• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • আকাইদ ও নৈতিক জীবন
আকাইদ ও নৈতিক জীবন

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

আসমানি কিতাব

কিতাব শব্দের অর্থ লিপিবদ্ধ বা লিখিত বস্তু। এর প্রতিশব্দ হলো গ্রন্থ, পুস্তক, বই ইত্যাদি। আসমানি কিতাব হলো এমন গ্রন্থ যা আল্লাহ তায়ালা থেকে অবতীর্ণ হয়েছে।

ইসলামি পরিভাষায়, যেসব কিতাব আল্লাহ তায়ালা মানবজাতির হিদায়াতের জন্য দিকনির্দেশনা স্বরূপ নাজিল করেছেন তাকে আসমানি কিতাব বলে। অন্যকথায় আল্লাহ তায়ালার বাণী সম্বলিত গ্রন্থাবলিকে আসমানি কিতাব বলা হয়। সুতরাং আসমানি কিতাব হলো আল্লাহর বাণীসমষ্টি। আল্লাহ তায়ালা জিবরাইল (আ.)-এর মাধ্যমে তাঁর বাণী রাসুলগণের নিকট প্রেরণ করেছেন। অতঃপর নবি-রাসুলগণ তা মানুষের নিকট পৌঁছে দিয়েছেন ।

আসমানি কিতাবের বিষয়বস্তু

আল্লাহ তায়ালা আসমানি কিতাবসমূহে নানা বিষয়ের আলোচনা উপস্থাপন করেছেন । যেমন-

  • আল্লাহ্ তায়ালার সত্তাগত পরিচয় ।
  • আল্লাহ তায়ালার গুণাবলির বর্ণনা ।
  • নবি-রাসুলগণের বর্ণনা ।
  • পূর্ববর্তী জাতিসমূহের বিবরণ ।
  • অবাধ্য ও কাফিরদের পরিণতির বিবরণ।
  • হালাল-হারামের বর্ণনা ।
  • বিধি-বিধান সংক্রান্ত বিবরণ ।
  • শাস্তি ও সতর্কীকরণ বিষয়ে আলোচনা ।
  • উপদেশ ও সুসংবাদ সম্পর্কে বিবরণ ।
  • আকিদা সংক্রান্ত বিষয়সমূহের বিবরণ ।
  • পরকাল সংক্রান্ত বিষয়সমূহের বিবরণ ইত্যাদি।

প্রসিদ্ধ আসমানি কিতাবসমূহ

আল্লাহ তায়ালা সর্বমোট ১০৪ খানা আসমানি কিতাব নাজিল করেছেন। এর মধ্যে ৪ (চার) খানা বড় ও প্রসিদ্ধ এবং ১০০ খানা ছোট কিতাব। ছোট কিতাবগুলোকে সহিফা বলা হয়। বড় চারখানা কিতাব চারজন প্রসিদ্ধ রাসুলের উপর নাজিল হয়। এগুলো হলো-

১. তাওরাত - হযরত মুসা (আ.)-এর উপর নাজিল হয়েছে।
২. যাবুর - হযরত দাউদ (আ.)-এর উপর নাজিল হয়েছে।
৩. ইঞ্জিল - হযরত ঈসা (আ.)-এর উপর নাজিল হয়েছে।
৪. কুরআন - বিশ্বনবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর উপর নাজিল হয়েছে।

আর ১০০ খানা সহিফা মোট চারজন নবির উপর নাজিল হয়। এঁরা হলেন-

  • হযরত আদম (আ.)। তাঁর উপর ১০ খানা সহিফা নাজিল হয়েছে।
  • হযরত শিস (আ.)। তাঁর উপর ৫০ খানা সহিফা নাজিল হয়েছে।
  • হযরত ইবরাহিম (আ.)। তাঁর উপর ১০ খানা সহিফা নাজিল হয়েছে।
  • হযরত ইদরিস (আ.)। তাঁর উপর ৩০ খানা সহিফা নাজিল হয়েছে।

আসমানি কিতাবে বিশ্বাসের গুরুত্ব

আসমানি কিতাবসমূহে বিশ্বাস স্থাপন করা ইমানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় । আসমানি কিতাবসমূহে বিশ্বাস স্থাপন না করলে ইমানের মূল বিষয়ই নড়বড়ে হয়ে যায়। কেননা আসমানি কিতাবগুলোর মাধ্যমেই মানুষ আল্লাহ তায়ালা, নবি-রাসুল, ফেরেশতা, পরকাল ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে পেরেছে। এসব বিষয় সম্পর্কে পবিত্র আল-কুরআনের মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি। যদি কেউ আসমানি কিতাবসমূহ ও তাতে বর্ণিত বিষয়সমূহে অবিশ্বাস করে তবে স্বভাবতই সে ইমানের অন্যান্য বিষয়গুলোও অস্বীকার করে ।

সুতরাং ইমান আনার জন্য আসমানি কিতাবসমূহের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা অপরিহার্য । অন্যথায় পূর্ণ মুমিন হওয়া যায় না । আসমানি কিতাবসমূহ হলো সকল জ্ঞান ও বিজ্ঞানের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উৎস। এর মাধ্যমেই আমরা সৃষ্টিজগৎ, মানবসৃষ্টি, পরকাল ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে জানতে পারি। মানব জীবনে চলার পথ সম্পর্কে সঠিক দিকনির্দেশনা আসমানি কিতাবসমূহেই পাওয়া যায়। আসমানি কিতাবসমূহে বিশ্বাসই এসব বিষয়কে আমাদের বাস্তবজীবনে অনুশীলনের অনুপ্রেরণা দেয় ।

সর্বশেষ আসমানি কিতাব 'আল-কুরআন'

আল-কুরআন আল্লাহ তায়ালার বাণী । মানবজাতির হিদায়াতের লক্ষ্যে আল্লাহ তায়ালা হযরত জিবরাইল (আ.)-এর মাধ্যমে সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর উপর এ কিতাব নাজিল করেন । আল-কুরআনই হলো সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ আসমানি কিতাব ।

নবি করিম (স.)-এর ৪০ বছর বয়সে হেরাগুহায় ধ্যানমগ্ন থাকাবস্থায় সর্বপ্রথম সূরা আলাকের প্রথম ৫টি আয়াত নাজিল হয়। এভাবে পবিত্র কুরআন নাজিল শুরু হয়। অতঃপর রাসুল (স.)-এর নবুয়তের ২৩ বছরে অল্প অল্প করে প্রয়োজন মাফিক সম্পূর্ণ কুরআন নাজিল হয় । আল-কুরআন ৩০টি খণ্ডে বিভক্ত। এগুলোর প্রত্যেকটিকে এক একটি পারা বলা হয় । এর সূরা সংখ্যা ১১৪টি এবং রুকু সংখ্যা ৫৫৮টি।

কুরআনের নামকরণ

কুরআন অর্থ পঠিত । আল-কুরআন পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি পঠিত গ্রন্থ। প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাযে বাধ্যতামুলকভাবে কুরআন তিলাওয়াত করা হয় । এ দৃষ্টিকোণ থেকে এ মহাগ্রন্থকে কুরআন বলা হয় ।

কুরআনের অন্য অর্থ একত্র করা বা জমা করা । আল-কুরআনে পূর্ববর্তী সকল আসমানি কিতাবের শিক্ষা ও মূলনীতি একত্র করা হয়েছে বিধায় একে কুরআন বলা হয়।
আল-কুরআনের বেশকিছু নাম রয়েছে । এগুলোর মধ্যে প্রসিদ্ধ নাম-

১. আল-কিতাব (Al-Kitāb) - গ্রন্থ।

২. আল-ফুরকান (Al-Furqān) - (সত্য-মিথ্যার) পার্থক্যকারী।

৩. আল-হিকমা (Al-Ḥikmah) - জ্ঞান, প্রজ্ঞা।

৪. আল-বুরহান (Al-Burhān) - সুস্পষ্ট প্রমাণ।

৫. আল-হক (Al-Ḥaqq) - সত্য।

৬. আন-নূর (An-Nūr) - জ্যোতি।

৭. আল-হুদা (Al-Hudā) - পথনির্দেশ।

৮. আয-যিকর (Adh-Dhikr) - উপদেশ।

৯. আশ-শিফা (Ash-Shifā) - নিরাময়।

১০. আল-মাজিদ (Al-Majīd) - সম্মানিত, মহিমান্বিত।

১১. আল-মাওয়িযা (Al-Maw‘iẓah) - সদুপদেশ।

১২. আর-রাহমাহ (Ar-Raḥmah) - অনুগ্রহ, দয়া।

কুরআনের বৈশিষ্ট্য ও মাহাত্ম্য

আল-কুরআন সর্বশ্রেষ্ঠ ও সবচেয়ে মর্যাদাবান গ্রন্থ। এটি দুনিয়ার সকল গ্রন্থ, এমনকি অন্যান্য আসমানি কিতাবের তুলনায় স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত। এর সমকক্ষ আর কোনো কিতাব নেই ।
আল-কুরআন পরিপূর্ণ ও পূর্ণাঙ্গ কিতাব । এ গ্রন্থ সকল জ্ঞান-বিজ্ঞানের আধার। সব বিষয়ের মূলনীতি এ গ্রন্থে বিদ্যমান। আল্লাহ তায়ালা বলেন-

ما فَرَّطْنَا فِي الْكِتَبَ مِنْ شَيْءٍ

অর্থ : “আমি এই কিতাবে কোনো কিছুই বাদ দেইনি।” (সূরা আল-আনআম, আয়াত ৩৮)

সুতরাং আল-কুরআন হলো পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ। মানবজীবনের প্রয়োজনীয় সকল বিষয়ের যথাযথ নির্দেশনা এ কিভাবে বিদ্যমান ।

আল-কুরআন সর্বশেষ আসমানি কিতাব। আল্লাহ্ তায়ালা মহানবি (স.)-এর মাধ্যমে ইসলামকে পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা হিসেবে ঘোষণা করেছেন। ফলে পৃথিবীতে আর কোনো নবি-রাসুল আসবেন না । কোনো আসমানি কিতাবও নাজিল হবে না। কুরআনের শিক্ষাই কিয়ামত পর্যন্ত বলবৎ থাকবে । তাছাড়া পূর্ববর্তী সকল আসমানি কিতাবের সার-নির্যাসও কুরআনে রয়েছে। সুতরাং এটি সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ আসমানি কিতাব । আল-কুরআন সন্দেহমুক্ত কিতাব। দুনিয়ার কোনো গ্রন্থই নির্ভুল বা অকাট্য নয়। কিন্তু কুরআন নির্ভুল এবং এটি সন্দেহেরও বাইরে। সন্দেহের উদ্রেক হতে পারে এমন কোনো বিষয়ই এতে নেই । আল্লাহ তায়ালা বলেন-

ذلِكَ الْكِتُبِ لَا رَيْبَ فِيهِ

অর্থ : “এটি (কুরআন) সেই কিতাব, যাতে কোনো সন্দেহ নেই।” (সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২)

সর্বজনীন কিতাব হিসেবেও আল-কুরআনের মর্যাদা অনন্য। এটি কোনো দেশ, কাল বা জাতির জন্য সীমাবদ্ধ নয় । বরং সকল যুগের সব মানুষের জন্য এটি উপদেশ ও পথনির্দেশক। সুতরাং এটি সর্বজনীন কিতাব। আল-কুরআন একমাত্র অবিকৃত গ্রন্থ । নাজিলের পর থেকে আজ পর্যন্ত এর একটি হরকত বা নুকতাও পরিবর্তিত হয়নি । স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা এর রক্ষক। তিনি বলেন-

انا نَحْنُ نَزَّلْنَا الذِكَرَ وَإِنَّا لَهُ لَحَفِظُونَ

অর্থ : “আমিই কুরআন অবতীর্ণ করেছি এবং অবশ্য আমিই এর সংরক্ষক ।” (সূরা আল-হিজর, আয়াত ৯)

বস্তুত আল-কুরআন অবিকৃত ও অপরিবর্তিত গ্রন্থ। আজ পর্যন্ত এতে কোনোরূপ সংযোজন, সংশোধন, পরিমার্জন, পরিবর্ধন বা বিয়োজন হয়নি, আর ভবিষ্যতেও হবে না ।
কুরআন সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থ ও মর্যাদাপূর্ণ কিতাব। এতে সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্য, ইতিহাস, ভবিষ্যদ্বাণী, বিজ্ঞান, সৃষ্টি রহস্য ইত্যাদি বিষয় খুব সুন্দরভাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে। এটি যেহেতু আল্লাহ তায়ালার বাণী সুতরাং এর মর্যাদাও তাঁরই ন্যায় অতুলনীয়। আল্লাহ তায়ালা বলেন-

بل هُوَ قُرْآنٌ مَّجِيدٌ هُ فِي لَوْحٍ مَّحْفُوظ 

অর্থ : “বস্তুত এটি সম্মানিত কুরআন। সংরক্ষিত ফলকে লিপিবদ্ধ।” (সূরা আল-বুরুজ, আয়াত ২১-২২)

আল-কুরআন মহান আল্লাহর বাণী। এটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ও মহিমায় ভাস্বর। এটি পরিবর্তন, বিকৃতি, সংযোজন-বিয়োজন থেকে মুক্ত ও পবিত্র । এটিই সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ আসমানি কিতাব।

আমরা পবিত্র কুরআনের মাহাত্ম্য অনুধাবন করব । ভক্তি ও সম্মান সহকারে আমরা কুরআন পাঠ করব এবং এর শিক্ষা সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান লাভ করে তা আমাদের বাস্তব জীবনে কার্যকর করব। কুরআনই হবে আমাদের জীবন চলার পাথেয়।

কাজ :

ক. শিক্ষার্থীরা আসমানি কিতাবের বিষয়বস্তু সম্পর্কে একটি তালিকা তৈরি করবে।
খ. শিক্ষার্থীরা পবিত্র কুরআনের ১০টি নামের একটি তালিকা তৈরি করবে।

আকাইদ ও নৈতিক জীবন - অনন্যা প্রশ্ন

ইসলামইমানমানবিক মূল্যবোধ বিকাশে ইমানের গুরুত্বতাওহিদআল্লাহ্ তায়ালার পরিচয়কুফরশিরকনিফাকরিসালাতনৈতিক মূল্যবোধ বিকাশে রিসালাত ও নবুয়তআসমানি কিতাবনৈতিক জীবন গঠনে আসমানি কিতাবের ভূমিকাআখিরাতআখিরাতের কয়েকটি স্তরসৎকর্মশীল ও নৈতিকজীবন গঠনে আখিরাতে বিশ্বাসের ভূমিকা‘আকাইদ’ কোন শব্দের বহুবচন? আকিদা অর্থ কী?‘আকাইদ’ শব্দের অর্থ কী?ইসলামি বিশ্বাসের মূলভিত্তি কী?ইসলামের মৌলিক বিষয়সমূহের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাসকে কী বলা হয়?আল্লাহ তায়ালার মনোনীত একমাত্র দ্বীন বা জীবনব্যবস্থাকে কী বলা হয়?আল্লাহ, নবি-রাসুল, ফেরেশতা ইত্যাদি বিষয়গুলো আকাইদের কোন দিক?ইসলামের বিশ্বাসগত দিকের নামকে কী বলা হয়?ইসলাম শব্দের অর্থ কী? ইসলাম কার আনুগত্যের কথা বলে?শরিয়তের সর্বশেষ ও পূর্ণাঙ্গ রূপ কী?মানবজাতির জন্য নির্দেশিত সর্বশেষ ও সর্বোত্তম জীবন বিধান কী?“নিশ্চয় আল্লাহর নিকট ইসলামই একমাত্র মনোনীত জীবনব্যবস্থা।” কুরআনের কোন সূরায় বর্ণিত আছে? যিনি ইসলাম অনুসারে জীবন পরিচালনা করেন তাকে কী বলা হয়? ইসলাম শব্দটির মূলধাতু কী?সিলমুন শব্দের অর্থ কী?ইসলামকে শান্তির ধর্ম বলা হয় কেন?ইসলাম কীরূপ জীবনবিধান?ইসলাম কাদের জন্য?ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করাকে কী বলে?ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞান লাভের প্রধান মাধ্যম কী?কীসের মাধ্যমে আমরা দুনিয়া ও আখিরাতে শান্তি ও সফলতার দিকনির্দেশনা অর্জন করতে পারি?‘ইমান’ শব্দটি এসেছে কোন ক্রিয়ামূল থেকে?‘ইমান’ শব্দের অর্থ কী?ইসলামের মূল বিষয়গুলোর প্রতি আন্তরিক বিশ্বাস, মৌখিক স্বীকৃতি ও তদনুযায়ী আমলের নাম কী?যিনি ইসলামের মৌলিক বিষয়ের প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস স্থাপন করেন, তাকে কী বলা হয়?মুখ, অন্তর ও কর্মের মাধ্যমে শরিয়তের কার্য সম্পাদন করাকে কী বলা হয়?মহান আল্লাহর যাবতীয় আদেশ-নিষেধ বিনা দ্বিধায় মেনে নেওয়ার মাধ্যমে তাঁর প্রতি পূর্ণাঙ্গরূপে আত্মসমর্পণ করাকে কী বলা হয়?কীসের মাধ্যমে ইমানের বহিঃপ্রকাশ ঘটে?ইমানের মূল বিষয় কয়টি?ইমানের সর্বপ্রথম ও সর্বপ্রধান বিষয় কী?ইমানের মূল কী? ফেরেশতারা কিসের তৈরি? আসমানি কিতাবের সংখ্যা মোট কত খানা? পথভ্রষ্ট মানুষকে সঠিক পথে পরিচালনার জন্য আল্লাহ পাক যুগে যুগে কাদের পাঠিয়েছেন? তাকদির শব্দের অর্থ কী? মানুষের মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্বকে সমুন্নত রাখা যায় কীভাবে? কুফর, শিরক ও নিফাক কিসের সম্পূর্ণ পরিপন্থি? মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে কীসের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ? ‘তাওহিদ’ শব্দের অর্থ কী? আল্লাহ তায়ালাকে এক ও অদ্বিতীয় হিসেবে স্বীকার করে নেওয়াকে কী বলে?“কোনোকিছু তার সদৃশ নয়।” বাণীটি দ্বারা কিসের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে?ইমানের সর্বপ্রথম ও সর্বপ্রধান বিষয় কী? ইসলামের সকল শিক্ষা ও আদর্শ কিসের ওপর প্রতিষ্ঠিত?নবি-রাসুলগণ সারাজীবন মানুষকে কিসের দাওয়াত দিয়েছেন?তাওহিদ প্রচার করতে গিয়ে কোন নবি অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষিপ্ত হয়েছেন?তাওহিদে বিশ্বাস মানুষের মাঝে কী সৃষ্টি করে? আল্লাহর একত্ববাদ কোন সূরায় বর্ণিত হয়েছে? “তিনিই প্রথম, তিনিই শেষ, তিনিই প্রকাশ্য, তিনিই গোপন এবং তিনি সর্ববিষয়ে সম্যক অবহিত।” এটি কোন সূরার আয়াত?রাহিম, জাব্বার, গাফফার এগুলো আল্লাহর কী? জাব্বার শব্দের অর্থ কী? ‘কুফর’ শব্দের অর্থ কী? যে ব্যক্তি কুফরি কাজে লিপ্ত থাকে, তাকে কী বলে? মানুষ কয়ভাবে কাফির বা অবিশ্বাসী হতে পারে? ইচ্ছাকৃতভাবে প্রকাশ্যে কুফরের চিহ্ন ধারণ করা কী কাজ?কাফির ব্যক্তি হতাশাগ্রস্ত থাকে কেন? জাহান্নামে কারা চিরকাল থাকবে? হরতালের সময় পাবলিক বাস ভাংচুরকারী কে?আল্লাহর সাথে অংশীদার সাব্যস্ত করাকে কী বলে?‘শিরক’ শব্দের অর্থ কী? যে ব্যক্তি মহান আল্লাহর সাথে অন্য কাউকে শরিক করে তাকে কী বলা হয়? শিরক-এর বিপরীত কী? আল্লাহর সাথে শিরক কত ধরনের হতে পারে?পৃথিবীর সকল প্রকার জুলুমের মধ্যে সবচেয়ে বড় জুলুম কোনটি? “নিশ্চয়ই শিরক চরম জুলুম।” কোন সূরার আয়াত?“নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সাথে শিরক করার অপরাধ ক্ষমা করেন না।” কোন সূরার?‘নিফাক’ শব্দটির অর্থ কী?নিফাক অর্থ কী? অন্তরে কুফর ও অবাধ্যতা গোপন রেখে মুখে ইমানদারসুলভ বাক্য উচ্চারণ এবং লোক দেখানো অনুষ্ঠান সম্পন্ন করাকে কী বলে? কারা বাহ্যিকভাবে ইসলাম ও ইমান স্বীকার করে মুসলমানদের মতো ইবাদত-বন্দেগি করে? মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য কয়টি? মুনাফিকের প্রথম লক্ষণ কী? মুনাফিকরা জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে অবস্থান করার কারণ কী?কুরআন মজিদে মুনাফিকদের কী বলে আখ্যায়িত করা হয়? ‘রিসালাত’ শব্দের অর্থ কী? রিসালাত অর্থ কী? মহান আল্লাহর পবিত্র বাণী পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্বকে কী বলা হয়? নবি-রাসুলগণের দায়িত্বের নাম কী?হযরত মুহাম্মদ (স.) দেশ ত্যাগ করেছিলেন কেন? সর্বপ্রথম নবি কে?সর্বশেষ নবি কে?“প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্য পথপ্রদর্শক রয়েছে।" কোন বিষয়টির গুরুত্ব বোঝানো হয়েছে?“তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করলাম।” এখানে দ্বীন বলতে কী বোঝানো হয়েছে?খাতামুন শব্দের অর্থ কী?‘খাতমে নবুয়ত' অর্থ কী?'খাতামুন নাবিয়্যিন' কার উপাধি?'তাওরাত' কোন নবির ওপর নাজিল হয়?হযরত মুসা (আ.)-এর ওপর কোন কিতাব নাজিল হয়?হযরত দাউদ (আ.)-এর ওপর কোন কিতাব অবতীর্ণ হয়েছিল?ইঞ্জিল কিতাব কোন নবির ওপর নাজিল হয়?সহিফা সংখ্যা কত?হযরত শিস (আ.)-এর ওপর অবতীর্ণ সহিফা সংখ্যা কয়টি?সবচেয়ে বেশি সহিফা কার ওপর অবতীর্ণ হয়েছে?সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ আসমানি কিতাবের নাম কী?হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর ওপর কত বছর বয়সে প্রথম কুরআন অবতীর্ণ হয়?জীবনের সকল সমস্যার সমাধান দেয় বলে কুরআনকে বলা হয়—আল-কুরআন হিফাজতের দায়িত্ব কার? সফলতা ও সম্মানের মূল চাবিকাঠী কী?ফিরাউন, নমরূদ ও কারুনের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে কোথায়?আখিরাত শব্দের অর্থ কী? মৃত্যুর পরের জীবনকে কী বলে? আখিরাতের জীবন শুরু হয় কখন থেকে? “তাঁরা আখিরাতে দৃঢ় বিশ্বাস রাখে” – তাঁরা কারা? “আর তারা (মুত্তাকিগণ) আখিরাতে দৃঢ় বিশ্বাস রাখে” কোন সূরার আয়াত?আখিরাতের জীবনের প্রথম স্তর হলো— “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে।” আয়াতটি কোন সূরার? বারযাখ জীবন শুরু হয়— কবরে ফেরেশতারা মৃত ব্যক্তিকে কয়টি প্রশ্ন করবেন? কিয়ামত বলতে কয়টি অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে? হাশর শব্দের অর্থ কী? পরকালে মানুষের আমলনামা কখন হাতে দেওয়া হবে? আখিরাতের জীবনের পঞ্চম স্তর কোনটি? মিযান শব্দের অর্থ কী? আল্লাহ তায়ালা বলেন, “আর আমি কিয়ামতের দিন ন্যায়বিচারের মানদণ্ড স্থাপন করব।” এখানে কিয়ামতের দিন বলতে বোঝানো হয়েছে—সিরাত শব্দের অর্থ কী? “তোমাদের প্রত্যেকেই তা অতিক্রম করবে, এটা তোমাদের প্রতিপালকের অনিবার্য সিদ্ধান্ত।” এ বাণী দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে? শাফাআত অর্থ কী? জান্নাতের একটি নাম কী? জাহান্নাম (নার)-এর শাব্দিক অর্থ কী? দোযখের স্তর কয়টি? 'মাযরাআতুন' শব্দের অর্থ কী? “দুনিয়া আখিরাতের শস্যক্ষেত্র"- এটি কার বাণী? ব্যক্তি যদি সৎ কাজ করে, তাহলে তার প্রাপ্তি হবে— আকাইদ শব্দটি কোন শব্দের বহুবচন?আকাইদ অর্থ কী?আকাইদ কাকে বলে? অথবা, আকাইদ কী?ইসলামের কয়টি দিক রয়েছে?আকাইদের অন্তর্ভুক্ত বিষয় কী?বস্তুত একজন মানুষ কীভাবে ইসলামে প্রবেশ করে?ইসলাম কী?ব্যবহারিক অর্থে ইসলাম কী?“নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট ইসলামই একমাত্র মনোনীত জীবনব্যবস্থা।” —উক্তিটি কোন সূরার কত নম্বর আয়াত?কোন সূরায় ইসলামকে পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে?মুসলিম কে?আরবি ইসলাম শব্দটি কোন ধাতু হতে নির্গত ?ইসলাম শিক্ষা কী?ইমান শব্দটি কোন ধাতু থেকে নির্গত?

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ