- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- অপরিচিতা [গদ্য]
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
প্রজাপতির দুই পক্ষ। বরপক্ষ এবং কন্যাপক্ষ। বরপক্ষ কন্যাপক্ষের কাছে নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা ও পাঁচ ভরি স্বর্ণালঙ্কার চেয়ে বসল। নিত্যানন্দ রায় কোনো কিছু বিবেচনা না করে তাতেই মেয়ের বিয়ে দিতে সম্মত হয়ে গেল। তার মতে, এমন শিক্ষিত ছেলে আর বনেদি পরিবার কিছুতেই হাতছাড়া করা যায় না। তার ইচ্ছায় যথারীতি আশীর্বাদ পর্ব শেষে শুভবিবাহের দিন ধার্য হয়ে গেল। নিত্যানন্দ অনেক কষ্ট স্বীকার করে বিয়ের যাবতীয় আয়োজন সম্পন্ন করার পরও নিতান্ত এক তুচ্ছ কারণে বিয়ের আসরেই এই বিয়ে ভেঙে যায়।
"একে তো বরের হাট মহার্ঘ, তাহার পরে ধনুক-ভাঙা পণ" এই কথার অর্থ বুঝিয়ে দাও।
'প্রশ্নোক্ত কথাটি দিয়ে কল্যাণীর জন্য সুযোগ্য বর খুঁজে পেতে তার বাবার ক্রমাগত অপেক্ষার কথা বোঝানো হয়েছে।
বিশ শতকের সূচনালগ্নে কনের বয়স পনেরো হওয়াটা সন্দেহের বিষয়বস্তু ছিল। কনের বংশে নিশ্চয়ই কোনো দোষ আছে, এমনটাই ভাবা হতো তখন। যখন জানা গেল অনুপমের পাত্রীর বয়স পনেরো, তখন স্বভাবতই বরপক্ষের কপালে ভাঁজ পড়ল। আদতে বিষয়টা ছিল পুরোপুরি ভিন্ন। সুযোগ্য বর খুঁজে পাওয়াটা কঠিন, তারপরে কনের বাবা খুব জেদি স্বভাবের মানুষ। তাই তিনি কেবলই অপেক্ষা করে চলেছেন। এদিকে কনের বয়স বেড়েই চলেছে। এ বিষয়টি বোঝাতেই 'ধনুক-ভাঙা পাণ' এর কথা অবতারণা করা হয়েছে।

