• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ও আমাদের বাংলাদেশ
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ও আমাদের বাংলাদেশ

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

ই-লার্নিং ও বাংলাদেশ

পৃথিবীতে জ্ঞান অর্জনের একটা সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি দীর্ঘদিন থেকে মোটামুটি একইভাবে কাজ করে আসছিল। তথ্যপ্রযুক্তির উন্নতি হওয়ার পর প্রথমবার সেই পদ্ধতির এক ধরনের পরিবর্তন হতে শুরু করেছে এবং ই-লার্নিং নামে নতুন কিছু শব্দের সাথে আমরা পরিচিত হতে শুরু করেছি। ই-লার্নিং শব্দটি ইলেকট্রনিক লার্নিং কথাটির সংক্ষিপ্ত রূপ এবং এটা বলতে আমরা পাঠদান করার জন্যে সিডি রম, ইন্টারনেট, ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক কিংবা টেলিভিশন চ্যানেল ব্যবহার করার পদ্ধতিকে বুঝিয়ে থাকি। মনে রাখতে হবে ই-লার্নিং কিন্তু মোটেও সনাতন পদ্ধতিতে পাঠদানের বিকল্প নয়, এটি সনাতন পদ্ধতির পরিপূরক। উদাহরণ দেওয়ার জন্যে বলা যায়, শ্রেণিকক্ষে বিজ্ঞানের একটা বিষয় পড়ানোর সময় অনেক কিছুই হয়তো হাতে-কলমে দেখানো সম্ভম্ব নয়। যেমন- সূর্যগ্রহণ, চন্দ্রগ্রহণ ইত্যাদি। শ্রেণিকক্ষে পাঠ দিতে দিতে শিক্ষক ইচ্ছে করলেই মাল্টিমিডিয়ার সাহায্য নিয়ে আরও সুন্দরভাবে বিষয়টির দৃশ্যমান উপস্থাপন করতে পারেন। সেটি এমনকি Interactive-ও হতে পারে।

আমরা সবাই জানি বাংলাদেশের জনগোষ্ঠী বিশাল। সে কারণে স্কুলের শিক্ষার্থী সংখ্যাও বিশাল। নানা ধরনের অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা থাকার কারণে আমাদের স্কুলগুলোতে দক্ষ শিক্ষকের অভাব রয়েছে। লেখাপড়ার জন্যে প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ বলতে গেলে নেই। ল্যাবরেটরি অপ্রতুল, ফলে হাতে-কলমে বিজ্ঞানের এক্সপেরিমেন্ট করার সুযোগ খুব কম। এই সমস্যাগুলো সমাধানের জন্যে ই-লার্নিং অনেক বড়ো একটা ভূমিকা রাখতে পারে। দক্ষ একজন শিক্ষকের পাঠদান ভিডিয়ো করে নিয়ে সেটি অসংখ্য স্কুলে বিতরণ করা যেতে পারে। একটি নির্দিষ্ট বিষয়কে বোঝানোর জন্যে অনেক ধরনের সহায়ক প্রক্রিয়া ছাত্রছাত্রীদের দেওয়া যেতে পারে। একজন শিক্ষক চাইলে নিজেই তার পাঠদানে সহায়তা করার জন্যে প্রয়োজনীয় বিষয় তৈরি করতে পারেন এবং সেটি বারবার ব্যবহার করতে পারেন। বাংলাদেশের অনেক শিক্ষকই এটি ব্যবহার করছেন।

সারা পৃথিবীতেই ই-লার্নিংয়ের জন্যে নানা উপকরণ তৈরি হতে শুরু করেছে। পৃথিবীর বড়ো বড়ো অনেক বিশ্ববিদ্যালয় অসংখ্য কোর্স অনলাইনে উন্মুক্ত করে দিয়েছে এবং যে কেউ সেই কোর্সটি গ্রহণ করতে পারে। বিষয়টি নিয়ে নানা ধরনের পরীক্ষা নিরীক্ষা হচ্ছে এবং অনেক সময়েই একজন সেই কোর্সটি নেওয়ার পর তার হোমওয়ার্ক জমা দিয়ে কিংবা অনলাইনে পরীক্ষা দিয়ে সেই কোর্সটির প্রয়োজনীয় ক্রেডিট পর্যন্ত অর্জন করতে পারছে।

আমাদের বাংলাদেশও এতে পিছিয়ে নেই। বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তিবিদরা এ ধরনের বেশ কিছু ওয়েব পোর্টাল তৈরি করেছেন এবং সারা পৃথিবী থেকে যে কেউ বাংলা ভাষায় সেই কোর্সগুলো গ্রহণ করতে পারে। বিশেষ করে কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ে প্রশিক্ষণ নেয়ার উপযোগী এই ধরনের সাইটগুলো দেশে-বিদেশে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

আমাদের দেশে উত্তম পাঠদানের সীমাবদ্ধতা দূর করার ব্যাপারে ই-লার্নিং অনেক বড়ো ভূমিকা রাখতে পারলেও আমাদের সব সময় মনে রাখতে হবে, এটি কিন্তু কোনোভাবেই প্রচলিত পাঠদানের বিকল্প নয়। প্রচলিত পাঠদানের সময় একজন শিক্ষক তাঁর শিক্ষার্থীদের সরাসরি দেখতে পারেন, তাদের সাথে কথা বলতে পারেন, শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের সাথে নানাভাবে ভাব বিনিময় করতে পারে, প্রশ্ন করতে পারে। শুধু তাই নয়, তারা পাশাপাশি একে অন্যকে সাহায্য করতে পারে, একে অন্যের সহযোগী হয়ে শিখতে পারে। ই-লার্নিংয়ের বেলায় এই বিষয়গুলো প্রায় সময়ই অনুপস্থিত থাকে, পুরো প্রক্রিয়ায় মানবিক অংশটুকু না থাকায় পদ্ধতিটা যান্ত্রিক বলে মনে হতে পারে। সে কারণে ই-লার্নিংকে সফল করতে হলে শিক্ষার্থীদের অনেক বেশি উদ্যোগী হতে হয়।

আমাদের বাংলাদেশে ই-লার্নিংয়ের অনেক বড়ো সুযোগ আছে, কারণ অনেক বড়ো বড়ো সীমাবদ্ধতা আসলে ই-লার্নিং ব্যবহার করে সমাধান করে ফেলা সম্ভব। তবে প্রচলিত ই-লার্নিংয়ের জন্যে ইন্টারনেটের স্পিড, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো এবং ই-লার্নিংয়ের শিখনসামগ্রী (materials) তৈরি করার প্রয়োজন রয়েছে। বর্তমান সরকার গুরুত্বের সাথে এ ধরনের শিখনসামগ্রী তৈরি করছে। এতে আমাদের শিক্ষার্থীরা বিশ্বমানের শিক্ষা অর্জনে সক্ষম হবে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ও আমাদের বাংলাদেশ - অনন্যা প্রশ্ন

একুশ শতক এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিকাশে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্বই-লার্নিং ও বাংলাদেশই-গভর্ন্যান্স ও বাংলাদেশই-সার্ভিস ও বাংলাদেশই-কমার্স ও বাংলাদেশবাংলাদেশের কর্মক্ষেত্রে আইসিটিসামাজিক যোগাযোগ ও আইসিটিবিনোদন ও আইসিটিবর্তমানের পৃথিবীর সম্পদ কোনটি? (জ্ঞান)একুশ শতকে এসে আমরা আরো কয়টি বিষয় শুরু করেছি? (জ্ঞান)পৃথিবীর মানুষকে এক সময় বেঁচে থাকার জন্যে পুরোপুরি কিসের উপর নির্ভর করতে হতো? (জ্ঞান)নতুন পৃথিবীর অলিখিত নিয়ম কোনটি? (জ্ঞান)শিল্প বিপ্লব কবে সংঘটিত হয়েছিল? (জ্ঞান)ভবিষ্যতে পৃথিবীর চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করবে কারা? (জ্ঞান)জ্ঞানভিত্তিক সমাজ তৈরির বিপ্লবে অংশগ্রহণে কোন দক্ষতাটি সবচেয়ে জরুরি? (জ্ঞান)আধুনিক কম্পিউটারের জনক কে? (জ্ঞান)১৯৯১ সালে লন্ডনের বিজ্ঞান জাদুঘরে ইঞ্জিন তৈরি করা হয় কার বর্ণনা অনুসারে? (জ্ঞান)১৮৪০ সালে ব্যাবেজ কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে তার ইঞ্জিন সম্পর্কে বক্তব্য দেন? (জ্ঞান)ডিফারেন্স ইঞ্জিন গণনা যন্ত্রটির আবিষ্কারক কে? (জ্ঞান)অ্যাডা লাভলেস-এর জন্ম-মৃত্যু সাল কোনটি? (জ্ঞান)অ্যাডা লাভলেস কিসে পারদর্শী ছিলেন? (জ্ঞান)কবি লর্ড বায়রনের কন্যার নাম কী? (জ্ঞান)প্রোগ্রামিং এর জনক কে? (জ্ঞান)কত সালে চার্লস ব্যাবেজের সাথে অ্যাডা লাভলেসের পরিচয় হয়? (জ্ঞান)কত সালে অ্যাডার বর্ণনাকৃত ইঞ্জিনের কাজের ধারার নোটটি প্রকাশিত হয়? (জ্ঞান)তড়িৎ চৌম্বকীয় বলের ধারণা প্রথম প্রকাশ করেন কে? (জ্ঞান)বিনা তারে বার্তা প্রেরণের সম্ভাবনাকে তুলে ধরে ম্যাক্সওয়েলের কোন ধারণাটি? (জ্ঞান)বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে তথ্য প্রেরণে প্রথম সফল বিজ্ঞানীর নাম কী? (জ্ঞান)গুগলিয়েলমো মার্কনি কোন দেশের বিজ্ঞানী ছিলেন? (জ্ঞান)বেতার যন্ত্রের আবিষ্কারক হিসেবে প্রথম কোন বিজ্ঞানীকে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়? (জ্ঞান)কোন শতকে মেইনফ্রেম কম্পিউটার তৈরি হয়? (জ্ঞান)আইবিএম কোম্পানির তৈরি প্রথম কম্পিউটারের নাম কী? (জ্ঞান)কোন দশকে ইন্টারনেট প্রটোকলের ব্যবহার শুরু হয়? (জ্ঞান)কোন প্রটোকল ব্যবহার করে আরপানেট আবিষ্কৃত হয়? (জ্ঞান)Arpanet কী? (জ্ঞান)আরপানেটে প্রথম Electronic মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনা করেন কে? (জ্ঞান)পার্সোনাল কম্পিউটারের কাজ প্রথম কোথায় শুরু হয়? (জ্ঞান)স্টিভ জবসের তৈরিকৃত প্রতিষ্ঠানটির নাম কী? (জ্ঞান)কোন প্রতিষ্ঠানটি প্রথম পার্সোনাল কম্পিউটারের বিকাশে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে? (জ্ঞান)প্রথম কোন কোম্পানি পার্সোনাল কম্পিউটারের জন্য অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করে? (জ্ঞান)মাইক্রোসফট এর স্বত্বাধিকারী কে? (জ্ঞান)কত সালে আইবিএম মাইক্রোসফটকে অপারেটিং সিস্টেম তৈরির দায়িত্ব প্রদান করে? (জ্ঞান)HTTP ব্যবহার করে তথ্য ব্যবস্থাপনার প্রস্তাবটি কে করেন? (জ্ঞান)টেলিভিশন চ্যানেল ব্যবহার করে পাঠদান করার পদ্ধতিকে কী বলা হয়? (জ্ঞান)কোনটি সনাতন পদ্ধতিতে পাঠদানের বিকল্প নয়? (জ্ঞান)পৃথিবীর অনেক বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয় তাদের অসংখ্য কোর্স কোথায় উন্মুক্ত করে দিয়েছে? (জ্ঞান)ই-লার্নিংয়ের জন্য সর্বপ্রথম এবং অবশ্য প্রয়োজনীয় উপাদান কোনটি? (জ্ঞান)শাসন ব্যবস্থায় ও প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল পদ্ধতির প্রয়োগকে কী বলা হয়? (জ্ঞান)কোন ব্যবস্থা প্রচলনের ফলে সরকারি ব্যবস্থাসমূহের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব? (জ্ঞান)জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সকল সেবা স্বল্প সময়ে কম খরচে এবং ঝামেলাহীনভাবে পাওয়ার জন্য কী চালু হয়েছে? (জ্ঞান)বর্তমানে ই-সেবা কেন্দ্র থেকে যেকোনো ধরনের সেবা পেতে কতদিন সময় লাগে? (জ্ঞান)সেবা প্রদানে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় সাশ্রয়ের পিছনে মূল কারণ কোনটি? (জ্ঞান)ই-গভর্ন্যান্সের মূল বিষয় কী? (জ্ঞান)ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সেবা প্রদানের পদ্ধতিকে কী বলে? (জ্ঞান)অনলাইন আয়কর হিসাব করার ক্যালকুলেটর কোন ধরনের সেবা? (জ্ঞান)পাঠ্যপুস্তকের ডিজিটাল সংস্করণ কোন ধরনের সেবা? (জ্ঞান)দেশের কতটি চিনিকলের সকল আখচাষি এখন এস এম এসের মাধ্যমে পূর্জি তথ্য পাচ্ছে? (জ্ঞান)দেশের চাষীরা কোন মাধ্যমে পূর্জি তথ্য পাচ্ছে? (জ্ঞান)এমটিএস সেবা কোথায় পাওয়া যায়? (জ্ঞান)ই-এমটিএস এর মাধ্যমে ১ মিনিটে সর্বোচ্চ কত টাকা পর্যন্ত পাঠানো যায়? (জ্ঞান)ই-পর্চা কোন ধরনের সেবা প্রদান করে? (জ্ঞান)ইন্টারনেটের মাধ্যমে রোগীদের সেবা দেওয়ার পদ্ধতিকে কী বলে? (জ্ঞান)অনলাইনে টিকেট কাটাকে কী বলে? (জ্ঞান)একটি দেশের বিকাশ ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে কোনটির কোনো বিকল্প নেই? (জ্ঞান)কম্পিউটারের সাহায্যে কেনা-বেচার পদ্ধতিকে কী বলে? (জ্ঞান)যেকোনো পণ্য বা সেবা বাণিজ্যের কয়টি শর্ত থাকে? (জ্ঞান)দেশে বর্তমানে কোন পদ্ধতিতে বিভিন্ন ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধের সুযোগ তৈরি হয়েছে? (জ্ঞান)E-commerce ব্যবস্থায় পণ্য প্রাপ্তির পর বিল পরিশোধ করার পদ্ধতিকে কি বলে? (জ্ঞান)ই-কমার্সে কয় ধরনের প্রতিষ্ঠান লক্ষ করা যায়? (জ্ঞান)কর্মক্ষেত্রে আইসিটির কয় ধরনের প্রভাব রয়েছে? (জ্ঞান)বর্তমানে বাংলাদেশে কর্মক্ষেত্রে কোনটির প্রভাব ও ব্যবহার লক্ষ করা যাচ্ছে? (জ্ঞান)প্রচলিত কর্মক্ষেত্রগুলোতে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণ কী? (জ্ঞান)সমাজে চলাফেরা এবং বিকাশের জন্য কোনটির প্রয়োজন? (জ্ঞান)বর্তমানে ভার্চুয়াল যোগাযোগ এবং নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষে মানুষে মিথস্ক্রিয়াকে কী বলে? (জ্ঞান)ফেসবুক তৈরির মূল উদ্দেশ্য কী? (জ্ঞান)ফেসবুকের ওয়েব অ্যাড্রেস কোনটি? (জ্ঞান)জরীপকৃত প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইট ঠিকানা নিচের কোনটি? (জ্ঞান)www.stastica.com এর রিপোর্ট এপ্রিল ২০২৪ অনুযায়ী বিশ্বে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা কত? (জ্ঞান)ফেসবুকের সাথে টুইটারের মূল পার্থক্য কোনটি? (জ্ঞান)টুইটার ব্যবহারকারীদের সর্বোচ্চ কত অক্ষরের মধ্যে তাদের মনোভাব প্রকাশ করতে হয়? (জ্ঞান)মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট কোনটি? (জ্ঞান)টুইটারের সদস্যদের টুইটবার্তাগুলো কোথায় দেখা যায়? (জ্ঞান)টুইটারের বার্তাকে কী বলা হয়? (জ্ঞান)ইনস্টাগ্রাম কী? (জ্ঞান)ইনস্টাগ্রাম কত সালে চালু হয়েছিল? (জ্ঞান)ইনস্টাগ্রামে মূলত কী শেয়ার করা হয়? (জ্ঞান)কোন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যবহারকারীগণ গল্প তৈরি করতে পারে? (জ্ঞান)ইনস্টাগ্রামে কোন ট্যাগের মাধ্যমে বিষয়বস্তু অনুসন্ধান করা যায়? (জ্ঞান)বিনোদনের জগতে নতুন দিক কয়ভাবে উন্মোচিত হয়েছে? (জ্ঞান)শুরুর দিকে কম্পিউটার আবিষ্কারের মূল উদ্দেশ্য কী ছিল? (জ্ঞান)ইন্টারনেট থেকে গান বা ভিডিও নামানোর পদ্ধতির নাম কী? (জ্ঞান)তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে বিনোদন জগতে যে নতুন বিনোদনের জন্ম হয়েছে তার নাম কী? (জ্ঞান)কোন ক্যাবলের সাথে যুক্ত হওয়ায় দেশে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান সম্ভব হচ্ছে? (জ্ঞান)IDI এর ২০২৪ সংস্করণে বাংলাদেশ ১০০ এর মধ্যে কত নম্বর পেয়েছে? (জ্ঞান)IDI সূচকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশসমূহের গড় মান কত? (জ্ঞান)IDI সূচকে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশসমূহের গড় নম্বর কত? (জ্ঞান)IDI সূচকে মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ভিয়েতনাম ও ভুটান কোন দেশের চেয়ে বেশি নম্বর পেয়ে উপরে অবস্থান করছে? (জ্ঞান)IDI সূচকে বাংলাদেশের পরে কোন দেশের অবস্থান? (জ্ঞান)ই-গভর্ন্যান্স এর মাধ্যমে সরকারের সকল কাজে কী নিশ্চিত করা যায়? (জ্ঞান)জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ই-গভর্নমেন্ট উন্নয়নের অবস্থা উপস্থাপন করার জন্য কোন সূচক ব্যবহৃত হয়? (জ্ঞান)ইনফরমেশন হাইওয়ের প্রাথমিক রূপ কোনটি? (জ্ঞান)বাংলাদেশ বিশ্বের কত তম রাষ্ট্র হিসেবে নিজস্ব স্যাটেলাইট মহাকাশে প্রেরণ করে? (জ্ঞান)

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ