• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • আকাইদ ও নৈতিক জীবন
আকাইদ ও নৈতিক জীবন

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

নাদিরা সুলতানা একজন আদর্শ, শিক্ষক। আল্লাহর কাছে। জবাবদিহিতার ভয়ে ক্লাসে ফাঁকি দিয়ে তিনি তার প্রাইভেটে কিংবা কোচিং-এ কৌশল করে শিক্ষার্থীদের আকর্ষণ করেন না। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি কলুষমুক্ত, পবিত্র ও সুন্দর। পক্ষান্তরে তার বড় ভাই আল্লাহদ্রোহী। দাম্ভিকতা, পাপাচার, মিথ্যাচার, অনৈতিক ও' অশালীন কার্যকলাপের দোষে লোকসমাজে তিনি ঘৃণিত।

নাদিরা সুলতানার জীবনে কীসের প্রভাব বিদ্যমান? ব্যাখ্যা করো।

নাদিরা সুলতানার কর্মনিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধের পেছনে আখিরাতে বিশ্বাস কাজ করেছে।

আখিরাত হলো পরকাল। আখিরাতের জীরন চিরস্থায়ী সেখানে মানুষকে দুনিয়ার জীবনের সকল কাজকর্মের হিসাব দিতে হবে। কবর, যাশর, মিযান, সিরাত, জান্নাত, জাহান্নাম ইত্যাদি আখিরাত জীবনের এক একটি পর্যায়। দুনিয়াতে ভালো কাজ করলে মানুষ জান্নাত লাভ করবে। আর অসৎ কাজ করলে মানুষের স্থান হবে ভীষণ আজাবের স্থান জাহান্নাম। এ কারণে আখিরাতে বিশ্বাসী ব্যক্তি কোনো খারাপ কাজ করতে পারে না।

নাদিরা সুলতানা একজন আদর্শ শিক্ষক। তিনি ক্লাস ফাঁকি দিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট বা কোচিং-এ আকর্ষণ করেন না। তিনি বিশ্বাস করেন পার্থিব জীবনের কর্মফল পরকালে ভোগ করতে হবে। আর এ বিশ্বাসই কবিরা সুলতানাকে সকল প্রকার অনিয়ম ও দুর্নীতি থেকে মুক্ত করে কর্মনিষ্ঠ ও দায়িত্ববান হতে বাধ্য করেছে। পরকালে বিশ্বাসী ব্যক্তি প্রতিটি কাজ করার পূর্বে ভাবতে থাকেন যে, এই কাজের জন্য তাকে মহান আল্লাহর কাছে হিসাব দিতে হবে। সে যদি দুনিয়াতে ভালো কাজ করে তবে পরকালে উত্তম প্রতিদান হিসেবে জান্নাত লাভ করবে। আর যদি অসৎ কাজ করে তবে তার জন্য জাহান্নাম অবধারিত। এ বিশ্বাসই মানুষকে সকল অন্যায় কাজ থেকে বিরত রাখে। নাদিরা সুলতানাও আখিরাতে বিশ্বাসের কারণে কর্মনিষ্ঠ ও দায়িত্ববান হয়েছেন।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()