• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • আকাইদ ও নৈতিক জীবন
আকাইদ ও নৈতিক জীবন

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

প্রতিদিন বিশটি অংক করেও স্কুলের সেরা ছাত্রী নাসিবা এসএসসি পরীক্ষায় গণিতে এ' পায়নি। ফলে তার মন বেজায় ভার। তার পিতা জনাব হালিম তাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, 'বিধির লিখন না যায় খণ্ডন'। জিপিএ-৫ পেয়েছ এজন্য আল্লাহর শুকরিয়া জ্ঞাপন করো। অপরদিকে তার ভাই রাদিফ শাহ জালাল (র)-এর মাজারে গিয়ে বলে, 'হে আল্লাহর অলি। আমাকে সরকারি মেডিকেলে চান্স পাইয়ে দাও'। অতঃপর মাজার সংলগ্ন মসজিদে জামায়াতের সাথে আসর নামায আদায় করে। সে মসজিদের ইমামকেও এ বিষয়ে আল্লাহর নিকট দোয়া করার জন্য অনুরোধ করে।

জনাব হালিমের সান্ত্বনার বাণীতে ইমানের কোন বিষয়টি প্রকাশ পায়? ব্যাখ্যা করো।

জনাব হালিমের সান্ত্বনার বাণীতে ইমানের অন্যতম বিষয় তকদিরের প্রতি বিশ্বাস প্রকাশ পায়।

তকদির অর্থ হলো নির্ধারিত পরিমাণ, ভাগ্য বা নিয়তি। আল্লাহ তায়ালা মানুষের তকদিরের নিয়ন্ত্রক। তিনিই মানুষের জীবনের ভালোমন্দের নির্ধারণকারী। সবক্ষেত্রে এমন বিশ্বাস স্থাপন করাই হলো তকদিরে বিশ্বাস। জনাব হালিমের সান্ত্বনার বাণীতে এ বিষয়টিই ফুটে উঠেছে।

জনাব হালিমের মেয়ে গণিতে এ+ পায়নি বলে খুব মন খারাপ করেছে। জনাব হালিম মেয়ের এ অবস্থা দেখে মেয়েকে জিপিএ-৫ পাওয়ার জন্য আল্লাহর শুকরিয়া আদায়ের পরামর্শ দেন। কারণ তার মতে, বিধির লিখন খণ্ডন করা যায় না। এ বিষয়টি তকদিরে বিশ্বাসকেই ধারণ করে। কারণ মানুষ যা চায় তা-ই সে করতে পারবে না। বরং মানুষ শুধু তার কাজের জন্য চেষ্টা বা সাধনা করবে। এরপর ফলাফলের জন্য আল্লাহ তায়ালার ওপর ভরসা করবে। যদি চেষ্টা করার পরও কোনো কিছু না পায় তবে হতাশ হওয়া যাবে না, বরং সবর করবে এবং শোকর আদায় করবে। কারণ তকদিরের শুভ-অশুভ নির্ধারণ করেন স্বয়ং আল্লাহ। মনের মধ্যে এমন ধারণা পোষণ করা এবং সবক্ষেত্রে মেনে চলাই হলো তকদিরের বিশ্বাস। জনাব হালিম মেয়েকে সান্ত্বনা দেওয়ার মাধ্যমে ইমানের এ গুরুত্বপূর্ণ বিশ্বাসটিই প্রকাশ করেছেন।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()