• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • প্রাচীন বাংলার সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাস
প্রাচীন বাংলার সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাস

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

প্রাচীন বাংলার স্থাপত্য ও শিল্পকলা

বাংলাদেশের নানা স্থান থেকে প্রাপ্ত প্রাচীন স্থাপনার বেশির ভাগই ধর্মীয় স্থাপত্য। এর মধ্যে রয়েছে স্তূপ, বিহার ও মন্দির। পরবর্তীকালে মধ্যযুগে এসে দেখা যায় স্থাপত্য নিদর্শন হিসেবে যা পাওয়া যায় তার সিংহভাগ মসজিদ কিংবা সমাধির জন্য ধর্মীয় স্থাপত্য। প্রাচীন বাংলার প্রত্নস্থান হিসেবে প্রাথমিক যুগের স্থাপত্য নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে চন্দ্রকেতুগড়, বানগড়, মঙ্গলকোট, তাম্রলিপ্তি, মহাস্থানগড় কিংবা উয়ারী-বটেশ্বর থেকে। তবে উপযুক্ত তথ্যের অভাবে সেখানে প্রাপ্ত নিদর্শনের স্থাপত্যিক-পরিকল্পনা, নির্মাণ-পদ্ধতি ও কাঁচামাল সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা মেলেনি।

সরাসরি বিভিন্ন রাজবংশের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশে বিকাশ ঘটেছিল বৌদ্ধধর্মের। এই ধর্মের অনুসারীগণ সামাজিক-সাংস্কৃতিক শক্তি হিসেবে টিকে থাকে ১২ শতক পর্যন্ত। তাদের সমৃদ্ধ বিকাশের চিহ্ন হিসেবে কুমিল্লা জেলার লালমাই-ময়নামতি, নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর, বগুড়া জেলার মহাস্থানগড় অঞ্চল, দিনাজপুর, রাজশাহী, যশোরের ভরত ভায়না, ঢাকার সাভার, পশ্চিমবঙ্গের জগজ্জীবনপুর, বিহারের নালন্দা প্রভৃতি অঞ্চলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বৌদ্ধ-স্থাপত্য পাওয়া গিয়েছে। ধ্বংসপ্রাপ্ত ইটের স্তূপ কিংবা ঢিবি হিসেবে প্রাপ্ত এসব নিদর্শনের মধ্য থেকে খননকৃত স্থাপত্যের সংখ্যা খুব একটা বেশি নয়। প্রাথমিক দিকের নিদর্শন হিসেবে ময়নামতির কুটিলামুড়ার কথা বলা যায়। এখানে তিনটি স্তূপের সামনে পূর্ব দিকে কক্ষসহ তিনটি চৈত্য-হল পাওয়া গিয়েছে স্তূপস্থাপত্য: বৌদ্ধ-স্থাপত্যের সর্বপ্রাচীন নিদর্শন হিসেবে প্রাপ্ত স্তূপগুলোর উৎপত্তি-কাল অনির্ধারিত। এই স্তূপগুলোর বেশির ভাগ পাওয়া গিয়েছে বৌদ্ধ বিহার সন্নিহিত এলাকায়। প্রাথমিক দিকের নিদর্শন হিসেবে কুমিল্লার কুটিলামুড়া, ইটাখোলা মুড়া, ভোজবিহার, রূপবান মুড়ার পাশাপাশি নওগাঁ জেলার বদলগাছি থানার পাহাড়পুর বিহারের পূর্বে অবস্থিত সত্যপীর ভিটার কথা বলা যায়। ওদিকে স্থানীয়ভাবে ডগরমুড়া নামে পরিচিত সাভারের হরিশ-রাজার বুরুজ স্তূপটির ধ্বংসাবশেষও বাংলাদেশের স্তূপ স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন।

বিহার: ধর্মীয় পরিব্রাজক তথা সংসারত্যাগী বৌদ্ধ ভিক্ষুদের আবাসস্থল হিসেবে বিহার বিখ্যাত। বৌদ্ধগ্রন্থ বিনয় পিটক অনুযায়ী ভিক্ষুদের বসবাসের জন্য বৃহৎ স্থাপত্যিক অবকাঠামো এবং একটি সুসংগঠিত আশ্রমকে বিহার বলা হয়। বাংলাদেশের নানা স্থান থেকে অনেকগুলো বিহার স্থাপত্য আবিষ্কৃত হয়েছে। এক্ষেত্রে যশোর জেলার কেশবপুর থানার বুড়িভদ্রা নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত ভরত ভায়নার কথা বলা যায়।

কুমিল্লার কোটবাড়ি-সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ের মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত শালবন বিহার বাংলাদেশের বিহার স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন। রাজা ভবদেব আনুমানিক সাত শতকের শেষভাগে ১১৫টি কক্ষবিশিষ্ট এই বিহার নির্মাণ করেছিলেন। অন্যদিকে আনন্দবিহারের অবস্থান কুমিল্লার শালবন বিহার থেকে দুই মাইল উত্তরে। আট শতকের প্রথমদিকে বাংলাদেশে আবিষ্কৃত দ্বিতীয় বৃহত্তম এ বিহার নির্মাণ করেছিলেন আনন্দ দেব। এখানেও বিহারের খোলা আঙিনার মাঝখানে একটি বিরাট ক্রুশাকার মন্দির রয়েছে।

ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত পাহাড়পুর বিহার তথা সোমপুর মহাবিহার নওগাঁ জেলার বদলগাছি থানার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত। আট শতকে পাল সম্রাট ধর্মপাল প্রায় বর্গাকার এ বিহারটি নির্মাণ করেছিলেন। এখানকার ১৭৭টি কক্ষের মধ্যে উত্তর বাহুতে ৪৫টি কক্ষ এবং অপর তিন বাহুর প্রতিটিতে ৪৪টি কক্ষ রয়েছে। বিহারের ক্রুশ আকৃতির কেন্দ্রীয় মন্দিরটি ঊর্ধ্বগামী তিনটি ধাপে নির্মাণ করা হয়েছে। এখান থেকে বিভিন্ন আকার ও আয়তনের বেশ কিছু নিবেদন-স্তূপ, কেন্দ্রীয় মন্দিরের প্রতিকৃতি, পঞ্চ-মন্দির, রান্নাঘর ও খাওয়ার ঘর, পাকা নর্দমা ও কূপ আবিষ্কৃত হয়েছে। পাশাপাশি পাওয়া গিয়েছে অনেকগুলো টেরাকোটা নিদর্শন। পাহাড়পুর বিহারের পাশাপাশি নওগাঁ জেলার ধামইরহাট উপজেলায় অবস্থিত জগদল মহাবিহারের কথা বলা যেতে পারে। এগুলো প্রাচীন বাংলার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্য নিদর্শন।

বাংলাদেশের নানা স্থান থেকে আবিষ্কৃত অন্য বিহারের মধ্যে ভাসুবিহার বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানায় অবস্থিত। মহাস্থানগড়ের পশ্চিমে অবস্থিত এ বিহারে প্রায় ২৬টি ভিক্ষুকক্ষ রয়েছে যার নির্মাণ-উপাদান হিসেবে ইট ও মর্টার হিসেবে কাদা-মাটি ব্যবহৃত হয়েছে। এর বাইরে দিনাজপুর জেলার নওয়াবগঞ্জ থানায় অবস্থিত সীতাকোট বিহার, বিহার ধাপ তথা তোতারাম পণ্ডিতের বাড়ি, লোহানীপাড়া গ্রামের চাপড়াকোট বিহার, বগুড়া জেলার কাহালু উপজেলার আড়োলা গ্রামের শালিবাহন রাজার বাড়ি, ঢাকা জেলার সাভার থানায় অবস্থিত হরিশচন্দ্র রাজার প্রাসাদের কথা বলা যেতে পারে।

শিল্পকলা: প্রাচীন বাংলার শিল্পকলার নিদর্শন হিসেবে বিভিন্ন মৃৎপাত্রের অলংকরণ, টেরাকোটা নিদর্শন ও ভাস্কর্যের কথা বলা যেতে পারে। বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রত্নস্থান খননে এই ধরণের নানাবিধ প্রত্ননিদর্শন আবিষ্কার করা সম্ভব হয়েছে। অনেক সময় বিভিন্ন এলাকার পুকুর খুঁড়তে গিয়েও এমন উপকরণের দেখা মিলেছে। এগুলো থেকে প্রাচীন বাংলার শিল্পকলা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। পাশাপাশি বাংলাদেশের উয়ারী-বটেশ্বর, মহাস্থান-গড়, সোমপুর বিহার, শালবন বিহার, আনন্দ বিহার, ইটাখোলা মুড়া এবং বিহার ধাপ থেকে শিল্পকলার প্রাচীন-তম নিদর্শন হিসেবে পাওয়া গিয়েছে প্রচুর স্বল্প মূল্যবান পাথরের তৈরি পুঁতি, তাবিজ-কবজ ও লকেট। ধারণা করা হয় অ্যাগেট, কার্নেলিয়ান, কোয়ার্টজ, অ্যামেথিষ্ট জাতীয় স্বল্প-মূল্যবান পাথর পুঁতি তৈরির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়েছে।

বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত মুদ্রার প্রাথমিক নিদর্শন হিসেবে উয়ারী-বটেশ্বর ও মহাস্থানগড় থেকে পাওয়া গিয়েছে অনেক ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রা। এই মুদ্রায় উৎকীর্ণ প্রতীকগুলোকেও শিল্পকলার উপাদান হিসেবে ধরা যেতে পারে। উয়ারী বটেশ্বর থেকে পাওয়া গিয়েছে বিশেষ ধরণের যক্ষমূর্তি। মৃৎপাত্রের প্রারম্ভিক কালের নিদর্শন হিসেবে আবিষ্কৃত কৃষ্ণ-এবং-রক্তিম মৃৎপাত্র কিংবা উত্তরাঞ্চলীয় কালো মসৃণ মৃৎপাত্র নানাভাবে অলংকৃত। এখানে বৃত্তাকার কিংবা সরলরৈখিক নানা আঁচড়ের পাশাপাশি খিলানাকৃতির নকশাও দেখা যায়।

বাংলাদেশের শিল্পকলার অনন্য নিদর্শন পোড়ামাটির তৈরি মূর্তি ও ফলক-চিত্র। এখানে উপস্থাপিত দেব-দেবীর প্রতিকৃতিগুলো পাথরের ভাস্কর্যের মতোই অনেকটা ত্রিমাত্রিক। এখানে হিন্দু দেব-দেবীর মধ্যে রয়েছে ব্রহ্মা, বিষ্ণু, শিব, সূর্য, গণেশ প্রভৃতি। পাশাপাশি নানা স্থান থেকে পাওয়া গিয়েছে পোড়ামাটির তৈরি বিভিন্ন ধরনের শিবলিঙ্গ। ওদিকে পাহাড়পুর বিহার, মহাস্থানগড়, ময়নামতি, রূপবানমুড়া বিহার প্রভৃতি প্রত্নস্থল থেকে আবিষ্কৃত হয়েছে প্রচুর টেরাকোটা নিদর্শন। গাজীপুরের শ্রীপুর থেকে পাওয়া গিয়েছে পোড়ামাটির তৈরি ৮ম শতকের একটি হর-পার্বতী মূর্তি যা বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয় যাদুঘরে রক্ষিত।

বিভিন্ন দেবদেবীর মূর্তির বাইরে অনেক সাধারণ শিল্পকলার নিদর্শনও রয়েছে এখানে। তার মধ্যে বিভিন্ন প্রাণি, পাখি ও উদ্ভিদের প্রতিকৃতির দেখা মেলে। চারটি ধারাবাহিক কালপর্ব হিসেবে গুপ্ত-পূর্ব, গুপ্ত, গুপ্তোত্তর এবং পাল-সেন যুগের প্রচুর পাথরের তৈরি ভাস্কর্য পাওয়া গিয়েছে বাংলাদেশের নানা স্থান থেকে। এগুলোর মধ্যে বেশিরভাগ ছিল হিন্দু দেবী ও মহামতি বুদ্ধের বিভিন্ন মুদ্রার মূর্তি। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বোধিস্বত্ব মূর্তিও পাওয়া গিয়েছে বাংলার নানা স্থান থেকে।

প্রাচীন বাংলার ভাষা ও সাহিত্য

অস্ট্রিক ছিল বাংলার আদি অধিবাসীদের ভাষা। এ ভাষা আর্যদের আগমনের পর ধীরে ধীরে হারিয়ে যায়। আর্যদের ভাষার নাম প্রাচীন বৈদিক ভাষা। পরবর্তীকালে এ ভাষাকে সংস্কার করা হয়। পুরনো ভাষাকে সংস্কার করা হয়েছে বলে এ ভাষার নাম হয় সংস্কৃত ভাষা। অনেকে বলেন, সংস্কৃত ভাষা থেকেই বাংলা ভাষার সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আধুনিক পণ্ডিতগণ তা মেনে নেননি। প্রাচীন যুগে আর্যদের যে ভাষায় বৈদিক গ্রন্থ রচিত হয়েছিল স্থানভেদে এবং সময়ের বিবর্তনে তার অনেক পরিবর্তন ঘটে। সংস্কৃত থেকে প্রাকৃত এবং প্রাকৃত থেকে অপভ্রংশ ভাষার উৎপত্তি হয়। অপভ্রংশ ভাষা থেকে অষ্টম বা নবম শতকে বাংলা ভাষার সৃষ্টি হয়। যেমন: কৃষ্ণ > কানু > কানাই।

বাংলা ভাষার এরূপ প্রাচীনতম নিদর্শন পাওয়া যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কর্তৃক নেপাল থেকে সংগৃহীত চর্যাপদে। এ চর্যাপদগুলোর মধ্যেই বাংলা সাহিত্যের জন্ম হয়। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে চর্যাপদগুলোর মূল্য অপরিসীম।

প্রাচীন বাংলার সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাস - অন্যান্য প্রশ্ন

প্রাচীন বাংলার সামাজিক জীবনপ্রাচীন বাংলার অর্থনৈতিক অবস্থাপ্রাচীন বাংলার স্থাপত্য ও শিল্পকলাপ্রাচীন বাংলার ধর্মীয় অবস্থাপ্রাচীন বাংলার আচার-অনুষ্ঠান, উৎসব ও রীতি-নীতিআর্য সমাজের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় অঙ্গ ছিল কোনটি?প্রাচীন বাংলার মূল ক্ষমতা ছিল কাদের হাতে?প্রাচীন সমাজে কারা সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদা লাভ করত?প্রাচীন বাংলার অধ্যাপনা করা কোন বর্ণের মানুষদের কাজ ছিল?প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে নীচু শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত ছিল কারা?প্রাচীনকালে বাংলায় কত প্রকার বর্ণ ছিল?ক্ষত্রিয়দের পেশা ছিল কী?বৈশ্যদের কাজ ছিল কী?প্রাচীনকালে মেয়েরা কীভাবে শাড়ি পরত?প্রাচীনকালে পুরুষেরা কীভাবে ধুতি পড়ত?প্রাচীনকালে মেয়েরা কয় প্রকার খোপা বাঁধত?প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা কী ছিল?বারো মাসে তেরো পার্বণ অনুষ্ঠিত হতো কখন?প্রাচীন বাংলার মানুষের যাতায়াতের প্রধান বাহন ছিল কী?প্রাচীনকালে বাংলার অধিকাংশ মানুষ কোথায় বাস করত?প্রাচীন বাংলার অর্থনীতির মূল উৎস কী ছিল?বাংলাদেশের মানুষের প্রধান পেশা কী?প্রাচীন বাংলার প্রধান ফসল কী ছিল?প্রাচীনকালে কীভাবে গ্রাম গড়ে তুলত?প্রাচীনকালের মানুষ কীভাবে সংসার চালাত?বাংলা প্রাচীনকালেই বিখ্যাত হয়ে উঠেছিল কেন?প্রাচীন বাংলা কোন বস্ত্রের জন্য বিখ্যাত?কত গজ মসলিন একটি নস্যের কৌটায় ভরা যেত?প্রাচীন বাংলায় বড় বড় নৌ-বন্দর গড়ে উঠেছিল কেন?কখন বাংলায় মুদ্রার প্রচলন আরম্ভ হয়?প্রাচীনকালে বঙ্গদেশে মান হিসেবে কোনটি সবচেয়ে কম ব্যবহৃত হতো?প্রাচীনযুগে বাংলার শিল্পকলা কেমন ছিল?ফা-হিয়েন কোন দেশের নাগরিক?বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন স্থাপত্যের নিদর্শন কোনটি?সোমপুর বিহার কোন জেলায় অবস্থিত?কোন শাসন আমলে বাংলায় চিত্র শিল্পের বিকাশ শুরু হয়?সোমপুর মহাবিহার কোন যুগে নির্মিত হয়েছিল?ময়নামতি কোথায় অবস্থিত?শালবন বিহার নির্মাণ করেন কে?শালবন বিহারে কতটি কক্ষ ছিল?কুমিল্লা জেলার ময়নামতিতে যে বিহারের সন্ধান পাওয়া গেছে তার নাম কী?উয়ারী-বটেশ্বর গ্রামে কত বছরের প্রাচীন নগরের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে?সম্প্রতি বাংলাদেশে আবিষ্কৃত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের নাম কী?উয়ারী-বটেশ্বরে কত বছর পূর্বের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে?উয়ারী-বটেশ্বর কোন জেলায় অবস্থিত?উয়ারী-বটেশ্বরের অবস্থান কোন নদের অববাহিকায় ছিল?অতীশ দীপংকর কোন ধর্মের অনুসারী ছিলেন?বিক্রমপুরের প্রাচীন বজ্রযোগিনী গ্রামে বৌদ্ধবিহার কোন শতকে নির্মিত?গুপ্তযুগের মূর্তিগুলো কেমন ছিল?প পাহাড়পুরের ভাস্কর্য শিল্পকে কয় শ্রেণিতে ভাগ করা যায়?প্রাচীন বাংলার শিল্পকলার ক্ষেত্রে কোন যুগটি বেশি স্মরণীয়?প্রাচীন বাংলার শিল্পীরা যথেষ্ট দক্ষতা দেখিয়েছেন কোন ক্ষেত্রে?রামপালের রাজত্বকালে রচিত চিত্র শিল্পে শ্রেষ্ঠ নিদর্শন কী?অষ্টসাহসিকা প্রজ্ঞাপারমিতা পুঁথি কোন রাজার আমলে রচিত হয়?বাংলার চিত্রশিল্পের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন কোনটি?সুন্দরবনে প্রাপ্ত ডোম্মনপালের তাম্রশাসনের অপর পিঠে কিসের রেখাচিত্র উৎকীর্ণ রয়েছে?প্রাচীন বাংলার মানুষদের ভাষার নাম কী?বাংলায় আদি অধিবাসীদের ভাষা কী ছিল?আর্যদের ভাষার নাম কী?পরবর্তীকালে আর্যদের প্রাচীন বৈদিক ভাষার নাম সংস্কৃত করা হয় কেন?বৈদিক ভাষার পরবর্তী নাম কী ছিল?বাংলা ভাষার জন্ম হয় কোন ভাষা থেকে?বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন কী?বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন কে সংগ্রহ করেন?হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল থেকে কী সংগ্রহ করেন?এখন পর্যন্ত মোট কতটি চর্যাপদ পাওয়া গেছে?প্রাচীন বাংলার নিষাদ জাতিগোষ্ঠীর ভাষা কী ছিল?বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীন যুগের ব্যাপ্তিকাল কত?মধ্যযুগে বাংলার শাসকশ্রেণির ভাষা কী ছিল?প্রাচীন বাংলায় কোন ধর্ম প্রতিষ্ঠার পূর্বে অন্যকোনো ধর্মমত প্রচলিত ছিল না?খ্রিস্টপূর্ব কত শতক থেকেই উপমহাদেশের বৈদিক ধর্মের প্রভাব বাংলায় ছড়িয়ে পড়ে?ধর্মের ক্ষেত্রে কাদের একক কর্তৃত্ব ছিল?আর্যপূর্ব কিছু ধর্মচিন্তা বা দর্শন পরবর্তী সময়ে কোন ধর্মে ছড়িয়ে পড়ে?প্রাচীনকাল হতে জৈন সম্প্রদায়ের লোকেরা কী নামে পরিচিত হতো?পাল রাজারা কত বছর রাজত্ব করেন?পাল রাজাদের পৃষ্ঠপোষকতায় কোন ধর্ম আন্তর্জাতিক মর্যাদা লাভ করে?পাল শাসনামলে কোন ধর্মের প্রভাব প্রতিপত্তি অটুট ছিল?সোমপুর বিহারে বাস করতেন কে?শালবন বিহার কে নির্মাণ করেন?কোন আমলে ব্রাহ্মণ্য ধর্মের দাপটে বৌদ্ধধর্মের পতন ঘটে?কোন আমলে বৌদ্ধধর্মের পতন ঘটে?কোন জাতির প্রভাবের সঠিক কাল নির্ণয় করা দুরূহ ব্যাপার?কোন সময়ে বাংলায় শক্তি পূজা প্রচলিত ছিল?জৈন ধর্মের প্রবর্তক কে?নাটোরের পাহাড়পুরে একটি জৈন বিহার ছিল কত শতকে?সহজিয়া ধর্মমতে কার স্থান সবার উপরে?প্রাচীন বাংলার রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটে কাদের আমলে?মৌর্য শাসনের পূর্বে বাংলার অধিবাসীদের মধ্যে রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে ওঠেনি কেন?হিন্দুদের জাতিভেদ প্রথা ব্যাখ্যা কর।প্রাচীন বাংলার সমাজে ব্রাহ্মণদের মর্যাদা কী ছিল?প্রাচীন বাংলার সমাজে ক্ষত্রিয়দের পেশা কী ছিল?প্রাচীন বাংলার সমাজে বৈশ্যদের কাজ কী ছিল?প্রাচীন বাংলার সমাজে শূদ্রদের কাজ কী ছিল?প্রাচীন বাংলায় নারীদের সামাজিক অবস্থা কেমন ছিল?সতীদাহ প্রথা বলতে কী? সংক্ষেপে লেখ।প্রাচীন বাংলার অধিবাসীদের খাদ্যাভাস কেমন ছিল?প্রাচীন বাংলার মানুষের পোশাক পরিচ্ছদ কেমন ছিল?প্রাচীন বাংলার মানুষেরা কী কী বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করত?প্রাচীন বাংলার মানুষের খেলাধুলা সম্পর্কে লিখ।প্রাচীন বাংলার মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থা কেমন ছিল?প্রাচীন বাংলার অধিবাসীদের অধিকাংশই গ্রামে বাস করত কেন?প্রাচীন বাংলার অর্থনীতিকে কেন কৃষিনির্ভর ছিল?প্রাচীন বাংলার প্রধান ফসল কী ছিল?প্রাচীন বাংলায় কোন কোন বন্দর গড়ে ওঠে?প্রাচীন বাংলার মানুষ সমুদ্রপথে কাদের সাথে বাণিজ্য করত?বিনিময় প্রথা কাকে বলে? সংক্ষেপে লেখ।প্রাচীন বাংলার কুটির শিল্প সম্পর্কে ধারণা দাও।বিশ্বখ্যাত মসলিন কাপড়ের বর্ণনা দাও।প্রাচীন বাংলার প্রাথমিক যুগের স্থাপত্য কোথায় আবিষ্কৃত হয়েছে?প্রাচীন বাংলার কোন কোন স্থাপত্য আবিষ্কৃত হয়েছে?স্তূপস্থাপত্য কাকে বলে? সংক্ষেপে লেখ।বিহার কাকে বলে? সংক্ষেপে লেখ।পাল আমলে কোন কোন বিহার নির্মাণ করা হয়?শালবন বিহার সম্পর্কে ধারণা দাও।সোমপুর মহাবিহার কে কখন নির্মাণ করেন?পাহাড়পুরের বৌদ্ধবিহারের বর্ণনা দাও।উপমহাদেশে পাহাড়পুরের মন্দিরের গুরুত্ব অপরিসীম কেন?ভাসুবিহার সম্পর্কে ধারণা দাও।প্রাচীন বাংলার শিল্পকলার নিদর্শনগুলো লিখ।প্রাচীন বাংলার কোন কোন অঞ্চলে পোড়ামাটির ফলক ও মূর্তি আবিষ্কৃত হয়েছে?সংস্কৃতি বলতে কী বোঝায়? সংক্ষেপে লেখ।কীভাবে বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়?সংস্কৃত ভাষার উৎপত্তি হয় কীভাবে?চর্যাপদ সম্পর্কে ধারণা দাও।চর্যাপদ কে কখন কোথা থেকে সংগ্রহ করেন?প্রাচীন বাংলার ধর্মীয় অবস্থা কেমন ছিল?মানুষের স্বভাব কী?জীবন বাঁচাতে কোন তিনটি জিনিস প্রথম প্রয়োজন?জাতি হিসেবে কাদেরকে নিষাদ বলা হতো?সংকরজন কী?ব্রহ্মদেশ বর্তমানে কোন দেশ?কৌম সমাজ কী?পৌরাণিক ধর্ম কী? সংক্ষেপে লেখ।সূর্য দেবতাকে কেন পূজা করা হতো?প্রাচীন বাংলায় কী কী আচার-অনুষ্ঠান পালন করা হতো?প্রাচীন বাংলা শিশুর জন্মের পূর্বে ও পরে কী উপাচার পালন করা হতো?প্রাচীন বাংলার ধর্মশাস্ত্রে কী কী বিষয় উল্লেখ ছিল?প্রাচীন বাংলায় কী ধরনের বর্ণপ্রথা প্রচলিত ছিল?জাতিভেদ প্রথা কোন সমাজের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় অঙ্গ ছিল?প্রাচীনকালে বাংলায় কত প্রকার বর্ণ ছিল?স্বামীর চিতায় স্ত্রীকে পুড়িয়ে মারাকে কী বলা হতো?সতীদাহ প্রথা কী?প্রাচীন বাংলায় সাধারণ পুরুষদের পোশাক কী ছিল?কিসে বাঙালির উন্নত চরিত্রের কথা জানা যায়?পূর্ববঙ্গে খুব প্রিয় খাবার কী ছিল?পুরুষ-নারী উভয়ের মধ্যে কী ব্যবহারের রীতি প্রচলিত ছিল?প্রাচীন বাংলায় বারো মাসে কত পার্বণ অনুষ্ঠিত হতো?কাদের শাসনামলে বৌদ্ধ সমাজ ও সংস্কৃতিতে দুর্দশা নেমে আসে?কাকে নিরামিষ আহার করে সব ধরনের বিলাস বর্জন ও কৃচ্ছ সাধন করতে হতো?এদেশের অর্থনীতি কিসের ওপর নির্ভর করে গড়ে ওঠে?চাষ করা যায় এমন উর্বর জমিকে কী বলা হতো?কোন ধরনের জমিকে 'বাস্তু' বলা হতো?বাংলায় মুদ্রার প্রচলন শুরু হয় কখন?প্রাচীনকাল হতে বাংলা কোন কাপড়ের জন্য বিখ্যাত ছিল?বিশ্ববিখ্যাত মসিলন কাপড় কোথায় তৈরি হতো?কোন শিল্পে প্রাচীন বাংলা অত্যন্ত সমৃদ্ধ ছিল?ভারত উপমহাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন স্থাপত্যের নিদর্শন কী?কোথায় রাজা-দেব খড়গের একটি স্তূপ পাওয়া গেছে?বিহার কী?শালবন বিহার কোথায় অবস্থিত?পাহাড়পুরের বিশাল বৌদ্ধ বিহারটি ধর্মপাল কোন শতকে নির্মাণ করেন?কোথায় আবিষ্কৃত বৌদ্ধ বিহার প্রাচীন বাংলার স্থাপত্য শিল্পের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন?বাংলাদেশের স্থাপত্য শিল্পের ইতিহাসে কোনটি অমর সৃস্টি?মহাপন্ডিতাচার্য বোধিভদ্র কোথায় বাস করতেন?সোমপুর বিহার কে নির্মাণ করেন?ফা-হিয়েন কোন দেশের পর্যটক?কুমিল্লার ময়নামতি ও লালমাই পাহাড়ে পোড়ামাটির কী আবিষ্কৃত হয়েছে?কার রাজত্বকালে 'অন্টসাহসিকা প্রজ্ঞাপারমিতা' পুঁথি রচিত হয়?রাজা রামপালের রাজত্বকালে রচিত কী বাংলার চিত্র শিল্পের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন?প্রাচীন বাংলার শিল্পকলার জন্য কোন যুগ স্মরণীয়?প্রাচীন বাংলার মানুষের ভাষা কী ছিল?আর্যদের ভাষার নাম কী?কারা ছিল সুসভ্য জাতির মানুষ?কত শতকের মধ্যে আর্যরা এদেশে বসতি স্থাপন শেষ করেছিল?কোন ভাষা হতে বাংলা ভাষার সৃষ্টি হয়?কোনটিকে প্রাচীনতম বাংলা ভাষা বলা যায়?কার দ্বারা নেপাল থেকে চারটি প্রাচীন বৌদ্ধ পুঁথি সংগৃহীত হয়?মোট কতটি চর্যাপদ পাওয়া গেছে?বৌদ্ধধর্মের প্রবর্তক কে ছিলেন?পৌরাণিক ধর্ম কী?কোন পূজা কৌমের লোকদের নিকট ঐক্যের প্রতীক ছিল?কোন দুই বংশের রাজা মহারাজারা সকলেই ব্রাহ্মণ্য ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন?কারা ধর্মকর্ম পালন করার সঠিক দায়িত্ব লাভ করেন?বৈষ্ণবধর্মের সঙ্গে কী ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত?হিন্দুদের জাতিভেদ প্রথা ব্যাখ্যা কর।প্রাচীন বাংলায় নারীদের সামাজিক অবস্থা কেমন ছিল? ব্যাখ্যা কর।সতীদাহ প্রথা বলতে কী বোঝায়?প্রাচীন বাংলার মানুষের খাদ্য ব্যবস্থার বর্ণনা দাও।প্রাচীন বাংলার মানুষের পোশাক পরিচ্ছদের বর্ণনা দাও।প্রাচীন বাংলার মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা কেমন ছিল?প্রাচীন বাংলার অর্থনীতিকে কৃষিনির্ভর বলা হয় কেন?প্রাচীন বাংলার কুটির শিল্পের বর্ণনা দাও।প্রাচীন বাংলায় বাণিজ্যের প্রসার ঘটার কারণ ব্যাখ্যা কর।কার সময় হতে শিবের পরিবর্তে বিষ্ণুর স্তরের প্রচলন হয়?কারা সবচেয়ে প্রাচীন শৈব সম্প্রদায়?কারা 'নিগ্রহন্ত' নামে পরিচিত হতো?প্রাচীন বাংলায় কীসের প্রচুর ব্যবসা ছিল?উমার উপলক্ষে কোথায় বিপুল উৎসব হতো?প্রাচীন বাংলার কোন কোন অঞ্চলে পোড়ামাটির ফলক ও মূর্তি আবিষ্কৃত হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।বৌদ্ধস্তূপ কী? ব্যাখ্যা কর।পাল আমলে নির্মিত তৈরি বিহারগুলোর নাম লেখ।পাহাড়পুরের বৌদ্ধবিহারের বর্ণনা দাও।শিল্পকলার ক্ষেত্রে পাল যুগ স্মরণীয় কেন? ব্যাখ্যা কর।বাংলার সংস্কৃতি গড়ে উঠে কীভাবে?প্রাচীন বাংলার শিল্পকলার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দাও।কীভাবে বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়?বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ ব্যাখ্যা কর।সংস্কৃত ভাষার উৎপত্তি ব্যাখ্যা কর।চর্যাপদের বিবরণ দাও।চর্যাপদগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম কেন? ব্যাখ্যা কর।প্রাচীন বাংলার ধর্মীয় অবস্থা ব্যাখ্যা কর।পৌরাণিক ধর্ম বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর।সূর্য দেবতাকে কেন পূজা করা হতো? ব্যাখ্যা কর।সমাজের নিম্নস্তরে সহজিয়া ধর্মের খুব প্রভাব থাকার কারণ ব্যাখ্যা কর।প্রাচীন বাংলার আচার-অনুষ্ঠানের বর্ণনা দাও।মধ্যযুগের সূচনা হয় কীভাবে? ব্যাখ্যা কর।

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ