- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- আকাইদ ও নৈতিক জীবন
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
লিমন লিটনকে বলে দুনিয়ার জীবনই শেষ নয়, মৃত্যুর পর আমাদের আরও একটি জীবন রয়েছে। সেখানে সবাইকে দুনিয়ার সব কাজকর্মের হিসাব দিতে হবে। অপরদিকে লিটন আল্লাহর ওপর বিশ্বাস করলেও সে মনে করে মানবজাতির পথ প্রদর্শনের জন্য আল্লাহ তায়ালা কিয়ামত পর্যন্ত পুস্তিকাসহ অনেক মহাপুরুষ প্রেরণ করবেন।
লিমনের কর্মকাণ্ডে পরকালীন জীবনের কোন স্তরটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
লিমনের কর্মকাণ্ডে পরকালীন জীবনের চার নম্বর স্তর হাশরের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
হাশর শব্দের অর্থ মহাসমাবেশ। এটি পরকালীন জীবনের চতুর্থ স্তর। সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সব মানুষকে এ স্তরের মুখোমুখি হতে হবে। লিমনের বক্তব্যে এ বিষয়টিই প্রকাশ পেয়েছে।
লিমন বলেছে, দুনিয়ার জীবনই শেষ নয়, মৃত্যুর পর আমাদের আরও একটি জীবন রয়েছে। সেখানে সবাইকে দুনিয়ার সব কাজের হিসাব দিতে হবে। এই জীবনই হলো হাশরের জীবন। আল্লাহ তায়ালার নির্দেশনায় সব মানুষ ও প্রাণিকুল মৃত্যুর পর পুনরায় জীবিত হবে। সবাই সেদিন একজন আহ্বানকারী ফেরেশতার ডাকে হাশরের ময়দানে সমবেত হবে। মানুষের এই মহাসমাবেশকেই হাশর বলা হয়। হাশরের ময়দান হলো হিসাব-নিকাশের দিন, জবাবদিহিতার দিন। এদিন সব মানুষের সমস্ত কাজকর্মের হিসাব নেওয়া হবে। আল্লাহ তায়ালা হবেন একমাত্র বিচারক। আল্লাহ বলেন, 'তিনি (আল্লাহ) বিচার দিবসের মালিক।' (সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ৩) সুতরাং দেখা যায়, লিমন আখিরাতের অন্যতম স্তর হাশরের প্রতিই ইঙ্গিত করেছে।

