- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- আকাইদ ও নৈতিক জীবন
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
পবিত্র কুরআনের আলোকে ওই পাপের কুফল ও প্রতিকার বিশ্লেষণ করো।
পবিত্র কুরআন ও হাদিসে শিরকের ভয়াবহ কুফল বর্ণনা করা হয়েছে।
শিরক অত্যন্ত জঘন্য অপরাধ। পৃথিবীর সকল প্রকার জুলুমের মধ্যে সবচেয়ে বড় হলো শিরক। এ কারণে শিরকের শাস্তিও কঠিন। প্রকৃতপক্ষে এটি ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। শিরকের কুফল অত্যন্ত মারাত্মক।
আল্লাহ তায়ালা হলেন আমাদের স্রষ্টা ও প্রতিপালক। তাঁর প্রদত্ত নিয়ামতই আমরা ভোগ করি। এরপরও কেউ যদি আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করে তবে তা অপেক্ষা বড় জুলুম আর কিছু হতে পারে না। এ জন্য আল্লাহ বলেন, নিশ্চয়ই শিরক বড় জুলুম।' (সুরা লুকমান, আয়াত ১৩) আল্লাহ তায়ালা মুশরিকদের প্রতি খুবই অসন্তুষ্ট। তিনি অপার ক্ষমাশীল ও অসীম দয়াময় হওয়া সত্ত্বেও শিরকের অপরাধ ক্ষমা করবেন না। আল্লাহ তায়ালা বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তাঁর সাথে শিরক করার অপরাধ ক্ষমা করেন না।' (সুরা আন-নিসা, আয়াত ৪৮) পরকালে মুশরিকদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। আল্লাহ বলেন, 'যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শিরক করবে আল্লাহ তার জন্য অবশ্যই জান্নাত হারাম করে দেবেন এবং তার আবাস জাহান্নাম।' (সূরা আল-মায়িদা, আয়াত ৭২)
প্রকৃতপক্ষে শিরক ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। এরূপ কাজ থেকে সবসময় সতর্ক থাকতে হবে। ভুলক্রমে আল্লাহর সাথে শিরক করে ফেললে সাথে সাথে পুনরায় ইমান আনতে হবে। অতঃপর বিশুদ্ধ অন্তরে তওবা করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। আর ভবিষ্যতে এরূপ পাপ না করার শপথ নিতে হবে। তাহলে আশা করা যায় আল্লাহ তায়ালা নিজের দয়া ও করুণায় এ পাপ ক্ষমা করে দিতে পারেন।

