- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতি
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
জনাব হাসান আল্লাহভীরু, দীনদার রহিমাকে বিয়ে করে দাম্পত্য জীবন শুরু করেন। তাদের সংসারে সন্তান জন্মলাভ করলে তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উভয়ই আলোচনা করছিলেন। হাসান বললেন তিনি তার সন্তানদেরকে এমন শিক্ষায় শিক্ষিত করবেন, যাতে তারা আল্লাহকে ভালভাবে চিনতে পারে, জানতে পারে, তাঁর ইবাদত বন্দেগি করতে পারে; সাথে সাথে কর্মক্ষম হয়ে যোগ্যতা ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে পারে। রহিমা বললেন আমিও এ বিষয়ে একমত। এজন্য তাদেরকে প্রথমে মসজিদ সংলগ্ন ছোট প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করাতে হবে।
উদ্দীপকে মিসেস রহিমার ইচ্ছাটি একজন শিশুর জন্য কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ? বিশ্লেষণ কর।
উদ্দীপকে মিসেস রহিমার ইচ্ছাটি তথা শিশুকে মক্তবে ভর্তি করানোর সিদ্ধান্ত একজন শিশুর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ।
মুসলিম শিশুদের ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষাদানে মক্তব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এখানে তাদেরকে অক্ষরজ্ঞান ও ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলোর প্রাথমিক শিক্ষা দেওয়া হয়। মুসলিম ছেলেমেয়েদের মানসিক বিকাশে মক্তব ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন একসাথে, একই স্থানে বসে পড়াশুনা করায় তাদের পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা ও মমত্ববোধ গড়ে ওঠে। তারা গুরুজনদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে শেখে। তাদের শিক্ষক ও পিতামাতাকে শ্রদ্ধা ও মান্য করতে শেখে। মক্তবেই শিশুদেরকে ভবিষ্যতের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহণের জন্য প্রস্তুত করা হয়। এখানেই শিশুর পড়ার অভ্যাস পড়ে মক্তবের শিক্ষা শিশুকে শৈশবেই নীতিবান করে তোলে। সভ্য-মিথ্য ভালো-মন্দ, পবিত্রতা-অপবিত্রতা, হালাল-হারাম প্রভৃতি সম্পর্কে প্রজন্য প্রাথমিক জ্ঞান শিশুরা এখানেই পেয়ে থাকে। শিক্ষার্থীকে ইবলতে অজস্র হওয়ার প্রয়োজনীয় শিক্ষা এখানেই দেওয়া হয়। মক্কাকেই ভিবিষ্যতের জন্য ভালো কিছু করার এবং সুনাগরিক হওয়ার পর
উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, মুসলিম শিশুর ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষালাভ, মানসিক বিকাশ ও সামাজিকীকরণে মক্তবের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই রহিমার সন্তানকে মক্তবে ভর্তি করানোর ইচ্ছাটি যথার্থ, যা তার সন্তানের মানসিক ও নৈতিক বিকাশে সহায়ক হবে।

