- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- অষ্টম শ্রেণি
- ঔপনিবেশিক যুগের প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
জনাব 'প' বার্ষিক শিক্ষা সফরে শিক্ষার্থীদের নিয়ে ঢাকার বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করে। এর মধ্যে ভারতীয় উপমহাদেশের। প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রামের সাথে জড়িত একটি উদ্যানও রয়েছে। এছাড়া জাতীয় জাদুঘরের বিভিন্ন প্রত্নসম্পদ তাদেরকে বেশ মুগ্ধ করেছে।
"উদ্দীপকে বর্ণিত স্থাপনা ছাড়াও বাংলাদেশে আরও প্রত্নসম্পদ 'রয়েছে।" তুমি কি একমত? মতামত দাও।
হ্যাঁ, উদ্দীপকে বর্ণিত বাহাদুর শাহ পার্ক ছাড়াও বাংলাদেশে আরও প্রত্নসম্পদ রয়েছে- উক্তিটির সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত।
বাংলাদেশ বিভিন্ন প্রত্নসম্পদে পরিপূর্ণ। ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে চমৎকার সব স্থাপত্যশৈলী রয়েছে। আঠারো-উনিশ শতকে ঢাকা শহরে তৈরি হয় বেশ কয়েকটি গির্জা। এর মধ্যে সবচেয়ে পুরনো হলো আর্মেনিয়ান গির্জা। এটি তৈরি হয় আরমানিটোলায় ১৭৮১ সালে। ঢাকার প্রাটীন স্থাপত্যকীর্তির আরেকটি বিখ্যাত নিদর্শন হলো বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে ঢাকার নওয়াবদের প্রাসাদ আহসান মঞ্জিল।
এছাড়া জমিদার ও বণিকদের তৈরি পুরনো ঢাকার রূপলাল হাউজ এবং রোজ গার্ডেনও চমৎকার স্থাপত্যকর্মের নিদর্শন। অফিস বাড়ি হিসেবে ঢাকার যেসব ভবন তৈরি হয়েছিল তার মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর হচ্ছে কার্জন হল। ইংরেজ আমলে তৈরি এ ভবনটি বহুকাল ধরেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের অংশ ছিল। উদ্দীপকের জনাব 'প' শিক্ষাসফরে গিয়ে এসব প্রত্ননিদর্শন দেখতে যান। এছাড়াও ঢাকার বাইরে নারায়ণগঞ্জে রয়েছে সুলতানি আমলের রাজধানী হিসেবে পরিচিত সোনারগাঁও। পানাম নগর ও লোকশিল্প জাদুঘরের জন্য এটি বিখ্যাত। মসলিন কাপড়ের জন্য বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে এটি প্রসিদ্ধ ছিল। এছাড়াও রয়েছে ময়মনসিংহের শশীলজ যা মুক্তাগাছার জমিদাররা তৈরি করেছিলেন। রংপুরের তাজহাট, নাটোরের দিঘাপতিয়ার জমিদার প্রাসাদ চমৎকার স্থাপত্যকর্মের জন্য সকলের। দৃষ্টি আকর্ষণ করে। সকল প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনই আমাদের ইতিহাসের সাক্ষী বহন করছে।
পরিশেষে বলা যায়, প্রশ্নোক্ত উক্তিটি সঠিক হয়েছে।

