• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতি
ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতি

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

আহনাফ মসজিদের ইমামকে জিজ্ঞেস করল, এ পৃথিবীতে এত ফিতনা-ফাসাদ কেন? ইমাম সাহেব বললেন, মানুষ ইসলামের বিধিবিধান মেনে চলছে না বলেই পৃথিবীতে এত ফিতনা-ফাসাদ। মানুষ যদি আল্লাহর আইনকানুন মেনে চলতো, তাহলে এ বিশ্ব চরাচরে সুখ শান্তি বিরাজ করতো।

“সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইসলামের ভূমিকা অপরিসীম” উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইসলামের ভূমিকা অপরিসীম।

ইসলাম ধর্মের প্রধান ভিশন, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা 'ইসলাম' শব্দের অর্থ শান্তি। তাই এর লক্ষ ও উদ্দেশ্য ইসলাম' শব্দটির মধ্যেই নিহিত রয়েছে। ইসলাম ধর্মের আগমনের পূর্বে আরবসহ সারা পৃথিবী অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল। পৃথিবী জুড়ে হানাহানি, রক্তারক্তি, অন্যায়-জুলুম, হত্যা-ব্যভিচার ইত্যাদি লেগেই থাকত। তৎকালীন যুগে আরবে বর্বরতার চরম পর্যায় লক্ষ করা যায়।

আরব সমাজে নারীদের কোনো সম্মান, মর্যাদা ছিল না। নারীদেরকে খেলনা হিসেবে ব্যবহার করা হতো। ঠিক সেই সময় রাসুল (স.) এর মাধ্যমে ইসলামের আগমনে আরবসহ সারা বিশ্বে শান্তির সুশীতল বাতাস বইতে লাগল। আরবরা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শান্তিপূর্ণ জাতিতে পরিণত হলো। আর এটা শুধু ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে আশ্রয় গ্রহণ করার ফলেই সম্ভব হয়েছে।

শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে ইসলামে সব ধরনের ঘোষণা বিদ্যমান রয়েছে। মহানবি (স.) বলেন, 'দীনের ব্যাপারে তুমি কলহ ও ঝগড়া বিবাদ থেকে নিজেকে বিরত রাখ" (সুনান দারিমি) তিনি আরও বলেন, 'মুমিনতো সেই ব্যক্তি, যে মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা দেয়' (নাসাঈ)। আবার আল্লাহ তায়ালা বলেন, “যে ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তিকে হত্যা করলো বা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করলো সে যেন সকল মানুষকে হত্যা করলো ” (সুরা মায়িদা-৩২) ।

অন্যত্র বলেন, 'যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো মুমিনকে হত্যা করে তার পরিণাম হচ্ছে জাহান্নাম'। (সুরা আন নিসা-৯৩) সুতরাং সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইসলামের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()