- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতি
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
জনাব 'ক' এর আচার-আচরণ, কথাবার্তা সবকিছুই আপত্তিকর। তার চলাফেরা যেমন অহংকারপূর্ণ তেমনি তার পোশাক- পরিচ্ছদও অশালীন। সে বড়দের সম্মান করে না, ছোটদের স্নেহ করে না। পক্ষান্তরে জনাব ‘খ' এর আচার-আচরণ 'ক' এর সম্পূর্ণ বিপরীত। তার জীবনপদ্ধতি একটি আদর্শ জীবনপদ্ধতি।
উদ্দীপকের জনাব 'খ' এর আচার-আচরণের গুরুত্ব ইসলামের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
উদ্দীপকের জনাব 'খ' এর আচার-আচরণ জনাব 'ক' এর সম্পূর্ণ বিপরীত হওয়ায় বলা যায় 'খ' ইসলামি সংস্কৃতি অনুসরণ করে । ইসলামি সংস্কৃতি একটি আদর্শ সংস্কৃতি। এ সংস্কৃতি কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে গড়ে উঠেছে। ইসলামি সংস্কৃতি যথাযথভাবে চর্চা করার মাধ্যমে একজন ব্যক্তির জীবনে ইসলাম বাস্তবরূপ লাভ করে, যা উদ্দীপকের জনাব 'খ' এর ক্ষেত্রে লক্ষণীয়।
উদ্দীপকের জনাব 'খ' এর আচার-আচরণ 'জনাব 'ক' এর সম্পূর্ণ বিপরীত। তার জীবনপদ্ধতি একটি আদর্শ জীবনপদ্ধতি। সুতরাং জনাব “খ” এর আচার-আচরণ ও জীবনযাপন ইসলামি সংস্কৃতির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। মুসলিম জাতির জীবনে ইসলামি সংস্কৃতির গুরুত্ব অপরিসীম। এ সংস্কৃতি মুসলিম জাতির স্বতন্ত্র অস্তিত্ব বহন করে। এ সংস্কৃতির অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (স) এর ভালোবাসা লাভ করা যায়। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারলে দুনিয়া ও আখিরাতের সাফল্য লাভ করা যায়। পবিত্র কুরআনে উল্লেখ আছে 'মুহাম্মদ (স) আপনি বলুন, যদি তোমরা আল্লাহর ভালোবাসা চাও তাহলে আমাকে অনুসরণ করো' (সুরা আলে ইমরান : ৩১)।
উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, জনাব 'খ' এর আচার-আচরণ ও জীবনপদ্ধতি তথা ইসলামি সংস্কৃতির অনুসরণ মুসলমানদের দুনিয়ার জীবনে কল্যাণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরকালেও মুক্তির ব্যবস্থা করবে। তাই মুসলিমদের জন্য ইসলামি সংস্কৃতি চর্চার গুরুত্ব অপরিসীম ।

