• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • আকাইদ ও নৈতিক জীবন
আকাইদ ও নৈতিক জীবন

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

প্রেক্ষাপট- ১ : আদ্যক্ষর সু নামক প্রতিষ্ঠানের কোনো কর্মকর্তার পেশাগত প্রশিক্ষণ, এমনকি ডিপ্লোমা সনদ নেই।' তারপরও তারা চিকিৎসক ও সেবিকা সেজে স্পর্শকাতর পরীক্ষা চালাচ্ছেন ও লোকজনকে টিকা দিচ্ছেন। এই সুযোগে তারা হাজার হাজার টাকা কামিয়ে নিচ্ছেন।

প্রেক্ষাপট- ২ : অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার এভাবে বাড়তে থাকলে খুব শীঘ্রই মানবজাতি জীবাণুর জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রাণরক্ষার যুদ্ধে পরাস্ত হবে। গৃহপালিত পশুপাখিকে রোগমুক্ত রেখে কম সময়ে অধিক উৎপাদনের লক্ষ্যে অ্যান্টিবায়োটিকের অবাধ ব্যবহার হয়ে আসছে। পোলট্রিতে উৎপাদন বাড়াতে অর্থাৎ পোলট্রির দৈহিক বৃদ্ধির জন্য অনেক খামারি। গ্রোথ প্রোমোটার হিসেবে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করে। যা হৃদরোগীর জন্য খুবই ক্ষতিকর।

২ নম্বর প্রেক্ষাপটে যে বিষয়টি ফুটে ওঠে, তা 'সৎকর্মশীল হতে। ও নৈতিক জীবন গঠনে আখিরাতে বিশ্বাসের ভূমিকা'র আলোকে বিশ্লেষণ করো।

২ নম্বর প্রেক্ষাপটের বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে নৈতিকতাবিরোধী একটি অসৎকর্ম।আখিরাতে বিশ্বাস মানুষকে এ ধরনের নৈতিকতাবিরোধী কাজ থেকে দূরে রাখতে পারে।

কাজে-কর্মে, আচার-আচরণে নীতি ও আদর্শের অনুশীলনই নৈতিকতা। মুমিন ব্যক্তিরা নৈতিকতার ধারক। তারা সবসময় সৎকাজে নিজেদের নিয়োজিত রাখেন এবং অন্যায় কাজ থেকে দূরে থাকেন। কারণ তারা পরকালে দৃঢ় বিশ্বাস রাখেন। আখিরাতে জবাবদিহিতার ভয়ে তারা সৎকর্মে উদ্বুদ্ধ হন। কিন্তু ২ নম্বর প্রেক্ষাপটে এর ভিন্ন চিত্র লক্ষণীয়।

২ নম্বর প্রেক্ষাপটে, বলা হয়েছে, গৃহপালিত পশুপাখিকে রোগমুক্ত রেখে কম সময়ে অধিক উৎপাদনের লক্ষ্যে অ্যান্টিবায়োটিকের অবাধ ব্যবহার হয়ে আসছে। এ অ্যান্টিবায়োটিক মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এটি একটি নীতিবিরুদ্ধ এবং অনৈসলামিক কাজ। মুমিন ব্যক্তিরা জীবন পরিচালনার ক্ষেত্রে নীতি ও আদর্শের অনুসরণ করেন। কুরআনে বলা হয়েছে, 'তোমরা সর্বোত্তম জাতি, তোমাদেরকে মানবজাতির কল্যাণের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে।' (সূরা আলে-ইমরান, আয়াত ১১০) সৎকর্মশীল ব্যক্তি আল্লাহর নির্দেশ পালনের জন্য মানবজাতির অকল্যাণ থেকে বিরত থাকে। কারণ তারা জানেন পরকালে তাদের প্রতিটি কাজের জবাবদিহি করতে হবে। ভালো কাজের জন্য জান্নাত এবং খারাপ কাজের জন্য জাহান্নামে শাস্তি পেতে হবে।

উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, আখিরাতে বিশ্বাসের অভাবেই ২. নম্বর প্রেক্ষাপটে বর্ণিত ব্যক্তিরা অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়েছে। চিরশান্তির স্থান জান্নাত লাভের প্রত্যাশা এবং জাহান্নামের শাস্তির ভয় সৃষ্টি করে তাদেরকে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত রাখা সম্ভব।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()