- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- বাংলাদেশের সরকারব্যবস্থা
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
প্রশাসনকে রাষ্ট্রের 'হৃৎপিণ্ড' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
রাষ্ট্রের শাসনকাজ পরিচালনা ও শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য প্রশং রাষ্ট্রের হৃৎপিণ্ড বলা হয়। রাষ্ট্রের শাসনকাজ পরিচালনার দায়িত্ব প্রশাসনের। রাষ্ট্রের রিয় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা ও রাষ্ট্রের সমৃদ্ধির লক্ষ্যে সুষ্ঠু প্রশাসনের কো বিকল্প নেই। তাই প্রশাসন রাষ্ট্রের হূৎপিণ্ড হিসেবে পরিচিত।
মন্তব্য ও আলোচনা (০)
সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ
বাংলাদেশে মোট কতটি প্রশাসনিক উপজেলা রয়েছে?
বাংলাদেশে মোট ৪৯২টি প্রশাসনিক উপজেলা রয়েছে। সর্বশেষ গঠিত ৩টি উপজেলাসহ মোট উপজেলা ৪৯৫টি।
উদ্দীপকের ছক-১-এ কোন প্রতিষ্ঠানকে ইঙ্গিত করা হয়েছে? পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার কার্যাবলি তুলে ধরো।
উদ্দীপকে ছক-১ দ্বারা রাষ্ট্রপতিকে নির্দেশ করা হয়েছে। রাইং সাংবিধানিকভাবে নানা ধরনের কাজ সম্পাদন করেন।
রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান। তিনি সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ শু নেতাকে সরকার গঠনের জন্য আহ্বান করেন। প্রধানমন্ত্রী ও জ বিচারপতি নিয়োগ ছাড়া অন্যান্য সব কাজ রাষ্ট্রপতি প্রধানমন পরামর্শে করেন। উদ্দীপকের ছক-১-এ বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর পরছ কার্য সম্পাদন করেন এবং নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতাকে সর গঠনে আহ্বান জানান। পূর্বে আলোচিত রাষ্ট্রপতির কাজের আলোরে। যায়, ছক-১ দ্বারা রাষ্ট্রপতিকে নির্দেশ করা হয়েছে। সাংবিধানিকয় রাষ্ট্রপতি কিছু দায়িত্ব পালন করেন।
সরকারের সকল শাসনসংক্রান্ত কাজ রাষ্ট্রপতির নামে পরিচালিত স্ব তিনি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ করেন। রাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদে নিয়োগের দায়িত্বও রাষ্ট্রপতির। রাষ্ট্রপতি কিছু আইন প্রণয়ন সংক্রান্তর করেন। তিনি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করতে, স্থগিত রাখ ও প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে সংসদ ভেঙে দিতে পারেন। রাষ্ট্রপতি মো আদালত বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সাজা হ্রসা মওকুফ করতে পারেন। এছাড়া যুদ্ধ বা অন্য দেশ কর্তৃক আক্রান্ত হয়ে অভ্যন্তরীণ গোলযোগের কারণে দেশের নিরাপত্তা বা শান্তি বিনষ্ট হলা উপক্রম হলে রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন। রাষ্ট্রগ জাতীয় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। দেশের বরেণ্য ব্যক্তিদের যেন পদক ও সম্মাননা প্রদান করতে পারেন। তিনি বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদে কূটনীতিকদের নিয়োগপত্র গ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী বিচারপতিদের শপথবাক্য পাঠ করান।
উদ্দীপকে উল্লেখিত ছক-২-এ বর্ণিত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা অপ্রতিরোধ্য, তুমি কি এ বক্তব্যের সাথে একমত? তোমার বক্তব্য যুক্তিসহ তুলে ধরো।
উদ্দীপকে উল্লেখিত ছক-২-এ বর্ণিত প্রতিষ্ঠান তথা প্রধানমন্ত্রীর ক্ষর অপ্রতিরোধ্য আমি এ বক্তব্যের সাথে একমত।
উদ্দীপকে ছক-২-এ উল্লেখ করা হয়েছে, সংবিধান অনুযায়ী সর্বা ক্ষমতার অধিকারী। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতা চর্চা করেন। এ বিষয়গুণ প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। কারণ বাংলাদেশের প্রধানষ সাংবিধানিকভাবেই সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী।
মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী শাসনব্যবস্থার কেন্দ্রলি এবং সরকার প্রধান। তাঁকে কেন্দ্র করেই দেশ, জাতি ও সরকা পরিচালিত হয়। তিনিই প্রকৃত শাসন ক্ষমতার অধিকারী। মন্ত্রিপরিষ্কাশ সহযোগিতায় তিনি শাসনসংক্রান্ত সব দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর পরমণ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মন্ত্রী, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, রাষ্ট্রদূত ইত্যাদি নিয়োগ দেন প্রধানমন্ত্রীকে সরকারের স্তম্ভ বলা হয়। তাঁর পরামর্শ ও অনুমোদন নি মন্ত্রীরা কাজ করেন। তাঁর নেতৃত্বে সংসদে আইন প্রণয়ন করা হয়। জাতী সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত বা ভেঙে দিতে তিনি রাষ্ট্রপতির পরামর্শ দেন। তাঁর সম্মতি ছাড়া কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদিত হ পারে না। আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেন। চি জাতীয় স্বার্থের রক্ষক। প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করেই মন্ত্রিসভা গঠিত পরিচালিত ও বিলুপ্ত হয়।
উপরের আলোচনায় সুস্পষ্ট, সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী শাসনব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দ। তিনি একাধারে সরকার প্রধান, দলের একি এবং সংসদের নেতা। তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারের সব কমরপ পরিচালিত হয়। সুতরাং প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা অপ্রতিরোধ্য; এ কর্ম নিশ্চিতভাবেই বলা যায়।

