- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- আকাইদ ও নৈতিক জীবন
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
প্রেক্ষাপট- ১ : জনাব 'ক' একজন আধুনিক শিক্ষিত লোক। তিনি নিয়মিত সালাত, সাওম ও যাকাত আদায় করেন। তিনি বিশ্বাস করেন প্রত্যেক যুগেই নবি-রাসুলের আগমন প্রয়োজন। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে ও ভবিষ্যতে অনেকেই রিসালাতের দায়িত্ব পালন করবেন।
প্রেক্ষাপট- ২ : ইমাম সাহেব জুমার দিনের আলোচনায় পরকালীন একটি ন্তর নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, সেই ভয়ানক বিভীষিকাময় দিনে সকল মানুষের মাথার উপর সূর্য থাকবে এবং সকল মানুষ প্রচণ্ড তাপে ঘামতে থাকবে।
ইমাম সাহেব পরকালের 'কোন স্তর নিয়ে আলোচনা করেছেন? পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
ইমাম সাহেব পরকালের আখিরাতের স্তর হাশর নিয়ে আলোচনা করেছেন।
হাশর হলো মহাসমাবেশ। আল্লাহ তায়ালার নির্দেশে সর্ব মানুষ ও প্রাণীকুল মৃত্যুর পর পুনরায় জীবিত হবে। সকলেই সেদিন একজন আহ্বানকারী ফেরেশতার ডাকে হাশরের ময়দানে সমবেত হবে। সেদিন সকল মানুষের সমস্ত কাজকর্মের হিসাব নেওয়া হবে। হাশরের ময়দান হবে ভীষণ কষ্টের স্থান। সূর্য মাথার উপর একেবারে নিকটে থাকবে। মানুষ প্রচণ্ড ঘামতে থাকবে। ইমাম সাহেবের আলোচনায় এ বিষয়টিই ফুটে উঠেছে।
ইমাম সাহেব জুমআর দিনে আখিরাতের একটি স্তর হাশর নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, সেই ভয়ানক বিভীষিকাময় দিনে সকল মানুষের মাথার উপর সূর্য থাকবে এবং সকল মানুষ প্রচণ্ড তাপে ঘামতে থাকবে। অর্থাৎ হাশরের ময়দান হবে ভীষণ কষ্টের স্থান। সেদিন আল্লাহ তায়ালার আরশের ছায়া ব্যতীত আর কোনো ছায়া থাকবে না। এ সময় পুণ্যবানগণ নানাবিধ সুবিধাজনক স্থান লাভ করবে। পক্ষান্তরে পাপীরা হাশরের মাঠেই কঠোর শাস্তি ভোগ করবে।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, ইমাম সাহেব আখিরাতের স্তর হাশরের ভয়াবহতা নিয়ে আলোচনা করছিলেন। তাই আমাদের সকলেরই উচিত হাশরের চিন্তা মাথায় রেখে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (স.)-এর নির্দেশিত পন্থায় জীবন পরিচালনা করা।

