- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতি
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
জনাব আব্দুস সালাম ফল ও সবুজ শাক-সবজিতে ফরমালিনের ব্যবহার ও এর ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে একটি গ্রন্থ রচনা করেন। অন্যদিকে ড. রমিজ উদ্দিন দেশের ভূমিরূপ, রাস্তাঘাট ও নদ- নদী চিহ্নিত একটি মানচিত্র ও এর নানামুখী ব্যবহারের উপায় সম্বলিত নির্দেশনা তৈরি করেন। তাদের উভয়ের গবেষণার মূল্যায়ন করতে গিয়ে জনাব শায়খ আবুল হাসেম বলেন, এ ধরনের গবেষণা দ্বাদশ শতাব্দীর মুসলিম বিজ্ঞানীদের গবেষণার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
জনাব আব্দুস সালামের গবেষণার সাথে মুসলিম বিজ্ঞানী জাবির ইবনে হাইয়ানের গবেষণার তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো।
উদ্দীপকের জনাব আবদুস সালামের গবেষণার সাথে মুসলিম বিজ্ঞানী জাবির ইবনে হাইয়ানের রাসায়নিক গবেষণার তুলনা করা যায় ৷ মুসলিম মনীষী জাবির ইবনে হাইয়ান হলেন রসায়নশাস্ত্রের জনক। তার বড় কৃতিত্ব হলো তিনি রাসায়নিক সূত্র ও পদ্ধতির ব্যাবহারিক রূপ দেন। তিনি ধাতুর মানগত উন্নতি সাধন করেন। স্টিল ও লোহা তৈরি, মারকাসাইট থেকে স্থায়ী লেখার কালি, চামড়া ও কাপড় রং করা, লোহা সংরক্ষণের জন্য বার্নিস ব্যবহার করার পদ্ধতি প্রয়োগ করেন। ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইড থেকে কাচ তৈরি করা, এসিডের ঘনত্বের জন্য অম্লরস এবং চোলাই করার পদ্ধতির সফল প্রয়োগ করেন। সাইট্রিক এসিড, সিলভার নাইট্রেড, কিউরিক ক্লোরাইড, এন্টিমনি, আর্সেনিক প্রভৃতি ব্যবহারের বিষয়েও তার বিশেষ জ্ঞান ছিল। তিনি লবণ তৈরির একটি সফল ব্যাবহারিক পদ্ধতিরও উদ্ভাবন করেন ।
উদ্দীপকের জনাব আব্দুস সালাম ফল ও সবুজ শাক-সবজিতে ফরমালিনের ব্যবহার ও এর ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে একটি গ্রন্থ রচনা করেন । এগুলো মূলত রাসায়নিক গবেষণার সাথে সম্পর্কিত। উপরের আলোচনায় সুস্পষ্ট যে, জাবির ইবনে হাইয়ান যেমন বিভিন্ন রাসায়নিক গবেষণা করেছেন ঠিক তেমনি উদ্দীপকের জনাব আব্দুস সালামও রাসায়নিক গবেষণা বিষয়ক গ্রন্থ রচনা করেছেন।

