- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- বাংলাদেশ সরকারের অর্থ ও ব্যাংক ব্যবস্থা
বাংলাদেশ সরকারের অর্থ ও ব্যাংক ব্যবস্থা
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
একজন সরকারি কর্মচারী কর্তৃক বাৎসরিক প্রদেয় কর সরকারি রাজস্বের কোন উৎসের অন্তর্ভুক্ত?
খ.
কর আয়ের উৎসসমূহ ও বিবরণ: ১. বাণিজ্য শুদ্ধ: দেশের আমদানি ও রপ্তানিকৃত দ্রব্যের উপর ধার্যকৃত কর থেকে আয়। ২. আবগারি শুল্ক: দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর ধার্যকৃত কর থেকে আয় (অনেক সময়-ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাসের উদ্দেশ্যে সেসব দ্রব্যের উপর এাট ধার্য করা হয়)। ৩. আয়কর জনসাধারণের ব্যক্তিগত আয়ের ওপর ধার্যকৃত কর থেকে আয়। ৪. মূল্য সংযোজন কর (VAT): আমদানিকৃত দ্রব্য ও স্থায়ীভাবে উৎপাদিত দ্রব্য এবং নির্ধারিত কতকগুলো সেবাখাতের ওপর ধার্যকৃত কর থেকে আয়। ৫. সম্পূরক কর: আমদানি শুল্ক বা আবগারি শুল্ক বা ভ্যাট আরোপের পরও অতিরিক্ত ধার্যকৃত কর থেকে আয়। ৬.. ভূমি রাজস্ব ভূমি ভোগ দখলের জন্য সরকারকে প্রদানকৃত খাজনা থেকে আয়। ৭. নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিভিন্ন দলিলপত্র ও মামলা মকদ্দমার আবেদনপত্র ব্যবহারের জন্য স্ট্যাম্প, পাসপোর্ট ও বিনিময় বিল ইত্যাদি খাতে অর্জিত আয়। ৮. রেজিস্ট্রেশন: দলিলপত্র রেজিস্ট্রি বা নিবন্ধন করার জন্য রেজিস্ট্রেশন ফি এবং মামলা মকদ্দমার জন্য কোর্ট ফি থেকে আয়। ৯. যানবাহন কর: বিভিন্ন প্রকার যানবাহন নিবন্ধনের জন্য প্রদত্ত কর থেকে আয়। ১০. মাদক শুষ্ক মাদক দ্রব্যের ওপর ধার্যকৃত শুদ্ধ থেকে আয়। ১১. বিদ্যুৎ শুল্ক: বিদ্যুৎ শুল্ক থেকে জীয়। ১২. অন্যান্য কর শুষ্ক আমোদ প্রমোদ কর, সম্পত্তি কর, পেট্রোল ও গ্যাসের ওপর শুষ্ক, বিদেশ ভ্রমণের ওপর শুল্ক, সেচ কাজ ও যন্ত্রপাতির উপর কর থেকে আয়।
মন্তব্য ও আলোচনা (০)
সম্পর্কিত প্রশ্ন সমূহ

