• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • ইংরেজ উপনিবেশিক শাসন : কোম্পানি আমল
ইংরেজ উপনিবেশিক শাসন : কোম্পানি আমল

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

ওয়ারেন হেস্টিংস নিয়ামক আইন (১৭৭৩ খ্রি.) Warren Hastings: Regulating Act (1773 AD)

ব্রিটিশ ভারতের ইতিহাসে ওয়ারেন হেস্টিংসের শাসনকাল (১৭৭২-১৭৮৫) একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। মাত্র আঠারো বছর বয়সে লর্ড ক্লাইভের ন্যায় তিনি কোম্পানির সামান্য কর্মচারী হিসেবে ভারতবর্ষে আসেন। সিরাজউদ্দৌলার কাশিমবাজার অভিযানকালে অনেকের ন্যায় তিনিও বন্দী হন এবং ১৭৬৪ খ্রিষ্টাব্দে মুক্তি লাভ করে স্বদেশে ফিরে যান। ১৭৭২ খ্রিষ্টাব্দে তিনি ভারতবর্ষে গভর্নর নিযুক্ত হন এবং পার্লামেন্টে Regulating act-1773 (নিয়ামক আইন ১৭৭৩ খ্রিষ্টাব্দ) পাস হবার পর ১৭৭৪ খ্রিষ্টাব্দে তিনি বাংলার গভর্নর জেনারেল পদে অধিষ্ঠিত হন। সে হিসেবে তিনিই প্রথম ভারতবর্ষের গভর্নর জেনারেল।

হেস্টিংসের প্রাথমিক অসুবিধাসমূহ

ভারতবর্ষের শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে ওয়ারেন হেস্টিংস বেশ কতগুলো অসুবিধার সম্মুখীন হন। উল্লেখযোগ্য অসুবিধাসমূহ নিম্নে তুলে ধরা হলো-

ক) ছিয়াত্তরের দুর্ভিক্ষে বাংলার এক তৃতীয়াংশ লোকের অকাল মৃত্যু ঘটে। ফলে বাংলার বহু গ্রাম ও সবুজ প্রান্তর উজার হয়ে যায় এবং উর্বর ভূমি পতিত হয়ে যায়।

খ) ক্লাইভের প্রবর্তিত দ্বৈতশাসন নীতির ফলে দেশে প্রশাসনিক জটিলতার সৃষ্টি হয়, অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড ভেঙে যায়, রাজকোষ শূন্য হয়।

গ) প্রশাসনিক দুর্বলতার জন্য কোম্পানির কর্মচারীগণ দুর্নীতিপরায়ণ হয়ে ওঠে। তারা ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবসায়-বাণিজ্য এবং অসাধু উপায়ে অর্থ উপার্জনে লিপ্ত হয়ে পড়ে।

ঘ) দাক্ষিণাত্যে মারাঠা শক্তির উত্থান ব্রিটিশ শক্তির প্রতি হুমকিস্বরূপ হয়ে ওঠে।

ঙ) মহীশূরের হায়দার আলী ব্রিটিশদের ভারতবর্ষ থেকে বিতাড়নের এবং প্রতিশোধ গ্রহণের জন্য সুযোগ খুঁজছিলেন। এমনি এক বিপদসংকুল পরিবেশে হেস্টিংস বাংলার শাসনভার গ্রহণ করেন। সে সময় বাংলার আর্থ-সামাজিক অবস্থার বর্ণনা দিতে গিয়ে ঐতিহাসিক স্যার আলফ্রেড বলেন, দুর্নীতিতে উপমহাদেশের ইংরেজদের ভাগ্য সর্বনিম্ন স্তরে নিমজ্জিত ছিল।

হেস্টিংসের অভ্যন্তরীণ নীতি

হেস্টিংস ভারতবর্ষের দায়িত্ব গ্রহণ করে অভ্যন্তরীণ সমস্যাগুলো সমাধান করে। তার সংস্কারসমূহ উপমহাদেশের ইতিহাসে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। নিম্নে তার অভ্যন্তরীণ নীতিসমূহ আলোচনা করা হলো-

দ্বৈতশাসন ব্যবস্থার অবসান ক্লাইভ কর্তৃক প্রবর্তিত দ্বৈতশাসনের কুফলে বাংলায় ইংরেজদের মর্যাদা সর্ব নিম্নস্তরে নেমে আসে। ১৭৭২ খ্রিষ্টাব্দে জনগণের ওপর অত্যাচারের অভিযোগে হেস্টিংস বাংলা ও বিহারের ডেপুটি নবাবের পদ দুটি বাতিল করে রাজস্ব ও দেওয়ানি সংক্রান্ত সকল দায়িত্ব কোম্পানির অধীনে আনয়ন করেন। ইংরেজদের রাজস্ব আদায়ের দায়িত্বে নিয়োজিত বঙ্গের নায়েব নাজিম রেজা খান, বিহারের নায়েম নাজিম সিতাবর রায়কে পদচ্যুত করে বিচারের জন্য কলকাতায় প্রেরণ করেন।

রাজস্ব সংস্কার: এটি হেস্টিংসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার। তিনি কালেক্টর উপাধিধারী ইংরেজ কর্মচারীদের হাতে রাজস্ব আদায়ের ভার অর্পণ করেন। দুর্নীতি দমন ও সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য রাজকোষ মুর্শিদাবাদ থেকে কলকাতায় স্থানান্তর করেন। বোর্ড অফ রেভিনিউ নামক একটি সংস্থা গঠন করে রাজস্ব সংক্রান্ত বিষয়গুলো উক্ত সংস্থার ওপর ন্যস্ত করেন। অতঃপর রাজস্ব নিলামে চড়িয়ে সর্বাপেক্ষা উচ্চ হারে রাজস্ব দিতে স্বীকৃত ব্যক্তিকে পাঁচ বছরের জন্য জমি ইজারা প্রদান করেন। এই ব্যবস্থাই ইতিহাসে পাঁচসালা বন্দোবস্ত নামে পরিচিত।পরবর্তীকালে এ ব্যবস্থার কুফল লক্ষ করে কর্ণওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা প্রচলন করেন।

বিচার বিভাগের সংস্কার হেস্টিংস বিচার বিভাগকে রাজস্ব বিভাগ থেকে পৃথক করে প্রত্যেক জেলায় একটি করে দেওয়ানি এবং ফৌজদারি আদালত স্থাপন করেন। দেওয়ানি বিচারের ভার কালেক্টরের হাতে এবং ফৌজদারি বিচারের ভার দেশীয় বিচারকের হাতে অর্পণ করেন। উক্ত মোকদ্দমার আপিলের জন্য তিনি কলকাতার সদর দেওয়ানি আদালত এবং সদর নিজামত আদালত নামক দুটি উচ্চতর আদালত স্থাপন করেন। নবাব বা নাজিম ছিলেন ফৌজদারি আদালতের প্রধান গভর্নর এবং তার দুজন সদস্যের সমন্বয়ে দেওয়ানি আদালত গঠিত হয়।

অর্থনৈতিক সংস্কার দুর্ভিক্ষ কবলিত বাংলার অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতিকল্পে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেন-(১) মোগল সম্রাট শাহ আলমের দেয় বাৎসরিক ২৬ লক্ষ টাকা ভাতা বন্ধ করে দেন (২) এলাহাবাদ ও কারা জেলা দুটি কেড়ে নিয়ে অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলাকে ৫০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে প্রদান করেন। (৩) বাংলার নবাবের বাৎসরিক বৃত্তি ৩২ লক্ষ মুদ্রা থেকে কমিয়ে ১৬ লক্ষ মুদ্রা করেন। (৪) অযোধ্যার নবাবের নিকট থেকে ৪০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে রোহিলা যুদ্ধে ব্রিটিশ সৈন্য ভাড়া দেন। এভাবে বিভিন্ন অসাধু উপায়ে অর্থ সংগ্রহ এবং ব্যয় সংকোচন নীতি গ্রহণ করে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিকট থেকে গৃহীত সকল ঋণ পরিশোধ করেন।

হেস্টিংসের পররাষ্ট্র নীতি

হেস্টিংস গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে পররাষ্ট্র বা সীমান্ত নীতি বিষয়ে কিছু পরিবর্তন সাধন করেন। তিনি লক্ষ করলেন যে, কোম্পানি ইতোমধ্যে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। সুতরাং ভারতবর্ষে ইংরেজদের অধিকার স্থায়ী করতে হলে দেশীয় রাজাদের যথাসম্ভব ইংরেজ সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল করে তোলা প্রয়োজন, এজন্য তিনি পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করেন।

অযোধ্যা নীতি: হেস্টিংসের বৈদেশিক নীতির মূল লক্ষ্যই ছিল যেকোনো উপায়ে ভারতবর্ষে ব্রিটিশ শক্তি সুপ্রতিষ্ঠিত করা। তিনি সম্ভাব্য মারাঠা আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য অযোধ্যাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে সচেষ্ট হন। এ লক্ষ্যে তিনি সম্রাট শাহ আলমকে দেয় বাৎসরিক ২৬ লক্ষ টাকা বন্ধ করে দেন এবং তার নিকট থেকে (বারাণসির সন্ধি দ্বারা) কারা ও এলাহাবাদ কেড়ে নিয়ে বাৎসরিক ৫০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলাকে প্রদান করেন। এ সংক্রান্ত চুক্তিটির নাম 'বারাণসীর সন্ধি'। এ সন্ধিতে আরও উল্লেখ থাকে যে, প্রয়োজনবোধে ব্রিটিশ সৈন্য অযোধ্যার নবাবকে সাহায্য করবে এবং 'সে জন্য তাকে যাবতীয় ব্যয়ভার বহন করতে হবে। বারাণসীর সন্ধির ফলেই পরবর্তীকালে রোহিলা যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

রোহিলা যুদ্ধ-১৭৭৪: রোহিলা যুদ্ধ হেস্টিংসের আমলে এক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। বর্তমান যুক্ত প্রদেশের অধিবাসীগণ রোহিলা আফগান নামে পরিচিত ছিল। রোহিলা সর্দার হাফিজ রহমত মারাঠাদের ভয়ে অযোধ্যার নবাবের সাথে এই মর্মে চুক্তি করেন যে, মারাঠাদের বিরুদ্ধে রোহিলাদের সাহায্য করলে অযোধ্যার নবাবকে ৪০ লক্ষ টাকা প্রদান করা হবে। ঘটনাচক্রে রোহিলাগণ মারাঠা কর্তৃক আক্রান্ত হন এবং চুক্তি মোতাবেক অযোধ্যার নবাব সৈন্য দিয়ে সাহায্যও করেন কিন্তু মারাঠাদের রাজনীতিতে পট পরিবর্তনের ফলে তারা হঠাৎ সেনা ছাউনি গুটিয়ে স্বদেশে চলে যান। চুক্তি মোতাবেক নবাব রোহিলা সর্দারের নিকট ৪০ লক্ষ টাকা দাবি করলে রোহিলা সর্দার বিষয়টি বিবেচনা করতে বললেন। অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলা ক্ষুব্ধ হয়ে ৪০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে রোহিলাদের বিরুদ্ধে সাহায্য চেয়ে হেস্টিংসের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এভাবে ১৭৭৪ খ্রিষ্টাব্দে ব্রিটিশ সৈন্যের সাহায্যে অযোধ্যার নবাব 'মিরনপুর কাটারার' যুদ্ধে রোহিলাদের পরাজিত এবং হাফিজ রহমতকে নিহত করে রোহিলাখণ্ড অযোধ্যার অন্তর্ভুক্ত করেন। ব্রিটিশ সৈন্য ভাড়ায় খাটানোসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের জন্য হেস্টিংসকে পরবর্তী সময় মহাঅভিযোগের (Impechment) সম্মুখীন হতে হয়। অর্থের বিনিময়ে ব্রিটিশ সৈন্য ভাড়া দিয়ে ঐতিহাসিকদের দৃষ্টিতে তিনি ভুল করেন। এ কারণকে কেন্দ্র করে তার পরিষদ কাউন্সিলারের সাথে তার দ্বন্দ্ব হয়। এতদসত্ত্বেও হেস্টিংস নানা বৈধ ও অবৈধ উপায়ে অর্থ উপার্জন করে কোম্পানির ঋণ পরিশোধ করেন এবং আয় বৃদ্ধি করেন। হেস্টিংসের নিম্নমানের কর্মকাণ্ডের জন্য ভারতবাসীর কাছে অপ্রিয় হন। তার কর্মকাণ্ডের জন্য ইংল্যান্ডের আদালতে তিনি অভিযুক্ত হলেও লর্ড ক্লাইভ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ব্রিটিশদের ভারতীয় উপনিবেশ রক্ষার এবং ব্রিটিশ শাসন সুদৃঢ়করণে তার অবদান অস্বীকার করা যায় না।

প্রথম ইঙ্গ-মারাঠা যুদ্ধ-১৭৭৫: ১৭৬১ খ্রিষ্টাব্দে পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে (প্রথম যুদ্ধ ১৫২৬ ও দ্বিতীয় যুদ্ধ ১৫৫৬ খ্রি.)

মারাঠাদের যে ক্ষতি হয়েছিল তা পেশোয়া মাধব রাওয়ের নেতৃত্বে পূরণ সম্ভব হয়। কিন্তু পেশোয়া মাধব রায়ের মৃত্যুর পর কনিষ্ঠ ভ্রাতা নারায়ণ রাও পেশোয়া পদ গ্রহণ করলে রঘুনাথরাও তাকে হত্যা করে নিজেকে পোশোয়া বলে ঘোষণা করে। ইতোমধ্যে নারায়ণরাও-এর গর্ভবতী স্ত্রী একটি পুত্র সন্তান জন্ম দিলেন। মাধব রাও নারায়ণ নামে পরিচিত এই শিশুর পক্ষে অধিকাংশ মারাঠা সর্দার পেশোয়া পদের জন্য মনোনয়ন দিলে মারাঠাদের মধ্যে উত্তরাধিকার সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়। ১৭৭৫ খ্রিষ্টাব্দে সুরাটের সন্ধি মোতাবেক ইংরেজরা রঘুনাথের পক্ষ অবলম্বন করলে ১৭৭৮ খ্রিষ্টাব্দে মারাঠা ও ইংরেজদের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। ১৭৭৯ খ্রিষ্টাব্দে তেলিগাঁও-এর যুদ্ধে ইংরেজ বাহিনী পরাজিত হয়ে ওয়াড়গাও-এর সন্ধিশর্তে আবদ্ধ হয়। হেস্টিংস এই সন্ধি প্রত্যাহার করলে পুনরায় যুদ্ধ শুরু হয়। অবশ্য ১৭৮২ খ্রিষ্টাব্দে সলবাইয়ের সন্ধির মাধ্যমে প্রথম ইঙ্গ-মারাঠা যুদ্ধের অবসান ঘটে। এ সন্ধির শর্ত মোতাবেক ইংরেজ অধিকৃত স্থানসমূহ মারাঠাগণ ফেরত পান এবং ইংরেজরা সলসেট বন্দর লাভ করেন। ইংরেজরা মাধব রাও নারায়ণকে পেশোয়া বলে স্বীকৃতি দেন এবং রঘুনাথকে বার্ষিক ৩ লক্ষ টাকা বৃত্তি প্রদান করেন।

এ যুদ্ধে ইংরেজদের তেমন লাভ নাহলেও তাদের মর্যাদা বহুগুণ বেড়ে যায়। এ যুদ্ধে তাদের অর্থ ব্যয় হলেও ২০ বছরের মধ্যে মারাঠাদের সাথে আর কোনো যুদ্ধ করতে হয়নি। এই সুযোগে ইংরেজরা ফরাসি এবং মহীশূরের বিরুদ্ধে পূর্ণ শক্তি প্রয়োগ করতে সক্ষম হয়।

পূর্ববর্তী

ইংরেজ উপনিবেশিক শাসন : কোম্পানি আমল - অনন্যা প্রশ্ন

ওয়ারেন হেস্টিংস নিয়ামক আইন (১৭৭৩ খ্রি.) Warren Hastings: Regulating Act (1773 AD)রেগুলেটিং অ্যাক্ট (১৭৭৩ খ্রি.) (Regulating (Regulating Act-1773 AD)ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ: হায়দার আলী Anglo Mysore War: Haydar Aliপ্রথম ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধদ্বিতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ (১৭৮০-৮৪ খ্রি.)হায়দার আলীর চরিত্র ও কৃতিত্বহেস্টিংসের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনহেস্টিংসের পদত্যাগ ও ইম্পিচমেন্টহেস্টিংসের কৃতিত্ব বিচারপিটের ভারত শাসন আইন-১৭৮৪ খ্রিষ্টাব্দ (Pitts Indian Government Act-1784 AD)লর্ড কর্ণওয়ালিশ (১৭৮৬-১৭৯৩ খ্রি.) Lord Cornwallis (1786-1793 AD)চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত-১৭৯৩ Permanent Settlement-1793লর্ড ওয়েলেসলি অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি (১৭৯৮-১৮০৫ খ্রি.) Lord Wellesly: Subsidary Alliance Policy (1798-1805 AD)ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ: টিপু সুলতান Anglo Mysore War: Tipu Sultanলর্ড কর্ণওয়ালিশ (১৮০৫ খ্রি.) Lord Cornwalis (1805 AD)লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক: সংস্কারসমূহ (১৮২৮-১৮৩৫ খ্রি.) Lord William Bentinck: Reforms (1828-1835 AD)১৮৩৩ খ্রিষ্টাব্দের সনদ আইন Charter Act of 1833 ADস্যার চার্লস মেটকাফ (১৮৩৫ খ্রি.) Sir Charles Metcalfe (1835 AD) AD)লর্ড অকল্যান্ড (১৮৩৬-১৮৪২ খ্রি.) Lord Auckland (1836-1842 AD)লর্ড এলেনবরা (১৮৪২-১৮৪৪ খ্রি.) Lord Ellenborough (1842-1844 AD)লর্ড হার্ডিঞ্জ (১৮৪৫-১৮৪৮ খ্রি.) Lord Hardinge (1845-1848 AD)লর্ড ডালহৌসি (১৮৪৮-১৮৫৬ খ্রি.) Lord Dalhousie (1848-1856 AD)ইংরেজ বিরোধী আন্দোলন Movements Against the Englishহাজী শরীয়তউল্লাহ ও ফরায়েজি আন্দোলন-১৮১৮-১৮৬২ Hazi Shariatullah and Faraizi Movement-1818-1862ওহাবী আন্দোলন: তিতুমীর (১৭৮২-১৮৩১ খ্রি.) Wahabi Movement: Titumeer (1782-1831 AD)১৮৫৭ খ্রিষ্টাব্দের স্বাধীনতা সংগ্রাম Liberation War-1857 ADনিয়ামক আইন (১৭৭৩) বা, রেগুলেটিং অ্যাক্ট বলতে কী বোঝায়?অযোধ্যা নীতিচিরস্থায়ী বন্দোবস্ত বলতে কী বোঝ?অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি বলতে কী বোঝায়?টিপু সুলতান কে ছিলেন? তাঁর পরিচয় দাও।সতীদাহ প্রথা কী? ব্যাখ্যা কর।বর্গীস্বত্ববিলোপ নীতি বলতে কী বোঝায়? বর্ণনা কর।ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা দাও।সন্ন্যাসীওহাবী আন্দোলনএন্ডফিল্ড রাইফেল সম্পর্কে আলোচনা কর।Regulating Act বা নিয়ামক আইন লর্ড নর্থ কত সালে প্রবর্তন করেন?১৭৬৫ সালে লর্ড ক্লাইভ কর্তৃক প্রবর্তিত দ্বৈতশাসন (১৭৭২ সালে) কে রহিত করেন?ভারতবর্ষের প্রথম গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন?একসালা বন্দোবস্ত কে প্রবর্তন করেন?কোন শাসকের বিরুদ্ধে ব্রিটিশ সৈন্য ভাড়ায় খাটানোর অভিযোগ উঠে ছিল?ভারতবর্ষের কোন গভর্নর জেনারেল ইম্পিচমেন্টের সম্মুখীন হয়?কত সালে রোহিলা যুদ্ধ সংঘটিত হয়?রোহিলাদের সরদার কে ছিলেন?কোন সন্ধির মাধ্যমে দ্বিতীয় ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ সমাপ্তি হয়?ইঙ্গ-মারাঠা যুদ্ধ কত সালে সংঘটিত হয়?হায়দার আলীর পুত্র টিপু সুলতান কোথাকার শাসক ছিলেন?হায়দার আলী ১৭২১ খ্রিষ্টাব্দে কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?কোন যুদ্ধে টিপু সুলতান পরাজিত ও নিহত হন?কাকে 'মহীশূরের ব্রঘ্য' বা 'আশার শেষ রশ্মি' বলা হয়?চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত কে প্রবর্তন করেন?বাংলার প্রথম গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন?অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি কে প্রবর্তন করেন?লর্ড ওয়েলেসলির অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি প্রথম কে গ্রহণ করেন?রাজা রামমোহন রায় কে ছিলেন?অনুমরণ কী?ভারতীয় সংবাদপত্রের স্বাধীনতা প্রদান করেন কে?কে স্বত্ববিলোপ নীতি প্রবর্তন করেন?কাকে ভারতের রেলপথের জনক বলা হয়?বাংলায় সর্বপ্রথম কে জুরি ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন?১৮২৯ সালে রাজা রামমোহন রায় কোন ব্রিটিশ শাসকের মাধ্যমে সতীদাহ প্রথা উচ্ছেদ করেন?ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম আন্দোলন কোনটি?মজনু শাহ মাস্তান ও ভবানি পাঠক কোন আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন?কখন ফকির সন্ন্যাসী বিদ্রোহ চূড়ান্তভাবে অবসান ঘটে?"জমি আল্লাহর দান, সুতরাং জমিদারদের কর ধার্য করার অধিকার নাই"- উক্তিটি কার?ওহাবী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?'ওহাবী' শব্দের অর্থ কী?কত সালে উড়িষ্যায় পাইক বিদ্রোহ হয়েছিল?হাজী শরীয়তউল্লাহ কে ছিলেন?হাজী শরীয়তউল্লাহ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?ব্রিটিশ ভারতের কোন গভর্নর জেনারেল নন্দকুমারের ফাঁসির সাথে জড়িত?হায়দার আলী কোথাকার শাসনকর্তা ছিলেন?ওহাবী আন্দোলনের অনুসারী তিতুমীর কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?কে বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন?তিতুমীর ১৮৩১ সালে কোথায় বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন?তিতুমীর কবে এবং কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?কোন যুদ্ধে ওয়ারেন হেস্টিংস ব্রিটিশ সৈন্য ভাড়ায় খাটিয়েছিলেন?কোন ব্রিটিশ শাসক বিচার বিভাগ থেকে রাজস্ব বিভাগ পৃথক করেন?সিপাহি বিদ্রোহ কে দমন করেন?ইঙ্গ-মারাঠা যুদ্ধ কত সালে সংঘটিত হয়?১৮৫৬ সালে কোন বিদ্রোহিরা ব্রিটিশদের তাড়িয়ে 'সত্য যুগ' প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছিল?মহাবিদ্রোহ বা সিপাহি বিদ্রোহ কত সালে সংঘটিত হয়েছিল?১৮৫৭ সালে মহাবিদ্রোহের সময় ভারতের গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন?লক্ষ্মীবাই কে ছিলেন?কে বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন? হাজী শরীয়তউল্লাহর সংস্কার আন্দোলন কি কৃষক আন্দোলনে পরিণত হয়েছিল? ব্যাখ্যা কর।ফরায়েজি আন্দোলন কী? ব্যাখ্যা কর।'বয়কট' আন্দোলন বলতে কী বোঝায়?

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ