• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ ও সাইবার নিরাপত্তা
কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ ও সাইবার নিরাপত্তা

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

ডেস্কটপ কম্পিউটারের কিছু সাধারণ সমস্যা ও সমাধান

ক্রমিক
১.
সমস্যা
সাধারণ সমাধান
সিস্টেম চালু হচ্ছে না
১. মেইন পাওয়ার ক্যাবলের সংযোগটি loose বা ঢিলে কিনা দেখতে হবে।
২. মেইন বোর্ডে পাওয়ার আসছে কিনা দেখতে হবে।
৩. মেইন বোর্ডে যদি পাওয়ার না আসে পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট পরিবর্তন করতে হবে।
৪. স্থানীয় কোনো সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে অভিজ্ঞ কাউকে দেখতে হবে।
২.
৩.
সিস্টেম সঠিকভাবে চলছে কিন্তু মনিটরে কিছু দেখা যাচ্ছে না।
১. মনিটরের বাতি জ্বলছে কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে। যদি বাতি জ্বলে তাহলে মনিটরের ডেটা ক্যাবলটি পরীক্ষা করতে হবে এবং ক্যাবলটি খোলা বা লুজ থাকলে তা সঠিকভাবে লাগাতে হবে।
২. সিস্টেমটি বন্ধ কর এবং মেইন সিস্টেম থেকে পাওয়ার ক্যাবলটি খুলে ফেলতে হবে (সতর্কতার জন্য)।
৩. মেমোরি স্লট থেকে সকল র‍্যাম (Ram) সরিয়ে ফেল।
৪. একটি ইরেজার (rubber) দিয়ে র‍্যাম-এর কানেক্টরগুলোকে ঘষে পরিষ্কার করতে হবে।
৫. শক্ত ব্রাশ দিয়ে সবগুলো র‍্যাম স্লটকে পরিষ্কার করতে হবে।
৬. র‍্যাম ইনস্টল না করে কম্পিউটারটি চালু কর এবং কোনো beep সাউন্ড হয় কিনা খেয়াল করতে হবে।
৭. যদি beep সাউন্ড শুনতে পাও তবে কম্পিউটার বন্ধ করে র‍্যাম ইনস্টল করে কম্পিউটারটি চালু করতে হবে।
৮. যদি কোনো beep সাউন্ড হয় তবে বুঝতে হবে র‍্যামটি সমস্যাযুক্ত।
৯. এবারও display না আসলে নতুন র‍্যাম লাগাতে হবে।
১০. র‍্যামকে প্রতিস্থাপন করে আবার চেক কর। অধিকাংশ ক্ষেত্রে display না হওয়ার কারণ র‍্যাম-এর সমস্যা। শেষ পর্যন্ত সমাধান না হলে স্থানীয় কোনো সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে অভিজ্ঞ কাউকে দেখাতে হবে।
সিস্টেম অত্যন্ত গরম হয়ে যায় এবং অস্বাভাবিকভাবে হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়।
১. কেসিং টি খোল।
২. মাদারবোর্ড থেকে সতর্কতার সাথে CPU তথা প্রসেসর ফ্যানটি সরাতে হবে। কিন্তু প্রসেসর সরানো যাবে না।
৩. হয়ত দেখবে ভেতরে বা Heat sink-এ প্রচুর ধুলোবালি জমে আছে, যা বায়ু চলাচলকে বাধাগ্রস্থ করছে। ফলে CPU ঠান্ডা হতে পারছে না।
8. Heat sink এবং ফ্যানটিকে ভালোভাবে পরিষ্কার করে পুনরায় ইনস্টল কর। এবার কেবিনেটটি বন্ধ করে কম্পিউটারটি চালু করতে হবে।
৫. সমাধান না হলে স্থানীয় কোনো সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে অভিজ্ঞ কাউকে দেখাতে হবে।
ক্রমিক
সমস্যা
সাধারণ সমাধান
8.
কোনোরূপ উত্তপ্ত হওয়া ছাড়াই কম্পিউটারটি কয়েক মিনিট পরপর shutdown হয়ে যাচ্ছে।
১. সতর্কতার সাথে মাদারবোর্ডটি ভালো করে দেখে নাও। লিকযুক্ত বা ত্রুটিপূর্ণ ক্যাপাসিটির উপর থেকে খুলে আসছে এরূপ চোখে পড়ে কিনা খেয়াল কর। এক্ষেত্রে ক্যাপাসিটরকে ভালো করে লাগিয়ে নিলেই সমস্যার সমাধান পাওয়া যাবে।
২. খুব সতর্কতার সাথে চালু অবস্থায় কম্পিউটারটি খেয়াল কর কোনো IC বা কম্পোন্যান্ট অতিরিক্ত তাপ উৎপাদন করছে কিনা। তবে সাবধান, বোর্ডটা যেন shorted না হয়ে যায়। যদি তেমন হয় তবে মেরামতের জন্য তোমার নিকটস্থ সার্ভিস সেন্টারে যাওয়া ছাড়া উপায় নেই।
৫.
উইন্ডোজ রান করার ১ সময় আটকে বা হ্যাং/hang হয়ে যায়।
. আপগ্রেড এন্টিভাইরাস চালিয়ে হার্ডডিস্কে কোনো প্রকার ভাইরাস আছে কিনা চেক করে ক্লিন করে নিতে হবে।
২. হার্ডডিস্ক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ডাটা অন্যত্র ব্যাকআপ নিয়ে হার্ডডিস্কের "C" ড্রাইভ ফরম্যাট করে নতুন করে উইন্ডোজ ইনস্টল করতে হবে। কাজটি সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে অভিজ্ঞ কাউকে দিয়ে করানো ভালো।
৬.
পাওয়ার অন করলে display আসার পর কম্পিউটার hang হয়ে যায়।
১. প্রথম ধাপ কম্পিউটারের পাওয়ার অফ কর এবং কেসিংয়ের একপার্শ্বে খুলে হার্ডডিস্ক, সিডিরম কিংবা ডিভিডি-এর সাথে সংযুক্ত ডাটা ক্যাবল এবং পাওয়ার ক্যাবলসমূহ সাবধানে খুলে ফেল এবং এগুলো পর্যায়ক্রমে স্ব স্ব স্থানে যথাযথভাবে সংযোগ দিয়ে পুনরায় কম্পিউটার চালু করে দেখ। যদি সমস্যা থেকে যায় তাহলে-
২. দ্বিতীয় ধাপ: মাদারবোর্ড থেকে RAM, Processor, Power supply connection প্রত্যেকটি আলাদাভাবে পরীক্ষা করে দেখতে হবে কোনো প্রকার ত্রুটি কিংবা ক্যাবল কানেকশনের সংযোগস্থলে লুজ আছে কিনা? এরপরও যদি একই সমস্যা থাকে তাহলে-
৩. তৃতীয় ধাপ: অন্য একটি ভালো কম্পিউটার থেকে প্রসেসর র‍্যাম, হার্ডডিস্ক এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি এই মাদারবোর্ডে ব্যবহার করে পরীক্ষা করে দেখতে হবে মাদারবোর্ডটি ঠিক আছে কিনা। যদি ঠিক না থাকে তাহলে মাদারবোর্ড বদলিয়ে ফেলতে হবে। কাজটি সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে অভিজ্ঞ কাউকে দিয়ে করাতে হবে।
নোট: অনেক সময় কেসিংয়ের পিছনে মাদারবোর্ডটির কীবোর্ড এবং মাউস পোর্টের সংযোগ লুজ থাকলেও এ ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে যথাযথভাবে সংযোগ দিতে হবে।

ক্রমিক
৭.
সমস্যা
কম্পিউটার ঘন ঘন হ্যাং করে বা রিবুট/রিস্টার্ট হয়ে যায়।

সাধারণ সমাধান
. কম্পিউটারের সিপিইউর উপর সংযুক্ত কুলিং ফ্যানটি না ঘুরলে কিংবা পর্যাপ্ত ঠান্ডা করতে না পারলে এ ধরনের সমস্যা হতে পারে। সেক্ষেত্রে কম্পিউটারের পাওয়ার অফ করে কেসিং খুলে কুলিং ফ্যানটিকে ভালোভাবে চেক করে প্রয়োজনে নতুন কুলিং ফ্যান স্থাপন করে নাও। এছাড়াও কম্পিউটার চলাকালীন তোমার সিপিইউর পিছনে কেসিং-এর ফ্যানটি ঘুরে কিনা তাও চেক করতে হবে।
২. কম্পিউটারে ভাইরাস থাকলেও এ ধরনের সমস্যা হতে পারে। তাই আপগ্রেড এন্টিভাইরাস দ্বারা কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ড্রাইভের প্রতিটি ড্রাইভ ক্লিন করে নিতে হবে। এছাড়া অনেক সময় নতুন সফ্টওয়্যার বা প্রোগ্রাম লোড করার কারণেও এটি হতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রোগ্রামটি আনইনস্টল করে দেখা যেতে পারে।
৮.
৩৮
কম্পিউটারের মেটাল অংশে স্পর্শ বা হাত লাগলে শক্ করে।
১. কম্পিউটারের গায়ে তথা মেটাল অংশে স্পর্শ করলে যদি শক্ করে তাহলে বুঝতে হবে কম্পিউটারটি আর্থিং করা নেই। সেক্ষেত্রে একজন পারদর্শী ইলেকট্রিশিয়ান দ্বারা যথাযথভাবে আর্থিং করিয়ে নিতে হবে।
৯.
কম্পিউটারের তারিখ এবং সময় ঠিক থাকে না।
১. মাদারবোর্ডে সংযুক্ত CMOS (Complementary Metal-Oxide Semiconductor) এর ব্যাটারিটি কার্যক্ষমতা হারালে এটি ঘটে। এক্ষেত্রে একটি নতুন অনুরূপ ব্যাটারি মাদারবোর্ডে লাগিয়ে দিতে হবে।
অথবা
বায়োসের কোনো অপশন পরিবর্তন করলে তা সেভ হয় না।
১০.
Boot Disk Failure or Hard Disk Not Found মেসেজ দেখায়।
১. কম্পিউটারের পাওয়ার বন্ধ করে কেসিং খুলে মাদারবোর্ড এবং হার্ডডিস্ক ড্রাইভের সাথে সংযুক্ত ডেটা ক্যাবল এবং পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট থেকে হার্ডডিস্কে সংযুক্ত পাওয়ার ক্যাবলটির সংযোগস্থলে কোনো লুজ আছে কিনা তা প্রত্যক্ষ করে সঠিকভাবে কানেক্ট করতে হবে।
২. হার্ডডিস্কের পিছনের জাম্পার সেটিং ডায়াগ্রাম অনুসরণ করে ড্রাইভটির জাম্পার সেটিং ঠিক আছে কিনা তা দেখে সঠিকভাবে জাম্পার সেটিং করতে হবে।
৩. কম্পিউটার চালিয়ে বায়োসে প্রবেশ করে হার্ডডিস্ক ড্রাইভটিকে বায়োসের অপশন থেকে অটো কিংবা ম্যানুয়ালি ডিটেক্ট করে কিনা তা দেখ। যদি সমস্যা সমাধান না হয় তাহলে অন্য একটি ভালো কম্পিউটারে তোমার হার্ডডিস্কটিকে লাগিয়ে দেখ হার্ডডিস্কটি কাজ করে কিনা? যদি কাজ না করে তাহলে নিশ্চিন্তে অন্য একটি হার্ডডিস্ক ক্রয় করে কম্পিউটারের সাথে লাগিয়ে প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ইনস্টল করে ফেল। কাজটি অবশ্যই অভিজ্ঞ কাউকে দিয়ে করাতে হবে।


ক্রমিক
সমস্যা
সাধারণ সমাধান
১১.
Out of Memory or Not Enough Memory মেসেজ দেখায়।
১. সাধারণত কম্পিউটারের অতিরিক্ত প্রোগ্রাম ইনস্টল করতে গিয়ে কিংবা একাধিক প্রোগ্রাম একসাথে ওপেন করে কাজ করতে গেলে এ ধরনের ম্যাসেজ প্রদর্শিত হয়।
২. কম্পিউটারে অতিরিক্ত প্রোগ্রাম ইনস্টল করার মতো পর্যাপ্ত মেমোরি না থাকলে এ ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এ সমস্যা দূর করার জন্য মাদারবোর্ডে অধিক র‍্যাম ব্যবহার করতে হবে।
১২.
কীবোর্ড কাজ করছে ১. না
কম্পিউটারটি বন্ধ করে কীবোর্ডটি পোর্টের সাথে যথাযথভাবে সংযোগ করা আছে কিনা সে বিষয়টি লক্ষ করতে হবে।
২. যদি সংযোগ না থাকে কিংবা লুজ থাকে তাহলে ভালোভাবে সংযোগ দিয়ে পুনরায় কম্পিউটার চালু করে দেখতে হবে।
৩. এন্টিভাইরাস দ্বারা ভাইরাস ক্লিন করে দেখতে হবে।
৪. এরপরও যদি কীবোর্ড কাজ না করে তাহলে নতুন কীবোর্ড লাগিয়ে নিতে হবে।
১৩.
মাউস ডিটেক্ট করে না কিংবা মাউস কাজ করে না
১. কম্পিউটারের সাথে মাউসের ক্যাবল সংযোগ ঠিক আছে কিনা দেখ এবং ভালোভাবে লাগিয়ে পুনরায় পরীক্ষা করতে হবে।
২. পোর্ট পরিবর্তন করে দেখতে হবে।
৩. অন্য একটি ভালো মাউস পোর্টে লাগিয়ে দেখতে হবে।
৪. বায়োসে প্রবেশ করে দেখ মাউস ডিজ্যাবল করা আছে কিনা? যদি থাকে এনাবল করে দিয়ে সেভ করে বায়োস থেকে বের হয়ে আসতে হবে।
৫. এরপরও যদি সমস্যা সমাধান না হয় তাহালে ভালো একটি মাউস লাগিয়ে নাও। সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।
১৪.
মনিটরে কোনো পাওয়ার নেই।
১. পাওয়ার বোতাম (বা সুইচ) চালু আছে কিনা।
২. AC পাওয়ার কর্ডটি মনিটরের পেছনে এবং পাওয়ার আউটলেটে ভালোভাবে সংযুক্ত আছে কিনা নিশ্চিত হতে হবে।
১৫.
মনিটরের পাওয়ার অন/চালু কিন্তু পর্দায় কোনো ছবি নেই।
১. মনিটরের সাথে সরবরাহকৃত ভিডিও ক্যাবলটি কম্পিউটারের পেছনে মজবুতভাবে লাগানো হয়েছে কিনা নিশ্চিত হতে হবে। যদি ভিডিও ক্যাবলের অপর প্রান্তটি সস্থায়ীভাবে মনিটরের সাথে যুক্ত না থাকে, তাহলে এটিকে দৃঢ়ভাবে লাগিয়ে দিতে হবে।
২. ব্রাইটনেস (brightness) এবং কন্ট্রাস্ট (contrast) ঠিক করে দেখতে হবে।
ক্রমিক
সমস্যা
সাধারণ সমাধান
১৬.
প্রিন্টারে প্রিন্ট হচ্ছে ১ না।
. সঠিক মডেলের প্রিন্টার নির্বাচন করা হয়েছে কিনা হয়েছে কিনা তা দেখতে হবে।

. প্রিন্টারের সাথে পাওয়ার ক্যাবলটি সংযুক্ত আছে কিনা দেখতে হবে।
৩.
প্রিন্টার অন/চালু করা আছে কিনা দেখতে হবে।
৪. কম্পিউটারের সাথে প্রিন্টারের ডেটা ক্যাবল সংযুক্ত আছে কিনা দেখতে হবে।

. প্রিন্টারের ভিতরে কোনো প্রকার কাগজ কিংবা অন্য কোনো কিছু অটিকে আছে কিনা তা প্রিন্টার খুলে ভালোভাবে পরীক্ষা করতে হবে।

. প্রিন্টারের কার্টিজে কালি আছে কিনা তা দেখ অথবা প্রিন্টার থেকে কার্টিজটি খুলে ভালোভাবে নেড়ে পুনরায় কার্টিজটিকে যথাযথ স্থানে স্থাপন করে দেখতে হবে।

. প্রিন্টার চালু করার সাথে সাথে যদি লাল কিংবা ব্লিংকিং হলুদ বাতি জ্বলতে থাকে তাহলে প্রিন্টারের রিসেট বাটনে চাপ দিতে হবে।
৮. যদি সমস্যা সমাধান না হয় তাহলে নতুন করে প্রিন্টারের সাথে সরবরাহকৃত ড্রাইভার সফ্টওয়্যারটি ইনস্টল করতে হবে।
৯.
হার্ডওয়‍্যারে অভিজ্ঞ কোনো ব্যক্তির সাথে পরামর্শ করতে হবে।

কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ ও সাইবার নিরাপত্তা - অনন্যা প্রশ্ন

কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণকম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণে সফটওয়্যারের গুরুত্বকম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণে সফটওয়্যারের গুরুত্বসফটওয়্যার ইনস্টলেশন ও আনইনস্টলেশনসফটওয়্যার আনইনস্টলেশনসফটওয়্যার ডিলিটতথ্যের নিরাপত্তা ও সাইবার ঝুঁকিসাইবার অপরাধহ্যাকিং (Hacking)ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক (Brute Force Attack)ডেটা ইন্টারসেপশন (Data Interception)ডি ডস আক্রমণ (DDoS-Distributed Denial of Service)সাইবার বুলিং (Cyber bullying)ফেইক নিউজইন্টারনেট ব্যবহারে নিরাপত্তা কৌশলটু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন (2FA)কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহারে আসক্তিকম্পিউটার গেমে আসক্তিসামাজিক নেটওয়ার্কে আসক্তিআসক্তি থেকে মুক্ত থাকার উপায়পাইরেসিকপিরাইট আইনের প্রয়োজনীয়তাতথ্য অধিকার ও নিরাপত্তাসাধারণ ট্রাবলশুটিংডেস্কটপ কম্পিউটারের কিছু সাধারণ সমস্যা ও সমাধানকম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ বলতে কী বুঝায়?কম্পিউটারের জন্য বাইরের নিয়ামকগুলো কীভাবে ক্ষতিকর?প্রতিরোধমূলক রক্ষণাবেক্ষণ কী? ব্যাখ্যা কর।সংশোধনমূলক রক্ষণাবেক্ষণ কী? ব্যাখ্যা কর।কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণে আর্থিং কেন প্রয়োজন?কম্পিউটারের আশেপাশে ধাতব বা চৌম্বক পদার্থ রাখা যাবে না কেন?ল্যাপটপ ধীরগতির হওয়ার কারণ কী হতে পারে?কম্পিউটার ধীরগতির হওয়ার প্রধান কারণগুলো কী কী?মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের জন্য সফটওয়‍্যার রক্ষণাবেক্ষণে কী করণীয়?কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণের গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।ভাইরাসের প্রভাবে কম্পিউটারে কী সমস্যা হয়?সফটওয়্যার আপডেটের প্রয়োজনীয়তা কী?কম্পিউটারের কাজ করার গতি বজায় রাখার জন্য কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে?অপ্রতুল রক্ষণাবেক্ষণের ফলে কী ঘটতে পারে?টেম্পোরারি ফাইল কীভাবে কম্পিউটারের গতি কমিয়ে দেয়?ক্যাশ মেমোরি পরিষ্কার করা কেন প্রয়োজন?এন্টি ভাইরাস, এন্টি ম্যালওয়্যার ও এন্টি স্পাইওয়্যার সফটওয়্যার ব্যবহারের গুরুত্ব কী?ডিস্ক ক্লিনআপ ও ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্টার কীভাবে কাজ করে?বিনামূল্যে এন্টিভাইরাস সফটওয়‍্যার ব্যবহার কীভাবে সম্ভব?আইসিটি যন্ত্র কেনার পর কীভাবে সফটওয়‍্যার ইনস্টল করা হয়? অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়‍্যার ইনস্টল করতে কী প্রয়োজন?সফটওয়‍্যার ইনস্টল করার আগে কোন বিষয়গুলো লক্ষ রাখা উচিত?সফটওয়‍্যার ইনস্টল করতে কোন মাধ্যম ব্যবহার করা হয়?Auto run প্রোগ্রাম কীভাবে কাজ করে?সফটওয়‍্যার ইনস্টলেশনে Auto run সফটওয়‍্যারটি কী ভূমিকা পালন করে?ইনস্টলেশনের সময় অন্য কাজ বন্ধ রাখা কেন জরুরি?সফটওয়‍্যার আনইনস্টল না করলে কী হতে পারে?অপ্রয়োজনীয় সফটওয়‍্যার যন্ত্রে রেখে দেওয়ার সমস্যা কী?অ্যান্ড্রয়েড চালিত যন্ত্রে সফটওয়্যার কীভাবে আনইনস্টল করা হয়?সফটওয়্যার আনইনস্টল করার ধাপসমূহ লেখ।অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার কীভাবে আনইনস্টল প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে?

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ