- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- অষ্টম শ্রেণি
- ঔপনিবেশিক যুগ ও বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রাম
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
নিচের ছকচিত্র দুটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ছক-১ | ছক-২ |
|---|---|
১. স্কুল | ১. স্বদেশি আন্দোলন |
২. কলেজ | ২. অসহযোগ আন্দোলন |
৩. মাদ্রাসা | ৩. সশস্ত্র আন্দোলন |
৪. বিশ্ববিদ্যালয় |
বাংলার স্বাধীনতায় ছক-২ এর ভূমিকা বিশ্লেষণ কর।
প্রদত্ত ছক-২ এ উল্লিখিত আন্দোলনসমূহ বাংলার স্বাধীনতায় তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
ছকে উল্লিখিত আন্দোলনগুলো ছাড়াও আরও অনেক আন্দোলন সংগ্রামের ঘটনা ইতিহাসে আছে। ১৭৫৭ সালে পলাশী প্রান্তরে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের মধ্য দিয়ে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্ত যায়। তারপর থেকে শুরু হয় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন যা ১৮৫৭সাল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। ইংরেজ শাসনের সময় ১৮৫৭ সাল থেকে ১৯০৫ সাল পর্যন্ত ছোট বড় অনেক আন্দোলন সংগ্রাম হয়। ১৯০৫ সালে ব্রিটিশ সরকারের বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন ব্যর্থ হলে কংগ্রেসের উগ্রপন্থী অংশের নেতৃত্বে যে আন্দোলন গড়ে ওঠে, তাকেই স্বদেশি আন্দোলন বলা হয়। বিলেতি পণ্য বর্জনের মাধ্যমে দেশীয় পণ্য ব্যবহারের শপথ নেওয়া হয়। এ আন্দোলন মানুষের দেশপ্রেম জাগাতে সক্ষম হয়। ১৯২০ সালে মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেয়। ব্রিটিশদের তৈরি বিভিন্ন আইন ও দমন নিপীড়নের বিরুদ্ধে মহাত্মা গান্ধী হিন্দু-মুসলিম সম্প্রদায়কে এক করে ১৯২৩ সালে অহিংস আন্দোলনের আহ্বান জানান। বিভিন্ন অন্যলে অতর্কিত বোমা হামলা, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা হত্যা, গেরিলা যুদ্ধ, খন্ডযুখ চালানো হয়। এসব আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি আলাদা রাষ্ট্র সৃষ্টির মাধ্যমে ঔপনিবেশিক শাসনের সমাপ্তি ঘটে। আর এ আন্দোলনগুলোর অনুপ্রেরণায় সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে ১৯৭১ সালে বাংলা স্বাধীন হয়।
পরিশেষে বলা যায়, বাংলার স্বাধীনতায় প্রদত্ত ছক-২-এর আন্দোলনের ভূমিকা ছিল অপরিসীম।

