ণ অবদানও রেখেছে।

রূপগঞ্জের অধিবাসীরা কোন সভ্যতার আলোকে তাদের সমস্যা সমাধান করতে পারে? ব্যাখ্যা করো।

রূপগঞ্জের এলাকাবাসী প্রাচীন মিসরীয় সভ্যতার জ্ঞান কাজে লাগিয়ে তাদের এ সমস্যার সমাধান করতে পারে। প্রাচীন সভ্যতার ভিত্তি ভূমি হিসেবে বিবেচিত মিসরের অবস্থান আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর-পূর্ব দিকে। আজ থেকে ৭০০০ বছর আগে যখন পৃথিবীর আবহাওয়া ও জলবায়ুতে নানা পরিবর্তনের ফলে দিনের পর দিন বৃষ্টি পড়ত, মিসরের নীলনদের পানি উপচে দুকূল ছাপিয়ে নবোপলীয় মানুষের কৃষ্টি উৎপাদনসহ সকল সহায়-সম্বল ভাসিয়ে নিয়ে নিঃস্ব করে দিত, তখন মিসরীয়রা প্রতি বছরের এ বন্যাকে রোধ করার জন্য বাঁধ দেওয়ার পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছিল। উক্ত সমস্যা সমাধান করতে গিয়ে প্রাচীন মিসরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ, কৃষি উপকরণ, সেচব্যবস্থা প্রভৃতির বিকাশের সাথে সাথে নগরের বিকাশ ঘটতে থাকে যা মিসরকে সভ্যতার পটভূমিতে পরিণত করে। উদ্দীপকের রূপগঞ্জ এলাকার লোকজন মিসরীয়দের মতোই সমস্যা কবলিত। তারাও নদীর বন্যার কারণে ক্ষতির শিকার। এলাকাবাসী সম্মিলিতভাবে প্রচেষ্টা চালালে বাঁধ নির্মাণ করা সম্ভব এবং তারাও মিসরীয়দের মতো বিপর্যয় থেকে রক্ষা পাবে। অর্থাৎ মিসরীয়দের বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে রূপগঞ্জ এলাকাবাসী নদীকে তাদের উপকারের ক্ষেত্র হিসেবে তৈরি করতে পারে।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()