• হোম
  • চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি

বাংলাদেশ রেলওয়ের ট্রেড এ্যাপ্রোন্টিস পদের প্রশ্ন সমাধান [২৪.০১.২০২৬]

  • বাংলাদেশ রেলওয়ে ২০২৬
  • সাধারণ জ্ঞান
Back

বাংলাদেশ রেলওয়েকে প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে কয়টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে?

ক১টি
খ৪টি
গ৫টি
ঘ২টি
উত্তর : ঘ.
২টি
Verified

বাংলাদেশ রেলওয়েকে প্রশাসনিক এবং পরিচালনার সুবিধার্থে মোট ২টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। এই দুটি অঞ্চল মূলত দেশের ভৌগোলিক অবস্থান এবং যমুনা নদীর গতিপথ বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়েছে। একটি হলো পশ্চিমাঞ্চল এবং অন্যটি পূর্বাঞ্চল। পশ্চিমাঞ্চলের সদর দপ্তর রাজশাহীতে অবস্থিত আর পূর্বাঞ্চলের সদর দপ্তর চট্টগ্রামে অবস্থিত।

এই বিভাজনের মূল উদ্দেশ্য হলো বিশাল এই যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সুশৃঙ্খলভাবে নিয়ন্ত্রণ করা। যমুনা নদী ঐতিহাসিকভাবেই বাংলাদেশের রেলপথকে দুই ভাগে বিভক্ত করে রেখেছিল। বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মাণের আগে এই দুই অঞ্চলের রেল যোগাযোগ ছিল মূলত ফেরিনির্ভর। প্রশাসনিকভাবে এই দুই অঞ্চলের জন্য আলাদা দুইজন মহাব্যবস্থাপক বা জেনারেল ম্যানেজার থাকেন। তারা নিজ নিজ অঞ্চলের রেললাইন রক্ষণাবেক্ষণ, ট্রেন চলাচল এবং যাত্রীসেবার বিষয়টি তদারকি করেন।

পশ্চিমাঞ্চলের অধীনে মূলত ঢাকা বিভাগের কিছু অংশসহ রাজশাহী, রংপুর এবং খুলনা বিভাগের রেলপথ পরিচালিত হয়। অন্যদিকে পূর্বাঞ্চলের অধীনে চট্টগ্রাম, সিলেট এবং ঢাকা বিভাগের বড় একটি অংশের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এই দুই অঞ্চলের অধীনে আবার মোট চারটি বিভাগীয় অফিস রয়েছে। এগুলো হলো ঢাকা, চট্টগ্রাম, পাকশী এবং লালমনিরহাট। প্রতিটি বিভাগীয় অফিস একজন ডিভশনাল রেলওয়ে ম্যানেজারের অধীনে কাজ করে।

এই কাঠামোর কারণে রেলওয়ের বিশাল জনবল এবং সম্পদ ব্যবস্থাপনা অনেক সহজ হয়। যেমন চট্টগ্রামের পাহাড়তলী এবং নীলফামারীর সৈয়দপুরে অবস্থিত দুটি প্রধান রেলওয়ে কারখানাও এই আঞ্চলিক বিন্যাসের সুবিধা ভোগ করে। প্রশাসনিকভাবে এই দুই ভাগে বিভক্ত হওয়ার কারণেই স্থানীয় সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করা সম্ভব হয়। তাই সঠিক উত্তরটি হবে ২।

সম্পর্কিত প্রশ্ন সমূহ

কবাংলাদেশ
খভিয়েতনাম
গভারত
ঘচীন
কচট্টগ্রাম
খখুলনা
গটঙ্গী
ঘনারায়ণগঞ্জ
কভিয়েতনাম
খচীন
গদক্ষিণ কোরিয়া
ঘজাপান
কইয়াঙ্গুন
খসিকান্দ্রা
গআগ্রা
ঘকাবুল
ক৬০৫০ ফুট
খ৬০০০ ফুট
গ৭০৫০ ফুট
ঘ৬০৮০ ফুট
কঢাকা
খখুলনা
গসিলেট
ঘচট্টগ্রাম
কঅর্থ মন্ত্রণালয়
খপরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
গশিল্প মন্ত্রণালয়
ঘবাণিজ্য মন্ত্রণালয়