- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- আকাইদ ও নৈতিক জীবন
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এ অনেক মানুষ শহিদ হয়েছেন। অনেকে আহত হয়ে শরীরের নানা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ হারিয়েছেন। এ অভ্যুত্থানে অংশ নিয়ে যারা বুলেটের মুখ থেকে প্রাণে বেঁচেছেন তারা মহান রবের কাছে মাথা নত করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বলেন, একমাত্র আল্লাহই তাদের রক্ষা করেছেন, তিনি অসীম ক্ষমতার অধিকারী। অন্যদিকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা তাদের ভাগ্যকে মেনে নিয়ে সন্তানদের এমন আত্মত্যাগে গর্ববোধ করেছেন।
উদ্দীপকে বর্ণিত বেঁচে যাওয়া মানুষের বক্তব্যে ইসলামের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকে বর্ণিত বেঁচে যাওয়া মানুষের বক্তব্যে ইসলামের মূল বিষয় 'আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস ফুটে উঠেছে।
আল্লাহ তায়ালা এক ও অদ্বিতীয়। তিনি সকল গুণের আধার এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ সত্তা। এ পৃথিবী এবং পৃথিবীর সবকিছুর সৃষ্টিকর্তা এবং একচ্ছত্র অধিপতি মহান আল্লাহ। তিনি আমাদের রব, সৃষ্টিকর্তা, সাহায্যকারী, জীবন ও মৃত্যুর একমাত্র মালিক, যা উদ্দীপকে বর্ণিত বেঁচে যাওয়া মানুষের বক্তব্যেও প্রকাশ পেয়েছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এ অংশ নিয়ে বুলেটের মুখ থেকে বেঁচে যাওয়া মানুষেরা মহান আল্লাহর কাছে মাথা নত করে কৃতজ্ঞতা জানান এবং তাঁর অসীম ক্ষমতার স্বীকৃতি দেন। তাওহিদের মূলকথা মূলত এটাই। কারণ আল্লাহ তায়ালা এ মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তা এবং জীবন-মৃত্যুর একমাত্র মালিক। তাঁর তুলনীয় কেউ নেই। আল্লাহ তায়ালা বলেন, 'সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর।' (সূরা ফাতিহা, আয়াত ১) মোটকথা আল্লাহ তায়ালাকে সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা, রিজিকদাতা ও ইবাদতের যোগ্য এক ও অদ্বিতীয় সত্তা হিসেবে বিশ্বাস করে একমাত্র তাঁরই সামনে সিজদার অবনত হওয়াই হলো তাওহিদ। আর মানুষের কর্তব্য হলো সব অবস্থায় আল্লাহকে সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা, রিজিকদাতা, রক্ষাকর্তা হিসেবে মেনে নিয়ে তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। আর এ বিশ্বাসই হলো ইমানের মূল বিষয় বা তাওহিদ, যা উদ্দীপকে বর্ণিত দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়া মানুষের বক্তব্যে প্রতিফলিত হয়েছে।

