• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • অষ্টম শ্রেণি
  • ঔপনিবেশিক যুগ ও বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রাম
ঔপনিবেশিক যুগ ও বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রাম

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

শিক্ষার্থীরা তোমরা কী লক্ষ করেছ, শিক্ষাদীক্ষায়। চিন্তাচেতনায় আমরা আজ কতদূর এগিয়েছি? এটা সম্ভব হয়েছে ১৯৪৭-এর পূর্বে এদেশ শাসনকারী একটি বিশেষ সুবিধাভোগী শ্রেণির স্বার্থ হাসিলের জন্য গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে। এদের গৃহীত পদক্ষেপের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে একদিকে যেমন জাতীয়তাবাদী চেতনার বিকাশ ঘটে, অপরদিকে তারা আধুনিক চিন্তা-চেতনায় জাগরিত হয়ে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়।

বিশেষ সুবিধাভোগী শ্রেণি কর্তৃক গৃহীত প্রধান প্রধান পদক্ষেপগুলো ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপকের বিশেষ সুবিধাভোগী শ্রেণি হলো ইংরেজরা।

ইংরেজরা ব্যবসার উদ্দেশ্য নিয়ে প্রথমে ভারতবর্ষে আগমন করে। পরবর্তীতে বাণিজ্যের প্রসারের সাথে সাথে রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও তারা প্রতিষ্ঠিত হতে থাকে। ভারতবর্ষে ইংরেজ শাসনকে স্থায়ীরূপ দেওয়ার জন্য তারা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড গ্রহণ করে। যেমন- যোগাযোগ রেল, ডাক ও তার ইত্যাদি। ইংরেজ শাসকদের গৃহীত প্রধান প্রধান কাজগুলো হলো- ১. ১৭৮৬ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে গৃহীত ভারত শাসন আইনে বাংলার ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেলের হাতে - ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থা অর্পণ করা হয়; ২. ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু: ৩. রাষ্ট্র ও প্রশাসন পরিচালনায় ইংরেজ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার ব্যবস্থা করা হয়; ৪. মুর্শিদাবাদ থেকে কলকাতায় প্রশাসনিক বিভিন্ন দপ্তর, শিক্ষা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান স্থানান্তর করে এটিকে গুরুত্বপূর্ণ নগরীতে রূপান্তর করা হয়। পরে আনুষ্ঠানিকভাবে কলকাতাই হয় বাংলার রাজধানী। তবে এই সময়ে ইংরেজ গভর্নর লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ও লর্ড হার্ডিঞ্জ এদেশে শিক্ষা বিস্তারসহ আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চার সূচনা করেন। এভাবে দেশে একটি নতুন শিক্ষিত শ্রেণি ও সচেতন নাগরিক সমাজ গড়ে উঠে। তাদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী চেতনার বিকাশ ঘটে।

উদ্দীপকের প্রদত্ত কর্মকান্ডের মধ্যে বিশ্বের সুবিধাভোগী শ্রেণি তথা ইংরেজদের বৈশিষ্ট্য ফুটে ওঠে।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()