• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • অষ্টম শ্রেণি
  • ঔপনিবেশিক যুগ ও বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রাম
ঔপনিবেশিক যুগ ও বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রাম

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

শিক্ষিত ব্যক্তি জনাব 'ক' তার এলাকার খ্রিষ্টপূর্ব যুগ থেকে। গত শতাব্দী পর্যন্ত নানা বংশ ও প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা দখলের ইতিহাস। বলেন। শেষে ইউরোপীয় একটি কোম্পানির ক্ষমতা দখলের কথা বলেন। ঐ সময় এক দুর্ভিক্ষে এক-তৃতীয়াংশ মানুষের মৃত্যু হয়। সর্বশেষে বলেন, তার এলাকার মানুষের মধ্যে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা ও গণতান্ত্রিক অধিকার বোধেরও উন্মেষ ঘটে এবং সেটা সফল হয়।

বাংলা ও ভারতে প্রতিষ্ঠিত শাসনকে ঔপনিবেশিক শাসন বলা হয় কেন?

ঔপনিবেশিক শাসনের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে দখলদার শক্তি চিরস্থায়ীভাবে শাসন প্রতিষ্ঠা করতে আসে না। এক্ষেত্রে যতদিন শাসক হিসেবে থাকবে ততদিন সে সেই দেশের ধন-সম্পদ নিজ দেশে পাচার করবে। এক সময় তাদের শাসনের বিরুদ্ধে স্থানীয় মানুষ বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠলে বা শাসন করা সুবিধাজনক মনে না হলে 'তারা নিজ দেশে চলে যায়। এভাবে অন্য কোনো দেশের ওপর জুড়ে বসাকে দখলদারদের উপনিবেশ শাসন বলে। প্রথমে বাংলা এবং পরে ভারত উপমহাদেশে ইংরেজরা যে শাসন প্রতিষ্ঠা করে তার বৈশিষ্ট্য উপরের সংজ্ঞার সাথে মিলে যায়। এ কারণে বাংলা ও ভারতে ইংরেজ প্রতিষ্ঠিত শাসনকেই ঔপনিবেশিক শাসন বলা হয়।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()