- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- ইসলাম ও ব্যক্তিজীবন
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
প্রয়াত রফিক মিয়া একজন রিকশাচালক। একদিন এক যাত্রী তার ব্যাগটি রিকশায় রেখেই চলে যাচ্ছিল। রফিক মিয়া ঐ লোকটিকে ডেকে ব্যাগটি দিয়ে দিল। বাড়িতে গিয়ে তার স্ত্রীকে ঘটনাটি জানালে তার স্ত্রী বলল, "কী দরকার ছিল? ব্যাগটি বাড়িতে নিয়ে আসতে পারতা।" রফিক মিয়া উত্তরে বলল, "হারাম খাওয়ার মধ্যে লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশি।"
রফিক মিয়ার স্ত্রীর মনোভাব তোমার পাঠ্যবই এর আলোকে ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকে রফিক মিয়ার স্ত্রীর মনোভাবে হারাম খাওয়ার প্রবণতা লক্ষ করা যায়।
অবৈধ, অননুমোদিত বা শরিয়ত পরিপন্থি যেকোনো উপায়ে উপার্জন করাকে হারাম উপার্জন বলে। অর্থাৎ যেসব বিষয় কুরআন ও হাদিসের মাধ্যমে স্পষ্টভাবে অবৈধ প্রমাণিত হয় তাকে হারাম বলে। মানুষ নিজের মেধা, যোগ্যতা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় বিষয় অর্জন করে।
অন্যের অর্থ-সম্পদ তার অনুমতি ছাড়া গ্রহণ করা ইসলামি শরিয়তে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আর এদিকে রফিক মিয়ার স্ত্রীর আকর্ষণ রয়েছে।
উদ্দীপকের রফিক মিয়া একজন রিকশাচালক। একদিন এক যাত্রী তার ব্যাগটি রিকশায় রেখে চলে যাওয়ার সময় রফিক মিয়া ঐ লোকটিকে ডেকে ব্যাগটি ফেরত দেয়। তার স্ত্রী ঘটনাটি শোনার পর বলল, ব্যাগটি ফেরত না দিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসলে পারতে।
রফিক মিয়ার স্ত্রীর এ ধরনের মনোভাব ইসলাম সমর্থন করে না। কেননা ব্যাগটি আত্মসাৎ করলে সেটি অবৈধ উপার্জন হতো। আর ইসলামে অবৈধ পথে উপার্জন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। হারাম উপায়ে জীবিকা নির্বাহ করলে ইবাদত কবুল হয় না। উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, রফিক মিয়ার স্ত্রীর মধ্যে হারাম খাওয়ার প্রবণতা রয়েছে যা ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

