• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • হযরত মুহাম্মদ (স.) (৫৭০-৬৩২ খ্রি.)
হযরত মুহাম্মদ (স.) (৫৭০-৬৩২ খ্রি.)

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

বাংলাদেশে স্বাধীনতা অর্জনের জন্য মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন রহমান সাহেব। কমান্ডার জলিল সাহেবের দলে তিনি যুদ্ধে অংশ নেন। এ বাহিনী সরাসরি যুদ্ধের মাধ্যমে যখন তাদের অঞ্চলকে রক্ষা করতে ব্যর্থ হচ্ছিল, তখন উক্ত বাহিনীর অধিনায়ক এক অভিনব পন্থা বের করেন। তার পরামর্শে রাতের অন্ধকারে উক্ত অঞ্চলের প্রবেশের প্রধান প্রধান সড়কগুলো কেটে বড় বড় খাদের সৃষ্টি করে দিয়ে সকল যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করা হয়। ফলে শত্রু বাহিনীর হাত থেকে উক্ত অঞ্চল রক্ষা পায়।

উদ্দীপকে উল্লিখিত কমান্ডার মহানবি (স)-এর যে যুদ্ধকৌশলটি অনুসরণ করেন তা ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপকের উল্লিখিত কমান্ডার মহানবি (স)-এর খন্দকের যুদ্ধকৌশল অনুসরণ করেননি।

খন্দকের যুদ্ধে মহানবি (স) মদিনাকে ঘিরে পরিখা খনন করেছিলেন। কুরাইশরা এই অভিনব কৌশলে অনেকটা হতভম্ব হয়ে পড়ে। পরিখা পেরিয়ে হামলা করতে ব্যর্থ হয়ে তারা মদিনাকে ২৭ দিন পর্যন্ত অবরোধ করে রাখে। কিন্তু একপর্যায়ে শত্রু বাহিনীতে খাদ্য ও পানীয়ের অভাব দেখা দেয় এবং ঝড়ো হাওয়ায় তাদের তাঁবু উড়ে যায়। অনুরূপ ঘটনা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ক্ষেত্রেও লক্ষণীয়।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা গ্রামে প্রবেশের একমাত্র রাস্তাটি কেটে দিয়েছিল, যাতে পাকিস্তানি আর্মি সহজে গ্রামে প্রবেশ করতে না পারে। মুক্তিযোদ্ধারা এ রণকৌশলের মাধ্যমে শত্রুদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে। খন্দক যুদ্ধে মহানবি (স) যেমন পরিখা খননের মাধ্যমে মদিনাকে হেফাজত করেছিলেন মুক্তিযোদ্ধারাও তেমনি নিজের দেশকে বহিঃশত্রুর হাত হতে রক্ষা করার জন্য রাস্তা কেটে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। ফলশ্রুতিতে মদিনাবাসীদের মতো তারাও এদেশকে রক্ষা করতে পেরেছিলেন। সুতরাং বলা যায়, খন্দক যুদ্ধের যুদ্ধ কৌশলই বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে পরিলক্ষিত হয়।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()