• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • অষ্টম শ্রেণি
  • বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

জনাব 'ক' হচ্ছেন 'খ' দেশের একজন প্রধান রাজনৈতিক নেতা। তিনি একটি নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পরও কর্তৃপক্ষ তাকে ক্ষমতা হস্তান্তর করেনি। তাই জনাব 'ক' দেশের মানুখের সামনে একটি ভাষণ প্রদান করেন। জনগণ তার ভাষণ শুনে একত্রিত হয়ে আন্দোলন শুরু করে। পরবর্তীতে জনাব 'ক' কে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার কিছু বন্ধু একটি কমিটি তৈরি করে। এ কমিটি কর্তৃপক্ষের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য জনমত তৈরি করে এবং অন্য দেশের কাছ থেকে সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করে।

মিত্রবাহিনী কী?

মুক্তিযুদ্ধকালীন মুক্তিবাহিনীর সহায়তাকারী ভারতীয় বাহিনীই হলো মিত্রবাহিনী।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ

#

আমরা আমাদের দেশকে ভালোবাসব কেন?

আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি এই দেশ। অনেক ত্যাগের বিনিময়ে আমরা আমাদের প্রিয় এই দেশটি পেয়েছি। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং দেশের কল্যাণ ও সমৃদ্ধির জন্য আমরা আমাদের দেশকে ভালোবাসব। সর্বোপরি দেশকে ভালোবাসা একটি মহৎ মানবিক গুণ।

#

জনাব 'ক'-এর কাজে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন ধারণাটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপকে জনাব 'ক'-এর কাজে আমার পাঠ্যবইয়ের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের ধারণাটি প্রতিফলিত হয়েছে।

কেননা, জনাব 'ক' দেশের মানুষের সামনে একটি ভাষণ প্রদান করলে সেই ভাষণ শুনে জনগণ একত্রিত হয়ে আন্দোলন শুরু করে। একইভাবে শেখ মুজিবুর রহমান ৭ই মার্চে ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন এবং এর ভিত্তিতে জনগণ একত্রিত হয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরু করে। বঙ্গবন্ধু তার ৭ই মার্চের ভাষণে বিজয়ী দল হিসেবে আওয়ামী লীগের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশ পরিচালনার ঘোষণা দেন। জনগণের প্রতি পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে সর্বাত্মক অসহযোগিতার নির্দেশ দিয়ে তিনি তার ভাষণে কোর্ট-কাচারি, অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেন। তিনি তাঁর ভাষণে আরও বলেন, "যে পর্যন্ত আমার এ দেশের মুক্তি না হচ্ছে ততদিন খাজনা-ট্যাক্স বন্ধ করে দেওয়া হলো।" বক্তৃতার আর এক জায়গায় তিনি বলেন, "প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলো। তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে।" অর্থাৎ এর মাধ্যমে তিনি বাঙালিদের স্বাধীনতার জন্য প্রস্তুত করেন। বক্তৃতায় শেষ অংশে "এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম" ঘোষণা দিয়ে তিনি স্পষ্টভাবেই স্বাধীনতার ডাক দেন।

অতএব বলা যায়, জনাব 'ক'-এর কাজে আমার পাঠ্যবইয়ের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের ধারণাটি প্রতিফলিত হয়েছে।

#

তোমার পাঠ্যবইয়ের যে ধারণাটির সাথে উদ্দীপকের কমিটির মিল আছে তা চিহ্নিত কর এবং কর্তৃপক্ষের হাত থেকে মুক্ত হতে এর ভূমিকা বিশ্লেষণ কর।

আমার পাঠ্যবইয়ের মুজিবনগর সরকারের ধারণাটির সাথে উদ্দীপকের কমিটির মিল আছে।

উদ্দীপকে কর্তৃপক্ষের হাত থেকে মুক্তি পেতে যেমন কমিটির ভূমিকা রয়েছে, তেমনি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের হাত থেকে মুক্তি পেতে মুজিবনগর সরকারের ভূমিকা অপরিসীম। মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্বেই মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত ও পরিচালিত হয় এবং বাংলাদেশ শত্রুমুক্ত হয়। মুক্তিযুদ্ধকালীন জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে ৮ সদস্যবিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়। এছাড়া এ সরকার সুষ্ঠু ও পরিকল্পিতভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করে। মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে ১১ জন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়। প্রত্যেক সেক্টর বেশ কয়েকটি সাব-সেক্টরে বিভক্ত ছিল। এছাড়া মুজিবনগর সরকার বহির্বিশ্বে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গড়ে তোলার জন্য কাজ করে।

উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, উদ্দীপকের ন্যায় কর্তৃপক্ষের। তথা পাকিস্তানি শাসকদের হাত থেকে মুক্তি পেতে মুজিবনগর সরকার উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছে।