• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ও আমাদের বাংলাদেশ
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ও আমাদের বাংলাদেশ

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

বিনোদন ও আইসিটি

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়নের সাথে বিনোদনের জগতে একটা নতুন দিক উন্মোচিত হয়েছে। এটি ঘটেছে দুইভাবে। প্রথমত, বিনোদনটি কীভাবে মানুষ গ্রহণ করবে সেই প্রক্রিয়াটিতে একটা মৌলিক পরিবর্তন হয়েছে। দ্বিতীয়ত, বিনোদনের ভিন্ন ভিন্ন মাধ্যমগুলোতে একটা গুণগত পরিবর্তন হয়েছে।

দেখা যাক বিনোদন গ্রহণের প্রক্রিয়ায় পরিবর্তনটি কীভাবে ঘটেছে। একটা সময় ছিল যখন বিনোদনের জন্য মানুষকে ঘরের বাইরে যেতে হতো। সিনেমা দেখতে হলে সিনেমা হলে যেতে হতো, খেলা দেখতে হলে খেলার মাঠে যেতে হতো, গান শুনতে হলে গানের জলসায় যেতে হতো। এখন এধরনের বিনোদনের জন্যে মানুষের আর ঘর থেকে বের হতে হয় না। প্রথমে রেডিও, তারপর টেলিভিশন এসেছে। তারপর এসেছে কম্পিউটার। একসময় কম্পিউটার সংযুক্ত হয়েছে ইন্টারনেটের সাথে। আমরা আবিষ্কার করেছি একজন মানুষ চার দেওয়ালের ভেতরে আবদ্ধ থেকেই পৃথিবীর প্রায় সব ধরনের বিনোদন উপভোগ করতে পারে। প্রথম যখন কম্পিউটার আবিষ্কার হয়েছিল তখন তার মূল কাজ ছিল কমপিউট বা হিসাব করা, শুধু বড়ো বড়ো প্রতিষ্ঠান বা সরকার একটা কম্পিউটারের মালিক হতে পারত।

প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সাথে কম্পিউটার সহজলভ্য হয়ে এসেছে এবং একসময় মানুষ তার নিজের ব্যক্তিগত কাজের জন্যে কম্পিউটার ব্যবহার করতে শুরু করেছে। কম্পিউটার যখন শক্তিশালী হয়েছে তখন এটি শুধু লেখালেখি বা হিসাব-নিকাশের জন্যে ব্যবহৃত না হয়ে ধীরে ধীরে বিনোদনের জন্যে ব্যবহৃত হতে শুরু করেছে। এখন সাধারণ মানুষ কম্পিউটারকে সম্ভবত সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করে বিনোদনের জন্যে। গান, চলচ্চিত্র, আলোকচিত্র সবকিছুই এখন কম্পিউটার দিয়ে করা যায়। তথ্যপ্রযুক্তির কারণে বিনোদন গ্রহণের প্রক্রিয়াটিতে যেরকম পরিবর্তন এসেছে ঠিক সেরকম পরিবর্তন এসেছে বিনোদনের বিষয়গুলোতে।

সঙ্গীতকে ডিজিটাল রূপ দেওয়ায় এখন আমরা কম্পিউটারে গান শুনতে পারি। ঠিক একইভাবে আমরা ভিডিয়ো বা চলচ্চিত্র দেখতে পারি। সিডি রম কিংবা ডিভিডি বের হওয়ার পর সেখানে বিশাল পরিমাণের তথ্য রাখা সম্ভম্বপর হয়েছে। সিনেমা হলে না গিয়ে ঘরে বসে কম্পিউটার কিংবা টেলিভিশনে ডিভিডি থেকে চলচ্চিত্র দেখা এখন খুবই সাধারণ একটা বিষয়। ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক বসানোর পর দ্রুতগতির ইন্টারনেট সহজলভ্য হতে শুরু করেছে। কাজেই এখন একজনকে আর গান শোনার জন্যে কিংবা চলচ্চিত্র দেখার জন্যে অডিয়ো সিডি বা ডিভিডির উপর নির্ভর করতে হয় না। ইন্টারনেট ব্যবহার করে সরাসরি গান বা চলচ্চিত্র উপভোগ করা সম্ভব হচ্ছে। শুধু তাই নয় রেডিও বা টেলিভিশন চ্যানেলগুলো এখন ইন্টারনেট ব্যবহার করে শোনা ও দেখা যায় এবং সেগুলো অনেক সময়েই রেকর্ড করা থাকে বলে কাউকেই আর কোনো কিছুর জন্যে নির্দিষ্ট সময় অপেক্ষা করতে হয় না, যখন যেটি দেখার ইচ্ছে করে তখনই সেটা দেখতে পারে।

তথ্যপ্রযুক্তি উন্নত হবার পর নতুন কিছু বিনোদনের জন্ম হয়েছে যেটি আগে উপভোগ করা সম্ভব ছিল না, তার একটি হচ্ছে কম্পিউটার গেম। সারা পৃথিবীতেই এখন কম্পিউটার গেমের বিশাল শিল্প তৈরি হয়েছে এবং নানা ধরনের কম্পিউটার গেমের জন্ম হয়েছে। কম্পিউটার গেমের ব্যাপক জনপ্রিয়তা দেখেই আমরা আন্দাজ করতে পারি এটি বিনোদনের অত্যন্ত সফল একটি মাধ্যম। এর সাফল্যের প্রধান একটি কারণ হচ্ছে এটি ছোটো শিশু থেকে প্রাপ্ত বয়স্ক একজন মানুষ সবাইকেই তার নিজের রুচি মাফিক আনন্দ দিতে পারে। একজন আরেক জনের সাথে কম্পিউটার গেম খেলতে পারে, কম্পিউটারের সাথে খেলতে পারে এমনকি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বাইরের কারো সাথেও খেলতে পারে। সত্যি কথা বলতে কি, অনেক ক্ষেত্রেই এই বিনোদন উপভোগের তীব্রতা এত বেশি হতে পারে যে, সেটি এক ধরনের আসক্তির জন্ম দিতে পারে এবং সে কারণে কম্পিউটার গেম উপভোগ করার ব্যাপারে সারা পৃথিবীতেই সবাইকে সতর্ক থাকার কথা বলা হচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন সৃষ্টির ব্যাপারেও এক ধরনের বড়ো ভূমিকা রেখেছে। অ্যানিমেশন বা কার্টুন তৈরি করা এক সময় অনেক কঠিন একটা বিষয় ছিল।

তথ্যপ্রযুক্তি এবং শক্তিশালী কম্পিউটারের কারণে এখন এটি অনেক সহজ হয়ে গেছে। শুধু তাই নয় সৃষ্টিশীল মানুষের সৃজনশীলতার কারণে সম্পূর্ণ নতুন এক ধরনের ব্যাপার ঘটতে শুরু করেছে। সত্যিকারের অভিনেতা অভিনেত্রী ছাড়াই গ্রাফিক্স নির্ভর চলচ্চিত্রের ডিজিটাল অভিনেতা-অভিনেত্রীর জন্ম হতে শুরু করেছে। বিখ্যাত ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রে কাল্পনিক প্রাণী ডাইনোসর কিংবা ভিন্ন জগতের প্রাণী তৈরি করার জন্যে শক্তিশালী কম্পিউটার ব্যবহার করা এখন অত্যন্ত সাধারণ একটি বিষয়।

এক কথায় আমরা বলতে পারি, তথ্যপ্রযুক্তির কারণে শুধু যে নতুন নতুন বিনোদনের জন্য নিচ্ছে তা নয়, সেই বিনোদনগুলো এখন একেবারে সাধারণ মানুষের কাছেও পৌঁছে যাচ্ছে। সবচেয়ে বড়ো কথা এটি মাত্র শুরু, ভবিষ্যতে আইসিটি নির্ভর বিনোদন কোন পর্যায়ে যাবে সেটি কল্পনা করাও অসম্ভব!

পৃথিবীর অন্য অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারের কাজটি শুরু করেছে দেরিতে। তাই অন্য অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশ যথেষ্ট পিছিয়ে আছে। অতীতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির গুরুত্ব যথাযথভাবে উপলব্ধি না করলেও বর্তমানে এটি অত্যন্ত গুরুত্ব পাচ্ছে। সাবমেরিন ক্যাবলের সাথে যুক্ত হওয়ায় আমাদের দেশে এখন দ্রুত গতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান সম্ভব হচ্ছে।

প্রযুক্তি প্রসারের একটি সুন্দর দিক রয়েছে, কোনো দেশ বা জাতির একটি নির্দিষ্ট প্রযুক্তিতে পিছিয়ে থাকলে সব সময়েই তাদের পিছিয়ে থাকতে হয় না। বড়ো বড়ো লাফ (leap frog) দিয়ে অন্যদের ধরে ফেলা যায়। তাই বাংলাদেশ তার সর্বশক্তি দিয়ে সামনে এগিয়ে অন্য দেশের সমান হবার চেষ্টা করছে।

ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (ITU) কর্তৃক প্রণীত আইসিটি ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্স (IDI) এর ২০২৪ সংস্করণে বাংলাদেশ ১০০-এর মধ্যে ৬২ নম্বর পেয়েছে। বাংলাদেশের এই স্কোরটি নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশসমূহের গড়ের (৬৪.৮) চেয়ে কম এবং এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশসমূহের গড়ের (৭৭.৩) চেয়ে অনেক কম। এই সূচকে মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ভিয়েতনাম ও ভুটান বাংলাদেশের চেয়ে বেশি নম্বর পেয়ে উপরে অবস্থান করছে আর পাকিস্তানের অবস্থান বাংলাদেশের পরে।

ই-গভর্ন্যান্স এর মাধ্যমে সরকারের সকল কাজে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যায়। জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ই-গভর্নমেন্ট উন্নয়নের অবস্থা উপস্থাপন করার জন্য ই-গভর্নমেন্ট ডেভেলপমেন্ট সূচক (E-Government Development Index) ব্যবহৃত হয়। ইন্টারনেট অ্যাক্সেস অবকাঠামো, অনলাইন পরিসেবা, টেলিযোগাযোগ সংযোগ এবং আইসিটি ব্যবহারে মানুষের সক্ষমতা ইত্যাদি বিবেচনায় ২০২৪ সালে প্রণীত এই ইনডেক্সে ১৯৩ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১০০তম। কাজেই আইসিটি ব্যবহারে বাংলাদেশকে আরও অনেক পথ এগুতে হবে।

সরকারের আগ্রহের কারণে দেশে তথ্যপ্রযুক্তির অবকাঠামো গড়ে উঠতে শুরু করেছে। সারা দেশে ফাইবার অপটিক লাইন বসিয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মাত্র এক-দেড় দশক আগেও এদেশে টেলিফোনের সংখ্যা ছিল নগণ্য। এখন নির্দ্বিধায় বলা যায় এই দেশের প্রত্যেকটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের হাতের নাগালে ফোন রয়েছে। ইউনিয়ন পর্যায়ে ইনফরমেশন সার্ভিস সেন্টার খোলা হয়েছে, প্রত্যন্ত এলাকায় পোস্ট অফিসগুলোকে ই-সেন্টারে রূপান্তরিত করে মোবাইল মানি অর্ডারের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। ইউনিয়ন ইনফরমেশন সেন্টারের সাথে সাথে ডিস্ট্রিক্ট ইনফরমেশন সেল এবং ন্যাশনাল ইনফরমেশন সেল দেশের অবকাঠামোতে একটা বড়ো সংযোজন। মোবাইল টেলিফোন দিয়ে ভর্তি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন, পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল জানা কিংবা ট্রেনের টিকিট কেনার মতো কাজগুলো নিয়মিতভাবে করা হচ্ছে।

স্কুল-কলেজে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির পাঠ সংযোজন করা হয়েছে- এই বইটি তার প্রমাণ। দেশের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার সায়েন্স পড়ানো হচ্ছে। দেশের তরুণ প্রজন্ম বিভিন্ন সফটওয়্যার কোম্পানিতে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি নিজেরা কোম্পানি গড়ে তুলছে এবং বিশাল সংখ্যক তরুণ-তরুণী ব্যক্তিগত পর্যায়ে আউটসোর্সিং করে দেশের অর্থনীতিকে মজবুত করছে।

২০১৮ সালের ১২ই মে তারিখটি আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এদিনে বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৭তম রাষ্ট্র হিসেবে তার নিজস্ব স্যাটেলাইট 'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১' মহাকাশে প্রেরণ করে। এতে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে দেশ আরও একধাপ এগিয়ে গেল। স্যাটেলাইটটি ব্যবহার করে শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি, আবহাওয়ার পূর্বভাস নানা ক্ষেত্রে সুফল পাওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অগ্রগতি লাভ করবে। টেলিভিশন সেবা ও জাতীয় নিরাপত্তার কাজেও এ স্যাটেলাইটটি ব্যবহার করা যাবে। বাংলাদেশের যেকোনো প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবেলা ও ব্যবস্থাপনায় নতুন মাত্রা যোগ হবে। এছাড়াও বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের কারণে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের সাথে সাথে প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ও সম্ভব হবে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ও আমাদের বাংলাদেশ - অনন্যা প্রশ্ন

একুশ শতক এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিকাশে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্বই-লার্নিং ও বাংলাদেশই-গভর্ন্যান্স ও বাংলাদেশই-সার্ভিস ও বাংলাদেশই-কমার্স ও বাংলাদেশবাংলাদেশের কর্মক্ষেত্রে আইসিটিসামাজিক যোগাযোগ ও আইসিটিবিনোদন ও আইসিটিবর্তমানের পৃথিবীর সম্পদ কোনটি? (জ্ঞান)একুশ শতকে এসে আমরা আরো কয়টি বিষয় শুরু করেছি? (জ্ঞান)পৃথিবীর মানুষকে এক সময় বেঁচে থাকার জন্যে পুরোপুরি কিসের উপর নির্ভর করতে হতো? (জ্ঞান)নতুন পৃথিবীর অলিখিত নিয়ম কোনটি? (জ্ঞান)শিল্প বিপ্লব কবে সংঘটিত হয়েছিল? (জ্ঞান)ভবিষ্যতে পৃথিবীর চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করবে কারা? (জ্ঞান)জ্ঞানভিত্তিক সমাজ তৈরির বিপ্লবে অংশগ্রহণে কোন দক্ষতাটি সবচেয়ে জরুরি? (জ্ঞান)আধুনিক কম্পিউটারের জনক কে? (জ্ঞান)১৯৯১ সালে লন্ডনের বিজ্ঞান জাদুঘরে ইঞ্জিন তৈরি করা হয় কার বর্ণনা অনুসারে? (জ্ঞান)১৮৪০ সালে ব্যাবেজ কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে তার ইঞ্জিন সম্পর্কে বক্তব্য দেন? (জ্ঞান)ডিফারেন্স ইঞ্জিন গণনা যন্ত্রটির আবিষ্কারক কে? (জ্ঞান)অ্যাডা লাভলেস-এর জন্ম-মৃত্যু সাল কোনটি? (জ্ঞান)অ্যাডা লাভলেস কিসে পারদর্শী ছিলেন? (জ্ঞান)কবি লর্ড বায়রনের কন্যার নাম কী? (জ্ঞান)প্রোগ্রামিং এর জনক কে? (জ্ঞান)কত সালে চার্লস ব্যাবেজের সাথে অ্যাডা লাভলেসের পরিচয় হয়? (জ্ঞান)কত সালে অ্যাডার বর্ণনাকৃত ইঞ্জিনের কাজের ধারার নোটটি প্রকাশিত হয়? (জ্ঞান)তড়িৎ চৌম্বকীয় বলের ধারণা প্রথম প্রকাশ করেন কে? (জ্ঞান)বিনা তারে বার্তা প্রেরণের সম্ভাবনাকে তুলে ধরে ম্যাক্সওয়েলের কোন ধারণাটি? (জ্ঞান)বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে তথ্য প্রেরণে প্রথম সফল বিজ্ঞানীর নাম কী? (জ্ঞান)গুগলিয়েলমো মার্কনি কোন দেশের বিজ্ঞানী ছিলেন? (জ্ঞান)বেতার যন্ত্রের আবিষ্কারক হিসেবে প্রথম কোন বিজ্ঞানীকে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়? (জ্ঞান)কোন শতকে মেইনফ্রেম কম্পিউটার তৈরি হয়? (জ্ঞান)আইবিএম কোম্পানির তৈরি প্রথম কম্পিউটারের নাম কী? (জ্ঞান)কোন দশকে ইন্টারনেট প্রটোকলের ব্যবহার শুরু হয়? (জ্ঞান)কোন প্রটোকল ব্যবহার করে আরপানেট আবিষ্কৃত হয়? (জ্ঞান)Arpanet কী? (জ্ঞান)আরপানেটে প্রথম Electronic মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনা করেন কে? (জ্ঞান)পার্সোনাল কম্পিউটারের কাজ প্রথম কোথায় শুরু হয়? (জ্ঞান)স্টিভ জবসের তৈরিকৃত প্রতিষ্ঠানটির নাম কী? (জ্ঞান)কোন প্রতিষ্ঠানটি প্রথম পার্সোনাল কম্পিউটারের বিকাশে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে? (জ্ঞান)প্রথম কোন কোম্পানি পার্সোনাল কম্পিউটারের জন্য অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করে? (জ্ঞান)মাইক্রোসফট এর স্বত্বাধিকারী কে? (জ্ঞান)কত সালে আইবিএম মাইক্রোসফটকে অপারেটিং সিস্টেম তৈরির দায়িত্ব প্রদান করে? (জ্ঞান)HTTP ব্যবহার করে তথ্য ব্যবস্থাপনার প্রস্তাবটি কে করেন? (জ্ঞান)টেলিভিশন চ্যানেল ব্যবহার করে পাঠদান করার পদ্ধতিকে কী বলা হয়? (জ্ঞান)কোনটি সনাতন পদ্ধতিতে পাঠদানের বিকল্প নয়? (জ্ঞান)পৃথিবীর অনেক বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয় তাদের অসংখ্য কোর্স কোথায় উন্মুক্ত করে দিয়েছে? (জ্ঞান)ই-লার্নিংয়ের জন্য সর্বপ্রথম এবং অবশ্য প্রয়োজনীয় উপাদান কোনটি? (জ্ঞান)শাসন ব্যবস্থায় ও প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল পদ্ধতির প্রয়োগকে কী বলা হয়? (জ্ঞান)কোন ব্যবস্থা প্রচলনের ফলে সরকারি ব্যবস্থাসমূহের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব? (জ্ঞান)জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সকল সেবা স্বল্প সময়ে কম খরচে এবং ঝামেলাহীনভাবে পাওয়ার জন্য কী চালু হয়েছে? (জ্ঞান)বর্তমানে ই-সেবা কেন্দ্র থেকে যেকোনো ধরনের সেবা পেতে কতদিন সময় লাগে? (জ্ঞান)সেবা প্রদানে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় সাশ্রয়ের পিছনে মূল কারণ কোনটি? (জ্ঞান)ই-গভর্ন্যান্সের মূল বিষয় কী? (জ্ঞান)ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সেবা প্রদানের পদ্ধতিকে কী বলে? (জ্ঞান)অনলাইন আয়কর হিসাব করার ক্যালকুলেটর কোন ধরনের সেবা? (জ্ঞান)পাঠ্যপুস্তকের ডিজিটাল সংস্করণ কোন ধরনের সেবা? (জ্ঞান)দেশের কতটি চিনিকলের সকল আখচাষি এখন এস এম এসের মাধ্যমে পূর্জি তথ্য পাচ্ছে? (জ্ঞান)দেশের চাষীরা কোন মাধ্যমে পূর্জি তথ্য পাচ্ছে? (জ্ঞান)এমটিএস সেবা কোথায় পাওয়া যায়? (জ্ঞান)ই-এমটিএস এর মাধ্যমে ১ মিনিটে সর্বোচ্চ কত টাকা পর্যন্ত পাঠানো যায়? (জ্ঞান)ই-পর্চা কোন ধরনের সেবা প্রদান করে? (জ্ঞান)ইন্টারনেটের মাধ্যমে রোগীদের সেবা দেওয়ার পদ্ধতিকে কী বলে? (জ্ঞান)অনলাইনে টিকেট কাটাকে কী বলে? (জ্ঞান)একটি দেশের বিকাশ ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে কোনটির কোনো বিকল্প নেই? (জ্ঞান)কম্পিউটারের সাহায্যে কেনা-বেচার পদ্ধতিকে কী বলে? (জ্ঞান)যেকোনো পণ্য বা সেবা বাণিজ্যের কয়টি শর্ত থাকে? (জ্ঞান)দেশে বর্তমানে কোন পদ্ধতিতে বিভিন্ন ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধের সুযোগ তৈরি হয়েছে? (জ্ঞান)E-commerce ব্যবস্থায় পণ্য প্রাপ্তির পর বিল পরিশোধ করার পদ্ধতিকে কি বলে? (জ্ঞান)ই-কমার্সে কয় ধরনের প্রতিষ্ঠান লক্ষ করা যায়? (জ্ঞান)কর্মক্ষেত্রে আইসিটির কয় ধরনের প্রভাব রয়েছে? (জ্ঞান)বর্তমানে বাংলাদেশে কর্মক্ষেত্রে কোনটির প্রভাব ও ব্যবহার লক্ষ করা যাচ্ছে? (জ্ঞান)প্রচলিত কর্মক্ষেত্রগুলোতে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণ কী? (জ্ঞান)সমাজে চলাফেরা এবং বিকাশের জন্য কোনটির প্রয়োজন? (জ্ঞান)বর্তমানে ভার্চুয়াল যোগাযোগ এবং নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষে মানুষে মিথস্ক্রিয়াকে কী বলে? (জ্ঞান)ফেসবুক তৈরির মূল উদ্দেশ্য কী? (জ্ঞান)ফেসবুকের ওয়েব অ্যাড্রেস কোনটি? (জ্ঞান)জরীপকৃত প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইট ঠিকানা নিচের কোনটি? (জ্ঞান)www.stastica.com এর রিপোর্ট এপ্রিল ২০২৪ অনুযায়ী বিশ্বে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা কত? (জ্ঞান)ফেসবুকের সাথে টুইটারের মূল পার্থক্য কোনটি? (জ্ঞান)টুইটার ব্যবহারকারীদের সর্বোচ্চ কত অক্ষরের মধ্যে তাদের মনোভাব প্রকাশ করতে হয়? (জ্ঞান)মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট কোনটি? (জ্ঞান)টুইটারের সদস্যদের টুইটবার্তাগুলো কোথায় দেখা যায়? (জ্ঞান)টুইটারের বার্তাকে কী বলা হয়? (জ্ঞান)ইনস্টাগ্রাম কী? (জ্ঞান)ইনস্টাগ্রাম কত সালে চালু হয়েছিল? (জ্ঞান)ইনস্টাগ্রামে মূলত কী শেয়ার করা হয়? (জ্ঞান)কোন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যবহারকারীগণ গল্প তৈরি করতে পারে? (জ্ঞান)ইনস্টাগ্রামে কোন ট্যাগের মাধ্যমে বিষয়বস্তু অনুসন্ধান করা যায়? (জ্ঞান)বিনোদনের জগতে নতুন দিক কয়ভাবে উন্মোচিত হয়েছে? (জ্ঞান)শুরুর দিকে কম্পিউটার আবিষ্কারের মূল উদ্দেশ্য কী ছিল? (জ্ঞান)ইন্টারনেট থেকে গান বা ভিডিও নামানোর পদ্ধতির নাম কী? (জ্ঞান)তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে বিনোদন জগতে যে নতুন বিনোদনের জন্ম হয়েছে তার নাম কী? (জ্ঞান)কোন ক্যাবলের সাথে যুক্ত হওয়ায় দেশে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান সম্ভব হচ্ছে? (জ্ঞান)IDI এর ২০২৪ সংস্করণে বাংলাদেশ ১০০ এর মধ্যে কত নম্বর পেয়েছে? (জ্ঞান)IDI সূচকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশসমূহের গড় মান কত? (জ্ঞান)IDI সূচকে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশসমূহের গড় নম্বর কত? (জ্ঞান)IDI সূচকে মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ভিয়েতনাম ও ভুটান কোন দেশের চেয়ে বেশি নম্বর পেয়ে উপরে অবস্থান করছে? (জ্ঞান)IDI সূচকে বাংলাদেশের পরে কোন দেশের অবস্থান? (জ্ঞান)ই-গভর্ন্যান্স এর মাধ্যমে সরকারের সকল কাজে কী নিশ্চিত করা যায়? (জ্ঞান)জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ই-গভর্নমেন্ট উন্নয়নের অবস্থা উপস্থাপন করার জন্য কোন সূচক ব্যবহৃত হয়? (জ্ঞান)ইনফরমেশন হাইওয়ের প্রাথমিক রূপ কোনটি? (জ্ঞান)বাংলাদেশ বিশ্বের কত তম রাষ্ট্র হিসেবে নিজস্ব স্যাটেলাইট মহাকাশে প্রেরণ করে? (জ্ঞান)

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ