• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • অষ্টম শ্রেণি
  • অতিথির স্মৃতি (গদ্য)
অতিথির স্মৃতি (গদ্য)

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

ঈশার পোষা বিড়ালের নাম ক্যাটসপার। পরিবারে এর যত্নের অন্ত নেই। ঘুমানোর জন্য রয়েছে নরম বিছানা। একটু অসুখ হলে তাকে নিয়ে যায় ডাক্তারের কাছে। পছন্দের খাবারও কখনো ঘর থেকে ফুরায় না। ক্যাটসপার সব সময় ঈশার সঙ্গে সঙ্গে থাকে। একদিন দুপুর বেলা খাওয়ার সময় ক্যাটসপারকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। হঠাৎ পাশের বাড়ির মনিরুলদের ঘরে তার কান্নার শব্দ শোনা যায়। ক্যাটসপারকে আহত অবস্থায় দেখে কেঁদে ফেলে ঈশা। দেরি না করে তাকে নিয়ে
ছুটে যায় হাসপাতালে।

ট্রেন ছেড়ে দিলেও লেখক বাড়ি ফেরার আগ্রহ খুঁজে পাননি কেন?

অতিথির প্রতি মমত্ববোধের কারণে লেখক ট্রেন ছেড়ে দিলেও বাড়ি ফেরার আগ্রহ খুঁজে পাননি।

বায়ু পরিবর্তনের জন্য দেওঘরে গিয়ে লেখক একটি কুকুরকে সঙ্গী হিসেবে পান। কুকুরটির সঙ্গে লেখকের একটি ভালো সম্পর্ক তৈরি হয় এবং কুকুরটিকে তিনি অতিথি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ফলে চলে আসার সময় হলেও লেখক অতিথিকে ছেড়ে আসতে কষ্ট অনুভব করছিলেন, যে কারণে লেখক ট্রেন ছেড়ে দিলেও বাড়ি ফেরার আগ্রহ খুঁজে পাননি।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ

#

বামুনঠাকুরকে ডেকে লেখক কী বলেছিলেন?

বামুন ঠাকুরকে ডেকে লেখক অতিথিকে খেতে দিতে বলেছিলেন।

#

উদ্দীপকের ঈশার সঙ্গে 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রটি ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপকের ঈশার সঙ্গে 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের লেখক চরিত্রটি সাদৃশ্যপূর্ণ।

'অতিথির স্মৃতি' গল্পে পথের একটি কুকুরের সজো লেখকের কদিনের পরিচয়ের মধ্য দিয়ে মমতার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কুকুরটির প্রতি লেখকের স্নেহপ্রীতির প্রকাশ নানাভাবে লক্ষ করা যায়। এমনকি দেওঘর থেকে বিদায় নেওয়ার সময় লেখক প্রাণীটির কথা ভেবে ব্যথিত হন।

উদ্দীপকের ঈশার মাঝে তার পোষা প্রাণীটির প্রতি ভালোবাসা লক্ষ করা যায়। ঈশা তার প্রাণীটির যত্ন নেয়। আহত হলে প্রাণীটির দুঃখে সে নিজেই কেঁদে ফেলে এবং হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ থেকে প্রাণীটির প্রতি ঈশার অকৃত্রিম ভালোবাসা প্রকাশ পায়। যেমনটি দেখা যায় আলোচ্য গল্পের লেখকের আচরণে। পথের কুকুরটিকে তিনি অতিথির মর্যাদায় বাড়িতে জায়গা দেন। কুকুরটির প্রতি আন্তরিক ভালোবাসা ও মমতা অনুভব করেন। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ঈশার সঙ্গে গল্পের লেখকের সাদৃশ্য রয়েছে।

#

"উদ্দীপকে বর্ণিত মনিরুলদের আচরণ 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের একটি বিশেষ দিকের বাস্তব প্রতিফলন।"- মন্তব্যের যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

উদ্দীপকে উল্লেখিত মনিরুলদের আচরণ 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের মালিনীর কুকুরটির প্রতি ঈর্ষান্বিত মনোভাবের দিককে নির্দেশ করে যা আলোচ্য গল্পের একটি বিশেষ দিক।

আলোচ্য গল্পের লেখকের অতিথিসম কুকুরটির প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে ওঠে মালিনী। কেননা কুকুরটি আসার পর খাবারের একটা ভাগ চলে যেত কুকুরটির পাতে। তাই মালিনী কুকুরটিকে তাড়িয়ে দেয়।

উদ্দীপকে ঈশা তার পোষা প্রাণীটিকে খুব ভালোবাসে। নিয়মিত যত্ন নেয়। একদিন দুপুরবেলা প্রাণীটিকে খুঁজে না পেয়ে তার খোঁজ করে পাশের বাড়ির মনিরুলদের বাড়িতে প্রাণীটির কান্নার আওয়াজ শুনতে পায়। প্রাণীটির আহত অবস্থা দেখে ঈশা কেঁদে ফেলে এবং তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

উদ্দীপক এবং আলোচ্য গল্পে প্রকাশিত প্রাণীর প্রতি অবহেলা গল্পের একটি বিশেষ দিককে চিহ্নিত করে। কেননা, অবহেলা ছাড়াও ভালোবাসার প্রকাশ পেয়েছে আলোচ্য গল্পে। তাছাড়া লেখক দেওঘর থেকে অতিথি তথা কুকুরটিকে নিয়ে আসেননি। লেখক দেখিয়েছেন, মানুষে মানুষে যেমন স্নেহপ্রীতির সম্পর্ক, অন্য জীবের সঙ্গেও মানুষের তেমন সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে। কিন্তু সেই সম্পর্ক নানা প্রতিকূলতায় স্থায়ীরূপ পেতে বাধাগ্রস্ত হয়। আবার এই সম্পর্কের সূত্র ধরে একটি মানুষ ওই জীবের প্রতি যখন মমতায় সিক্ত হয় তখন অন্য মানুষের আচরণ নির্মম হয়ে উঠতে পারে। এসব দিক বিবেচনায় বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত মনিরুলদের আচরণ 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের একটি বিশেষ দিকের বাস্তব প্রতিফলন- মন্তব্যটি যথার্থ।