• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • অষ্টম শ্রেণি
  • বাংলাদেশের অর্থনীতি
বাংলাদেশের অর্থনীতি

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

দৃশ্যকল্প-১: বিদেশে কর্মরত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের প্রেরিত অর্থ হিসাবের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকে না।

দৃশ্যকল্প-২: দেশি ও বিদেশি সকল জনগণের উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র বলতে কী বোঝায়?

দরিদ্র লোকের পর্যাপ্ত খাদ্য থাকে না বলে তারা দুর্বল স্বাস্থ্যের অধিকারী হয়। এরা কাজ পায় না বা করতে পারে না। ফলে আয় কম হয়। কম আয়ের কারণে সঞ্চয় করতে পারে না বা কম সঞ্চয় করে। এ কারণে বিনিয়োগ কম হয় বা মূলধন কম থাকে ফলে এরা দরিদ্রই থেকে যায়। এ চক্রটিই হলো দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ

#

মাথাপিছু আয় কী?

একটি দেশের মোট জাতীয় আয়কে সেই দেশের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে যা পাওয়া যায় তাই মাথাপিছু আয়।

#

দৃশ্যকল্প-১ এ অর্থনীতির কোন সূচক নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।

দৃশ্যকল্প-১ অর্থনীতির অন্যতম সূচক জিডিপিকে নির্দেশ করে।

GDP অর্থাৎ Gross Domestic Product যার বাংলা অর্থ মোট দেশজ উৎপাদন। মোট দেশজ উৎপাদন হলো একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে কোনো দেশের ভৌগোলিক সীমার অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার বাজার মূল্যের সমষ্টি। এক্ষেত্রে বিদেশে অবস্থানরত দেশীয় নাগরিকদের দ্বারা সৃষ্ট উৎপাদন বা আয় মোট দেশজ উৎপাদনের অন্তর্ভুক্ত হয় না। উদ্দীপকে উল্লিখিত বিদেশে কর্মরত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের প্রেরিত অর্থ মোট দেশজ উৎপাদন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে না। তাছাড়া দেশীয় আমদানি-রপ্তানি এ হিসেবে ধরা হয় না। এক্ষেত্রে দেশের অভ্যন্তরে দেশীয় জনগণ ও বিদেশি নাগরিকদের মূলধন ও বিনিয়োগের অবদান বিবেচনা করা হয়

অতএব বলা যায়, দৃশ্যকল্প-১ এর আলোচনা জিডিপি অর্থাৎ মোট দেশজ উৎপাদনকেই নির্দেশ করে।

#

"দৃশ্যকল্পে বর্ণিত সূচকদ্বয়ের বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটে।" বিশ্লেষণ কর।

উল্লিখিত সূচকদ্বয়ের একটি হলো জিডিপি ও অন্যটি হলো জিএনপি। জিডিপি হলো একটি দেশের অভ্যন্তরে দেশি বা বিদেশি নাগরিকদের দ্বারা প্রতিবছর উৎপাদিত সকল দ্রব্য ও সেবার মোট আর্থিক মূল্য। অপরদিকে জিএনপি হলো একটি দেশের নাগরিক নির্দিষ্ট সময়ে (সাধারণত এক বছরে) যে সকল দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করে তার আর্থিক মূল্য। একটি দেশ কতোটা উন্নত কিংবা অনুন্নত তা বিচার করা হয় কতকগুলো অর্থনৈতিক সূচকের মাধ্যমে। এর মধ্যে জিডিপি ও জিএনপি অন্যতম। জিডিপি প্রবৃদ্ধির হারের ওপর উন্নয়নের মাত্রা নির্ভর করে। এই প্রবৃদ্ধি হার বিচারে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে অনেক উন্নতি লাভ করেছে। এদেশের অর্থনীতিতে নাগরিকদের অবদান ক্রমে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এদেশের জিডিপি ও জিনএপি প্রবৃদ্ধির হার বাড়ার সাথে সাথে মানুষের জীবনযাত্রার মান বেড়েছে, দরিদ্রতা হ্রাস পেয়েছে, ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে, কর্মসংস্থানের সুযোগ বেড়েছে, দরিদ্রতা হ্রাস পেয়েছে, ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে, কর্মসংস্থাানের সুযোগ বেড়েছে, বেকারত্ব হ্রাস পেয়েছে। এর সাথে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলে দেশ প্রবৃদ্ধির সূচিকে উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি লাভ'করবে।

পরিশেষে বলা যায়, জিডিপি ও জিএনপির বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটে।