• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • ফুলের বিবাহ (গদ্য)
ফুলের বিবাহ (গদ্য)

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

মৌরি একদিন বাবার কাছে বায়না ধরে বোটানিক্যাল গার্ডেনে বেড়াতে যাবে। বাবা একদিন ওকে নিয়ে বেড়াতে গেলে সে ভীষণ খুশি হয়। নানা জাতের ফুল-ফলের গাছের সমারোহ দেখে সে অভিভূত হয়ে যায়। দীর্ঘদিন সে যেসব ফুল-ফলের নাম শুনেছে সেগুলো আজ নিজ চোখে দেখে খুবই আনন্দিত হয়। অবশেষে সিদ্ধান্ত নেয় বাড়ির আঙিনায় ছোট্ট একটা বাগান করবে।

ক্ষুদ্র বৃক্ষটি কেন বিরক্ত হয়েছিল?

ক্ষুদ্র বৃক্ষটি বিরক্ত হয়েছিল কারণ ভ্রমর ঘটকালির কাজে নগদ অর্থ বা মধু আগাম চাওয়ার মতো কথাবার্তা বলছিল। এছাড়া, ভ্রমর কন্যার গুণের পরিবর্তে নিজের লাভের দিকেই বেশি মনোযোগ দিচ্ছিল, যা ক্ষুদ্র বৃক্ষের কাছে অযথা সময় নষ্টের মতো মনে হয়েছিল। এজন্য সে বিরক্ত হয়ে সরাসরি বরের বিষয়ে জানতে চায়।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ

#

‘ফুলের বিবাহ’ গল্পে কে ঘটকের দায়িত্ব পালন করে?

‘ফুলের বিবাহ’ গল্পে ভ্রমর ঘটকের দায়িত্ব পালন করে। সে মল্লিকা ফুলের জন্য বর খুঁজে আনে এবং গোলাব ফুলের সঙ্গে মল্লিকার বিবাহের ব্যবস্থা করে।

#

উদ্দীপকের মৌরির ভালোলাগার বিষয়ের সঙ্গে ‘ফুলের বিবাহ’ গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপকের মৌরি ফুল-ফলের গাছ দেখে অভিভূত হয়ে গভীর আনন্দ অনুভব করে। দীর্ঘদিন সে যেসব ফুল-ফলের নাম শুনেছে, সেগুলো বাস্তবে দেখে তার মনে প্রবল উচ্ছ্বাস জাগে। সে সিদ্ধান্ত নেয় বাড়ির আঙিনায় একটি ছোট্ট বাগান তৈরি করবে, যেখানে ফুল-ফল তার আনন্দের সঙ্গী হয়ে থাকবে। এটি তার প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা, আকর্ষণ এবং সৃজনশীল মনোভাবের পরিচায়ক।

‘ফুলের বিবাহ’ গল্পেও প্রকৃতি ও ফুলের প্রতি গভীর ভালোবাসার প্রকাশ ঘটেছে। গল্পের কল্পিত বিবাহের মাধ্যমে ফুল, ভ্রমর, পাতা ও বাতাসকে জীবন্ত চরিত্রে পরিণত করা হয়েছে। এতে প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদানকে বর্ণনামূলকভাবে প্রাণবন্ত করা হয়েছে, যা পাঠকের মনে আনন্দ ও প্রকৃতির প্রতি গভীর আকর্ষণ সৃষ্টি করে।

উদ্দীপকের মৌরির ভালোলাগা ও গল্পের মধ্যে সাদৃশ্যপূর্ণ দিক হলোÑউভয় ক্ষেত্রেই ফুল ও প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা এবং মুগ্ধতা প্রকাশ পেয়েছে। উদ্দীপকে মৌরি ফুলের বাস্তব রূপ দেখে আনন্দ পায়, আর গল্পে ফুলের সৌন্দর্য কল্পনার রঙে রাঙিয়ে মানুষের হৃদয়ে ভালোবাসা জাগিয়ে তোলে। প্রকৃতির প্রতি এই অনুভূতি মানুষের মনকে শান্তি দেয় এবং তাকে সৃষ্টির প্রতি আকৃষ্ট করে।

#

“মৌরির মাঝে সৃষ্ট প্রতিক্রিয়াই যেন ‘ফুলের বিবাহ’ গল্পের মূল চেতনা।”—যুক্তিসহ বুঝিয়ে লিখ।

মৌরির মাঝে সৃষ্ট প্রতিক্রিয়াই প্রকৃতপক্ষে ‘ফুলের বিবাহ’ গল্পের মূল চেতনার সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ।

মৌরি যখন বোটানিক্যাল গার্ডেনে বিভিন্ন ফুল-ফলের গাছ দেখে, তখন তার মনে আনন্দ ও মুগ্ধতা সৃষ্টি হয়। প্রকৃতির এই সৌন্দর্য তাকে এতটাই অনুপ্রাণিত করে যে, সে নিজের বাড়িতে একটি ছোট্ট বাগান করার সিদ্ধান্ত নেয়। এই ভালোলাগা এবং সৃজনশীল পরিকল্পনা প্রকৃতির প্রতি তার ভালোবাসার গভীরতা প্রকাশ করে।

‘ফুলের বিবাহ’ গল্পের মূল চেতনা প্রকৃতির সৌন্দর্যকে জীবন্ত ও কল্পনার ছোঁয়ায় আরও মধুর করে তোলা। গল্পে দেখা যায়, ফুল, গাছ, ভ্রমর, বাতাস প্রভৃতি প্রকৃতির উপাদানগুলোকে জীবন্ত চরিত্রে রূপদান করা হয়েছে। গল্পটি প্রকৃতির রূপ-গুণকে কেন্দ্র করে আবর্তিত, যেখানে ফুলের রূপ, সৌন্দর্য এবং ঘ্রাণ নিয়ে একটি কল্পিত বিবাহ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এটি প্রকৃতির প্রতি মানুষের আবেগ, ভালোবাসা এবং কল্পনার জগৎকে তুলে ধরে।

মৌরির অভিজ্ঞতা এই চেতনাকেই বাস্তব রূপ দেয়। প্রকৃতির সঙ্গে সরাসরি সংস্পর্শে এসে সে অনুভব করে প্রকৃতির বিশালত্ব ও মাধুর্য। এই আনন্দ তাকে নতুন কিছু সৃষ্টির অনুপ্রেরণা দেয়, যা প্রকৃতিকে আরও ঘনিষ্ঠভাবে ভালোবাসার প্রতীক।

তাই বলা যায়, মৌরির প্রতিক্রিয়া প্রকৃতি এবং ফুলের প্রতি মানুষের গভীর ভালোবাসা এবং সৃষ্টিশীল মনোভাবের একটি বাস্তব চিত্র, যা ‘ফুলের বিবাহ’ গল্পের কল্পনার চেতনাকেই জীবন্ত করে তোলে।