- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- ইসলাম ও ব্যক্তিজীবন
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
রাইয়ান ইলেকট্রিক মিডিয়ায় "ইসলামে সুফিবাদ ও তাসাউফ” শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান দেখল। অনুষ্ঠানটি দেখে সে উপলব্ধি করতে সক্ষম হলো যে মানুষের পরিশুদ্ধির উপরই জীবনের সফলতা নির্ভর করে। আর এজন্যই ইসলাম জীবন দর্শনে মানুষের আত্মশুদ্ধির উপর জোর তাগিদ দেয়।
ইসলামের দৃষ্টিতে আত্মশুদ্ধির উপায়সমূহ লিখ।
যাবতীয় সৎ গুণাবলি অর্জন এবং অশ্লীল ও পাপাচার থেকে নিজেকে রক্ষা কারার মাধ্যমে তাসাউফ বা আত্মশুদ্ধি অর্জন করা যায়।
আত্মশুদ্ধিকে সুফিবাদের পরিভাষায় তাসাউফ বলে। প্রখ্যাত সুফি দার্শনিক ইমাম গাযযালি (র.)-এর মতে মতে, "তাসাউফ হলো আল্লাহ ছাড়া অপর মন্দ সবকিছু থেকে আত্মাকে পবিত্র করে সর্বদা আল্লাহর নিমজ্জিত থাকা এবং সম্পূর্ণরূপে আল্লাহতে নিমগ্ন হওয়ার নাম।"
ইসলামের দৃষ্টিতে তাসাউফ বা আত্মশুদ্ধি অর্জনের কিছু উপায় হলো-সৎগুণাবলি অর্জন এবং যাবতীয় অশ্লীল ও পাশবিক চরিত্রের দমন করার মাধ্যমে তাসাউফ বা আল্লাহর নৈকট্যে পৌঁছে যায়। ঐকান্তিকতার সাথে আমল করার মাধ্যমে মানুষ আল্লাহ প্রিয় হতে পারে।
মহানবি (স.) ইরশাদ করেন- 'তুমি এমনভাবে ইবাদত করো, যেন আল্লাহকে দেখছ। আর তুমি যদি আল্লাহকে নাও দেখতে পারো, তবে মনে রেখো আল্লাহ তোমাকে দেখছেন' (মিশকাত)। ধ্যান মগ্ন হওয়া- দুনিয়ার যাবতীয় স্বার্থান্বেষী চিত্তা থেকে মুক্ত হয়ে শুধু আল্লাহর ধ্যানে নিজেকে মগ্ন করতে পারলে আল্লাহ বান্দাকে তার নৈকট্য লাভে সুযোগ দেন। ইহতিসাব বা নিজের ওপর অন্যের অভিযোগকে একনিষ্ঠভাবে গ্রহণ করা।
পরিশেষে বলা যায় যে, পূত-পবিত্র মনে একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর ইবাদতের মাধ্যমে তাসাউফ বা আত্মশুদ্ধি অর্জন করা যায়।

