• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • অষ্টম শ্রেণি
  • অতিথির স্মৃতি (গদ্য)
অতিথির স্মৃতি (গদ্য)

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

বাদল সাহেব ডায়াবেটিস রোগী। ডাক্তারের পরামর্শে প্রতিদিন বিকেলে হাঁটতে বের হন। হাঁটতে গিয়ে দেখেন তার মতো অনেকেই হাঁটতে বের হয়েছে। যারা হাঁটতে বের হয়েছে তাদের অনেকেই স্থূলকায়। একটু হাঁটলেই হাঁপিয়ে যায়। তারপরও তাদের হাঁটার প্রাণপণ চেষ্টা। হঠাৎ বাদল সাহেব দেখতে পান রাস্তার পাশে একটি বিড়ালছানা অসুস্থ অবস্থায় পড়ে আছে। তিনি বিড়ালছানাটিকে বাসায় নিয়ে যান এবং পরম যত্নে তাকে সুস্থ করে তোলেন।

উদ্দীপকে উল্লিখিত লোকদের হাঁটার প্রাণপণ চেষ্টা 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের কোন দিককে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপকে উল্লিখিত লোকদের হাঁটার প্রাণপণ চেষ্টা 'অতিথির স্মৃতি' গল্পে, লেখকের রোগমুক্তি ও বায়ু পরিবর্তনের দিকটিকে নির্দেশ করে।

'অতিথির স্মৃতি' গল্পের লেখক চিকিৎসকের আদেশে বায়ু পরিবর্তনের জন্য দেওঘরে যান। সেখানে তিনি বিকেল বেলা পথের ধারে বসে অনেক রকম মানুষ দেখেন, যারা সুস্থ থাকার জন্য হাঁটতে বের হন। এর মধ্যে 'বেরিবেরি' রোগে পা ফোলা রোগীও ছিল।

উদ্দীপকের বাদল সাহেব ডায়াবেটিস রোগের কারণে ডাক্তারের পরামর্শে বিকেলে হাঁটতে বের হন। তিনি দেখেন তার মতো অনেকেই হাঁটতে বের হয়েছে। স্থূলাকায় মানুষ যারা আছে, তারা হাঁপিয়ে গেলেও হাঁটা থামায় না। বাদল সাহেব বুঝতে পারেন, ওরাও সুস্থ থাকার জন্যই হাঁটছে। 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের লেখকও সুস্থ হওয়ার জন্য বায়ু পরিবর্তন করতে দেওঘরে যান। তিনি সেখানকার মানুষদের হাঁটার মধ্যে সুস্থ থাকার প্রবণতা বুঝতে পারেন। আর এই রোগমুক্তির জন্য মানুষের প্রাণপণ হাঁটার দিকটিই উদ্দীপক ও আলোচ্য গল্পকে সাদৃশ্যপূর্ণ করেছে।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ

#

কী দেখে লেখকের সত্যিকার ভাবনা ঘুচে গেল?

বেনে-বৌ পাখি দুটিকে ফিরে আসতে দেখে লেখকের সত্যিকারের ভাবনা ঘুচে গেল।

#

'আতিথ্যের মর্যাদা লঙ্ঘন' বলতে 'অতিথির স্মৃতি' গল্পে কী বোঝানো হয়েছে?

'আতিথ্যের মর্যাদা লঙ্ঘন' বলতে বাড়িতে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে অতিথির দীর্ঘ সময় অবস্থান করাকে বোঝানো হয়েছে।

কুকুরটির সঙ্গে লেখকের সখ্য হওয়ার পরের দিন কুকুরটি লেখকের নিমন্ত্রণ রক্ষা করে। নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে এসে সে অধিক সময় ওই বাড়িতে অবস্থান করে। বাড়িতে অতিথির এরূপ দীর্ঘ সময় অবস্থান মূলত আতিথ্যের লঙ্ঘন। সাধারণ বিচারে কুকুরটি এ মর্যাদা লঙ্ঘন করেছে। তাই বলা যায়, 'আতিথ্যের মর্যাদা লঙ্ঘন' বলতে লেখকের বাড়িতে কুকুরটির এই দীর্ঘ সময় অবস্থান করাকেই বোঝানো হয়েছে।

#

উদ্দীপকে বাদল সাহেবের প্রাণীর প্রতি মমত্ববোধে 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের লেখকের মমত্ববোধের পূর্ণাঙ্গ রূপ ফুটে উঠেছে কি? যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।

উদ্দীপকে বাদল সাহেবের প্রাণীর প্রতি যে মমত্ববোধ সেখানে 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের লেখকের মমত্ববোধের তেমন পূর্ণাঙ্গ রূপ ফুটে ওঠেনি।

'অতিথির স্মৃতি' গল্পের লেখক দেওঘরে বায়ু পরিবর্তন করতে আসেন। সেখানে তিনি একদিন হাঁটতে বেরোলে সঙ্গী হিসেবে একটি কুকুরকে পান। কুকুরটিকে তিনি তাঁর বাড়ি পর্যন্ত নিয়ে আসেন। বাড়ির চাকরকে তার খাবারের দায়িত্ব দেন।

উদ্দীপকের বাদল সাহেব ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ায় প্রতিদিন হাঁটতে বের হন। একদিন হাঁটতে গিয়ে তিনি রাস্তার পাশে একটা অসুস্থ বিড়ালছানা দেখতে পান। বিড়ালছানাটিকে তিনি বাড়িতে এনে যত্ন করে সুস্থ করে তোলেন। এতে প্রাণীর প্রতি বাদল সাহেবের মমত্ববোধের পরিচয় পাওয়া যায়।

'অতিথির স্মৃতি' গল্পের লেখক ও উদ্দীপকের বাদল সাহেব দুজনের মধ্যেই পশু-পাখির প্রতি মমত্ববোধের দিকটি পরিলক্ষিত হয়। কিন্তু আলোচ্য গল্পের লেখক দেওঘরে যে কুকুরটিকে অতিথি হিসেবে গ্রহণ করেন তার দায়িত্ব কাজের লোকদের উপর দিয়ে দেন। আবা তিনি ফিরে আসার সময়ও কুকুরটিকে নিয়ে যেতে পারেননি সঙ্গে করে। কিন্তু উদ্দীপকের বাদল সাহেব কুড়িয়ে পাওয়া বিড়ালছানাটিকে বাসায় নিয়ে এসে নিজ দায়িত্বে সুস্থ করে তোলেন। তার প্রতি যত্ন নেন। মমত্ববোধের দিকটিতে মিল থাকলেও মমতার প্রকাশ ও পরিণতিতে দুজনের পূর্ণাঙ্গ রূপ একইভাবে ফুটে ওঠেনি।