- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতি
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
আহনাফ মসজিদের ইমামকে জিজ্ঞেস করল, এ পৃথিবীতে এত ফিতনা-ফাসাদ কেন? ইমাম সাহেব বললেন, মানুষ ইসলামের বিধিবিধান মেনে চলছে না বলেই পৃথিবীতে এত ফিতনা-ফাসাদ। মানুষ যদি আল্লাহর আইনকানুন মেনে চলতো, তাহলে এ বিশ্ব চরাচরে সুখ শান্তি বিরাজ করতো।
কীভাবে পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব?
ইসলামি সমাজ বিনির্মাণের মাধ্যমে পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।
ইসলামি সমাজ হলো ইসলামি আদর্শ, রীতিনীতি ও বিধিবিধানের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা মাবসমাজ ও সমাজের বিকাশ। পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ ইসলামের মূলনীতি অনুযায়ী সম্পন্ন হয় বলে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয় । তাছাড়া ইসলামি সমাজব্যবস্থা ইসলামের আদর্শ ও নীতিমালার আলোকে প্রতিষ্ঠিত এক আদর্শ সমাজব্যবস্থা। যার উদ্দেশ্যই হলো মানুষের পার্থিব জীবনকে সুষ্ঠু ও শান্তিময় করা। কেননা ইসলামি সমাজব্যবস্থা হলো তাওহিদের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত।
জীবন ও মৃত্যুদাতা, পালনকর্তা এবং জীবিকা, আশ্রয়দাতা হিসেবে এক আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস হলো তাওহিদ। ইসলামি সমাজের পুরো অবকাঠামো ও বিধি-ব্যবস্থাপনা এই বিশ্বাসের ধারক বলেই সমাজে শান্তির সুশীতল বাতাস বহে। আবার ইসলামি সমাজব্যবস্থার অন্যতম দিক হলো এ ব্যবস্থা আখিরাতভিত্তিক। এতে পৃথিবীর জীবনের তুলনায় আখিরাতের জীবনকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়।
ফলে আখিরাতের জবাবদিহির ব্যাপারে সবাই শঙ্কিত থাকে এবং সমাজ থেকে নানা রকম অনাচার-অত্যাচার, পাপাচারসহ সব ধরনের অশ্লীল কর্মকাণ্ড দূরীভূত হয়। যার ফলে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। তাছাড়া ইসলামি বিধি-বিধানে সকল ধরনের ফিতনা-ফাসাদ ও অশ্লীলতাকে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। তাই ইসলামি সমাজ বিনির্মাণের ধারাবাহিকতায় পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব ।

