• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • অষ্টম শ্রেণি
  • অতিথির স্মৃতি (গদ্য)
অতিথির স্মৃতি (গদ্য)

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

পাঁচ বছরের মেয়ে মিনা। সে কুকুরছানা, বিড়ালছানা, মুরগির ছানা যা-ই পায় কোলে নিয়ে আদর করে। একদিন কোথা থেকে একটি বিড়ালছানা আসে। মিনা তো অরি খুশি। সে ওটাকে বিভিন্ন ধরনের খাবার। দেয়, কোলে নিয়ে আদর করে, এমনকি ঘুমানোর সময় নিজের বিছানায় নিয়ে ঘুমায়। মিনার মা এসকল কাজে ভীষণ বিরক্ত হয়ে একদিন রাতে বিড়ালছানাটিকে ঘর থেকে বাইরে বের করে দেন। বিড়ালছানাটি না পেয়ে মিনা অনেক কারা করে, এমনকি সে ওদিন খাওয়া-দাওয়াও করেনি।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি.লিট উপাধি লাভ করেন?

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি. লিট, উপাধি লাভ করেন।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ

#

'অতিথির স্মৃতি' গল্পের গল্পকথক দেওঘর থেকে বিদায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন কেন?

শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের গল্পকথক দেওঘর থেকে বিদায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন।

গল্পকথক চিকিৎসকের পরামর্শে বায়ু পরিবর্তনের জন্য দেওঘরে এসেছিলেন। গল্পকথকের মতে, যদিও বায়ু পরিবর্তন স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে খুব একটা পরিবর্তন আনে না, তদুপরি তিনি দেওঘরে প্রকৃতির সান্নিধ্যে এসে মানসিকভাবে ভালো ছিলেন। কিন্তু তাঁর শারীরিক অবস্থার তেমন উন্নতি হয়নি। তাই তিনি দেওঘর থেকে বিদায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন।

#

উদ্দীপকের মিনার মা 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের যে চরিত্রের প্রতিনিধি তার স্বরূপ-ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপকের মিনার মা 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের মালি-বৌ চরিত্রের প্রতিনিধি।

মানুষে মানুষে যেমন স্নেহ-প্রীতির সম্পর্ক গড়ে ওঠে, তেমনই অন্যান্য প্রাণীর সাথেও মানুষের স্নেহ-প্রীতির সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে। সাধারণত সংবেদনশীল মানুষেরা পশু-পাখির প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে থাকেন। কিন্তু আমাদের সমাজে একশ্রেণির মানুষ আছে, যারা মানবেতর প্রাণীদের প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ করে। 'অতিথির স্মৃতি' গল্পেও আমরা এ ধরনের আচরণ লক্ষ করি।

উদ্দীপকে মানবেতর প্রাণীর প্রতি ভালোবাসার চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি নির্দয় আচরণের স্বরূপ ফুটে উঠেছে। সেখানে পাঁচ বছরের মেয়ে মিনা অবলা প্রাণীদের প্রতি সহানুভূতিশীল। একদিন একটি বিড়ালছানা আসে অদের বাড়িতে। সংগত কারণেই বিড়ালছানাটিকে দেখে মিনা খুব খুশি হয়। সে বিড়ালছানাটিকে খাবার দেয়, কোলে নিয়ে আদর করে, এমনকি ঘুমানোর সময় নিজের বিছানায় নিয়ে ঘুমায়। কিন্তু মিনার মা বিড়ালটির প্রতি মিনার এই ভালোবাসা মেনে নিতে পারেননি। তাই এক রাতে তিনি বিড়ালছানাটিকে বাইরে বের করে দেন। অবলা প্রাণীর প্রতি এমন রূঢ় আচরণের নমুনা আমরা 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের মালি-বৌয়ের আচরণেও লক্ষ করি। তাই লেখক অতিথি কুকুরটিকে খেতে দিতে বললেও নিজের স্বার্থের ক্ষতি হচ্ছে বলে মালি-বৌ কুকুরটিকে খেতে না দিয়ে তাড়িয়ে দেয়। এদিক বিবেচনায় উদ্দীপকের মিনার মা 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের মালি-বৌ চরিত্রের যথার্থ প্রতিনিধি।

#

"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকের মিন্য ও 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের লেখকের মনে ভাবগত সাদৃশ্য রয়েছে।"- বিশ্লেষণ করো।

প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকের মিনা ও 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের লেখক উভয়ই অবলা প্রাণীর প্রতি মমত্বশীল, যা তাদের মধ্যে সাদৃশ্য তৈরি করেছে।

অবলা প্রাণীর প্রতি ভালোবাসা মানুষের একটি প্রশংসনীয় গুণ। অতিথির স্মৃতি' গল্পেও অবলা প্রাণীর প্রতি মানুষের ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে। এ গল্পে লেখক পথের একটি কুকুরের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়েছেন। শুধু তা-ই নয়, কুকুরটিকে তিনি বরণ করেছেন অতিথির মর্যাদায়।

উদ্দীপকের মিনা বয়সে ছোটো হলেও অবলা প্রাণীর প্রতি মমত্বশীল। সে মমত্ববোধ থেকেই মিনা কুকুরছানা, বিড়ালছানা, মুরগির ছানাকে আদর করে। এসব প্রাণী দেখলে তার হৃদয়ে স্নেহ জেগে ওঠে। একবার একটি বিড়ালছানা তাদের বাড়িতে এলে সে আনন্দে আত্মহারা হয়ে যায়। পরম মমতায় সে বিড়ালছানাটিকে আপন করে নেয়। সে বিড়ালছানাটিকে বিভিন্ন ধরনের খাবার দেয়, কোলে নিয়ে আদর করে, এমনকি ঘুমানোর সময়ও বিড়ালছানাটিকে সে পাশে রাখে। মানবেতর একটি প্রাণীর প্রতি মিনার এমন ভালোবাসা সত্যিই প্রশংসনীয়।

'অতিথির স্মৃতি' গল্পে একটি মানবেতর প্রাণীর সাথে মানুষের সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে দেওঘরে বায়ু পরিবর্তনের জন্য আসা অসুস্থ লেখকের সাথে একটি কুকুরের স্নেহ-প্রীতির সম্পর্ক গড়ে ওঠে। লেখক পরম যত্নে কুকুরটিকে বাড়িতে ডেকে এনে অতিথির ন্যায় আপ্যায়ন করেন। এভাবে অল্প কয়েকদিনের পরিচয়েই লেখক অতিথি কুকুরটির সাথে মায়ার বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাই দেওঘর থেকে বাড়িতে ফেরার দিন লেখক প্রিয় কুকুরটির বিচ্ছেদব্যথায় কাতর হয়ে পড়েন। একইভাবে উদ্দীপকের মিনাও তার পোষা বিড়ালছানাটি হারিয়ে গেলে কান্নায় ভেঙে পড়ে। মানবেতর প্রাণীর প্রতি এমন অকৃত্রিম ভালোবাসার দৃষ্টান্ত সত্যিই বিরল। সে বিবেচনায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।