- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- অষ্টম শ্রেণি
- অতিথির স্মৃতি (গদ্য)
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
সুমন অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তার পাশে একটি। গর্তে একটি বিড়ালছানাকে আটকে থাকতে দেখে রিকশাওয়ালার সাহায্যে সে বিড়ালটিকে উম্মার করে পরিষ্কার করে বাড়ি নিয়ে আসে। খুব অল্প। সময়ে বিড়ালটি তাদের পরিবারের একজান হয়ে ওঠে।
বেনে-বৌ পাখি দুটির রং কেমন ছিল?
বেনে-বৌ পাখি দুটির রং হলদে ছিল।
মন্তব্য ও আলোচনা (০)
সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ
'দেহ যেমন শীর্ণ মুখ তেমনি পাণ্ডুর'- কথাটি ব্যাখ্যা করো।
দেওঘরে দেখা দরিদ্র ঘরের মেয়েটির শারীরিক অবস্থা প্রসঙ্গে লেখক এ কথাটি বলেছেন।
লেখক পথের ধারে বসে বৈকালিক ভ্রমণে বেরোনো রোগীদের লক্ষ করতেন। বেরিবেরি আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে একটি অল্পবয়সি মেয়ের শরীর ছিল রোগা, চেহারা বিবর্ণ। তার চলার শক্তি ছিল না, অথচ কোলে একটি শিশু। উদ্ধৃত উক্তিটি মেয়েটির করুণ অবস্থাকেই তুলে ধরেছে।
রতনের মধ্যে 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের কোন বিশেষ দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকের রতনের মধ্যে 'অতিথির স্মৃতি' গল্পে বর্ণিত অবলা প্রাণীর প্রতি অকৃত্রিম মমত্ববোধের দিকটি ফুটে উঠেছে।
'অতিথির স্মৃতি' গল্পের গল্পকথক চিকিৎসকের পরামর্শে বায়ু পরিবর্তনের জন্য দেওঘরে যান। পশু-পাখির প্রতি গল্পকথক উদার দৃষ্টিভঙ্গি লালন করেন। এই উদার দৃষ্টিভঙ্গির কারণেই তিনি একটি পথের কুকুরকে সহজেই আপন করে নিতে পেরেছিলেন। পশু-পাখির প্রতি তার এই মমত্ববোধের দিকটি উদ্দীপকেও পরিলক্ষিত হয়।
উদ্দীপকের রতন অফিস থেকে বাসায় ফেরার পথে রাস্তার পাশের গর্তে এফটি বিড়ালছানাকে আটকে থাকতে দেখে। এসময় বিড়ালছানাটির প্রতি তার সহানুভূতি জন্মায়। তাই রিকশাওয়ালার সাহায্যে সে বিড়ালছানাটিকে। উদ্ধার করে। এরপর পরিষ্কার করে বিড়ালছানাটিকে বাড়িতে নিয়ে আসে। ধীরে ধীরে বিড়ালছানাটির সঙ্গে তার সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। খুব অল্প সময়েই বিড়ালছানাটি তাদের পরিবারের একজন হয়ে ওঠে। একইভাবে 'অতিথির স্মৃতি' গল্পেও আমরা অবলা প্রাণীর প্রতি মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসার পরিচয় পাই। এ গল্পে পথের একটি কুকুরের সাথে লেখকের স্নেহ-প্রীতির সম্পর্ক গড়ে ওঠে। লেখক নিয়মিত কুকুরটির খোঁজখবর নেন এবং চাকরদেরকেও বলে দেন খাবার দিতে। ইতরপ্রাণীর প্রতি লেখকের এই ভালোবাসার দিকটিই উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে।
'জীবনের প্রতি ভালোবাসা মানবমনের এক পরম অনুভূতি।'-উদ্দীপক ও 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
অতিথি কুকুরটির প্রতি মমত্ববোধের মধ্য দিয়ে গল্পটিতে গল্পকথকের জীবনের প্রতি ভালোবাসাই প্রকাশ পেয়েছে।
'অতিথির স্মৃতি' গল্পে একটি পথের কুকুরের সঙ্গে মমত্বের সম্পর্ককে উপস্থাপন করা হয়েছে। কুকুরটির প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে গল্পকথক একে অতিথির মর্যাদায় বাড়ি নিয়ে আসেন। এক্ষেত্রে গভীর জীবন বোধ ও ভালোবাসাই লেখককে এমন সংবেদনশীল করে তুলেছে।
উদ্দীপকের রতন অফিস থেকে ফেরার পথে রাস্তার পাশের গর্তে একটি বিড়ালছানাকে আটকে থাকতে দেখে। তার সংবেদনশীল মনে বিড়ালছানাটির জন্য দয়ার উদ্রেক হয়। তাই সে রিকশা থামিয়ে রিকশাওয়ালার সাহায্যে বিড়ালছানাটিকে উদ্ধার করে। এরপর সেটিকে পরিষ্কার করে বাড়িতে নিয়ে আসে এবং ছানাটির যত্ন নেয়। এভাবে অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই বিড়ালছানাটির সঙ্গে তার সম্ভাব গড়ে ওঠে। একসময় বিড়ালছানাটি যেন তাদের পরিবারেরই একজন হয়ে ওঠে।
'অতিথির স্মৃতি' গল্পে দেওঘরে বেড়াতে আসা অসুস্থ লেখকের সত্যে পথের একটি কুকুরের সখ্য গড়ে ওঠে। লেখক কুকুরটিকে বাড়িতে ডেকে এনে অতিথির মতো আপ্যায়ন করেন। শুধু তা-ই নয়, তিনি বাড়ির চাকরদের বলে দেন তারা যেন কুকুরটির যত্ন নেয় এবং খাবার দেয়। ধীরে ধীরে লেখক কুকুরটির সাথে মায়ার বন্ধনে আবন্ধ হন। তাই দেওঘর থেকে বিদায় নেওয়ার সময় প্রিয় কুকুরটির বিচ্ছেদব্যথায় তিনি-কাতর হয়ে পড়েন। একইভাবে উদ্দীপকের রতনও বিড়ালছানাটিকে ভালোবেসেছে। জীবনের প্রতি ভালোবাসাই তাদের এমন মনোভাবের কারণ। আর সে অনুভূতি থেকেই রতন ও আলোচ্য গল্পের কথক অবলা প্রাণীর প্রতি ভালোবাসা পোষণ করে তৃপ্ত হয়েছেন। সে বিবেচনায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

