- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- অষ্টম শ্রেণি
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
শফিকের বাবা মুক্তিযুদ্ধকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তেন। যুদ্ধের শুরুতেই তিনি গ্রামে চলে আসেন এবং প্রতিবেশী একটি দেশে যুদ্ধের প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে ফিরে এসে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় দেশকে পরিচালনার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে একটি সরকার গঠিত হয়।
মুক্তিযুদ্ধে উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত সরকারের ভূমিকা বিশ্লেষণ কর।
মুক্তিযুদ্ধে উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত সরকার তথা মুজিবনগর সরকারের ভূমিকা অনস্বীকার্য।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে মুজিবনগর সরকার গঠন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শেখ মুজিবুর রহমানের নামে মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননকে নামকরণ করা হয় মুজিবনগর। উদ্দীপকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বলতে এ মুজিবনগর সরকারকেই বোঝানো হয়েছে। ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়। মুজিবনগর সরকার প্রধানত দুইভাবে তার কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। যেমন-বেসামরিক কার্যক্রম ও সামরিক কার্যক্রম। প্রত্যেক দেশের শাসনব্যবস্থা পরিচালনার জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও এর অধীনে দপ্তর থাকে। মুজিবনগর সরকারেও তা ছিল। বাংলাদেশকে ১১টি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করে ১১ জন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়। মুক্তিযুদ্ধকালীন জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে ৮ সদস্যবিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়। মূলত মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা এবং বাংলাদেশের পক্ষে বিশ্ব জনমত সৃষ্টি করা ছিল এ সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য।
পরিশেষে বলা যায়, মুজিবনগর সরকার যদি যথাযথভাবে মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা না রাখত তবে এত অল্প সময়ে আমরা আমাদের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা অর্জন করতে পারতাম না।

